নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীতে সরকার পতনের আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৪০ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৩০ জন গুলিবিদ্ধ বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ শংকর কে বিশ্বাস জানান, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৪০ জনের মধ্যে ৩৭ জন এসেছেন রাজশাহী মহানগর থেকে। আর তিনজন এসেছেন জেলার গোদাগাড়ী উপজেলা থেকে। ভর্তি হওয়া ৪০ জনের মধ্যে ৩০ জনই গুলিবিদ্ধ বলে জানান তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াত-শিবিরের নেতা–কর্মীরা হাতে হাতে লাঠি নিয়ে নগরীর তালাইমারী মোড়ে জড়ো হন। এরপর দুপুর ১২টার দিকে তাঁরা মিছিল নিয়ে সাহেববাজারের দিকে রওনা হন। আর আলুপট্টি মোড়ে সশস্ত্র অবস্থায় অপেক্ষা করছিলেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা। মিছিল কল্পনা সিনেমা হলের মোড়ে পৌঁছালে তাঁরা আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করেন।
মিছিল থেকে ককটেল ছুড়ে মারা হয়। এ সময় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা কিছুটা পিছু হটেন। এরপর পুলিশ এলে তাঁরা আন্দোলনকারীদের ওপর আক্রমণ করেন। এ সময় বেশ কিছু ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। মুহুর্মুহু গুলি ছোড়া হয়। পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে মারে। এতে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। আহত হন অর্ধশতাধিক।
এদিকে আজ বেলা ১১টায় গোদাগাড়ী উপজেলা সদরে আন্দোলনকারীদের জড়ো হওয়ার জন্য আগের রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন সাবেক এক শিবির নেতা। এ জন্য সকাল থেকেই উপজেলা সদর ডাইংপাড়া মোড়ে সতর্ক অবস্থায় ছিল পুলিশ। বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা উপজেলা সদরে এলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও গুলি ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। তখন আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে গিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশ ডাইংপাড়া মোড় ছেড়ে থানার দিকে চলে যায়। তখন আন্দোলনকারীরা ডাইংপাড়া মোড়ে ঢুকে যায়।
এ সময় আন্দোলনকারীরা ডাইংপাড়া মোড়ে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের দোকান ভাঙচুর করে। এরপর তারা উপজেলা প্রেসক্লাবে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। সেখানে শহিদুল ইসলাম নামের স্থানীয় এক সাংবাদিককেও মারধর করে জখম করা হয়। পরে দুপুরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর জানান, রাজশাহী মহানগরীর অবস্থাও এখন শান্ত রয়েছে। তবে এখনো পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। শহরের সংঘর্ষে হতাহতের সংখ্যা জানাতে পারেননি ওসি।

রাজশাহীতে সরকার পতনের আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৪০ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৩০ জন গুলিবিদ্ধ বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ শংকর কে বিশ্বাস জানান, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৪০ জনের মধ্যে ৩৭ জন এসেছেন রাজশাহী মহানগর থেকে। আর তিনজন এসেছেন জেলার গোদাগাড়ী উপজেলা থেকে। ভর্তি হওয়া ৪০ জনের মধ্যে ৩০ জনই গুলিবিদ্ধ বলে জানান তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াত-শিবিরের নেতা–কর্মীরা হাতে হাতে লাঠি নিয়ে নগরীর তালাইমারী মোড়ে জড়ো হন। এরপর দুপুর ১২টার দিকে তাঁরা মিছিল নিয়ে সাহেববাজারের দিকে রওনা হন। আর আলুপট্টি মোড়ে সশস্ত্র অবস্থায় অপেক্ষা করছিলেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা। মিছিল কল্পনা সিনেমা হলের মোড়ে পৌঁছালে তাঁরা আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করেন।
মিছিল থেকে ককটেল ছুড়ে মারা হয়। এ সময় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা কিছুটা পিছু হটেন। এরপর পুলিশ এলে তাঁরা আন্দোলনকারীদের ওপর আক্রমণ করেন। এ সময় বেশ কিছু ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। মুহুর্মুহু গুলি ছোড়া হয়। পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে মারে। এতে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। আহত হন অর্ধশতাধিক।
এদিকে আজ বেলা ১১টায় গোদাগাড়ী উপজেলা সদরে আন্দোলনকারীদের জড়ো হওয়ার জন্য আগের রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন সাবেক এক শিবির নেতা। এ জন্য সকাল থেকেই উপজেলা সদর ডাইংপাড়া মোড়ে সতর্ক অবস্থায় ছিল পুলিশ। বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা উপজেলা সদরে এলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও গুলি ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। তখন আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে গিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশ ডাইংপাড়া মোড় ছেড়ে থানার দিকে চলে যায়। তখন আন্দোলনকারীরা ডাইংপাড়া মোড়ে ঢুকে যায়।
এ সময় আন্দোলনকারীরা ডাইংপাড়া মোড়ে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের দোকান ভাঙচুর করে। এরপর তারা উপজেলা প্রেসক্লাবে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। সেখানে শহিদুল ইসলাম নামের স্থানীয় এক সাংবাদিককেও মারধর করে জখম করা হয়। পরে দুপুরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর জানান, রাজশাহী মহানগরীর অবস্থাও এখন শান্ত রয়েছে। তবে এখনো পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। শহরের সংঘর্ষে হতাহতের সংখ্যা জানাতে পারেননি ওসি।

চট্টগ্রামমুখী লেনে চলন্ত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এ সময় দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুর রহমান ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
৯ মিনিট আগে
বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
১৪ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
৩৮ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে