বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি

রাজশাহীর বাঘায় সাদেক হোসেন (৫০) নামের এক গরু ব্যবসায়ীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়নের আরিফপুর গ্রামে একটি আমবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি আরিফপুর গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাদেক হোসেন গরু ও ছাগলের ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসা করতেন। তাঁর দুই স্ত্রী রয়েছে। প্রথম স্ত্রী আশেমা বেগম মানসিক প্রতিবন্ধী এবং দুই কন্যাসন্তানের মা। বর্তমানে তিনি বাবার বাড়িতে থাকেন। দ্বিতীয় স্ত্রী নাদিরা বেগমের সঙ্গে সাদেক হোসেন চণ্ডীপুর গ্রামে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। তবে ব্যবসা ও জমির দেখাশোনার কারণে তিনি মাঝে মাঝে আরিফপুরের নিজ বাড়ি এলাকায় যেতেন।
সর্বশেষ মঙ্গলবার রাতে খবর পেয়ে পুলিশ আরিফপুর গ্রামের মকবুলের আমবাগান থেকে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী নাদিরা বেগম ও মেয়ে সাথী আক্তার অভিযোগ করে বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে সাদেক হোসেনকে তাঁর সৎভাই কামাল হোসেন হত্যা করে পালিয়েছে। কামালের বিরুদ্ধে মাদক, হত্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
বাজুবাঘা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য খন্দকার আলালউদ্দিন জানান, ঘটনার সময় তিনি আরিফপুর মোড়ে ছিলেন। সেখান থেকে তিনি আমবাগানে আলো দেখে সঙ্গীদের নিয়ে এগিয়ে গেলে রক্তাক্ত অবস্থায় সাদেক হোসেনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ সাদেক হোসেনের সৎভাই কামাল হোসেনের স্ত্রী চায়না, তাঁর ছেলে চন্দন এবং সাদেকের বোন সফেলাকে থানায় নিয়ে গেছে।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আছাদুজ্জামান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহীর বাঘায় সাদেক হোসেন (৫০) নামের এক গরু ব্যবসায়ীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়নের আরিফপুর গ্রামে একটি আমবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি আরিফপুর গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাদেক হোসেন গরু ও ছাগলের ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসা করতেন। তাঁর দুই স্ত্রী রয়েছে। প্রথম স্ত্রী আশেমা বেগম মানসিক প্রতিবন্ধী এবং দুই কন্যাসন্তানের মা। বর্তমানে তিনি বাবার বাড়িতে থাকেন। দ্বিতীয় স্ত্রী নাদিরা বেগমের সঙ্গে সাদেক হোসেন চণ্ডীপুর গ্রামে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। তবে ব্যবসা ও জমির দেখাশোনার কারণে তিনি মাঝে মাঝে আরিফপুরের নিজ বাড়ি এলাকায় যেতেন।
সর্বশেষ মঙ্গলবার রাতে খবর পেয়ে পুলিশ আরিফপুর গ্রামের মকবুলের আমবাগান থেকে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী নাদিরা বেগম ও মেয়ে সাথী আক্তার অভিযোগ করে বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে সাদেক হোসেনকে তাঁর সৎভাই কামাল হোসেন হত্যা করে পালিয়েছে। কামালের বিরুদ্ধে মাদক, হত্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
বাজুবাঘা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য খন্দকার আলালউদ্দিন জানান, ঘটনার সময় তিনি আরিফপুর মোড়ে ছিলেন। সেখান থেকে তিনি আমবাগানে আলো দেখে সঙ্গীদের নিয়ে এগিয়ে গেলে রক্তাক্ত অবস্থায় সাদেক হোসেনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ সাদেক হোসেনের সৎভাই কামাল হোসেনের স্ত্রী চায়না, তাঁর ছেলে চন্দন এবং সাদেকের বোন সফেলাকে থানায় নিয়ে গেছে।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আছাদুজ্জামান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে