
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) জন্য অপেক্ষাধীন থাকতে থাকতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে রামেক হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সচিব দুঃখ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি কিছু সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করেন।
কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘রাজশাহীতে আমাদের সন্তানেরা, আমাদের বাচ্চারা..., আপনারা যেভাবে তুলে ধরেছেন, সেই মৃত্যুর জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। কোনো মৃত্যুই কারও জন্য কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা এটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এখানে আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল।’
এর আগে ২৮ মার্চ আজকের পত্রিকায় ‘আইসিইউ না পেয়ে মরছে শিশু’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, রামেক হাসপাতালে শিশুদের জন্য মাত্র ১২টি আইসিইউ শয্যা আছে। এই আইসিইউতে একটি শয্যার জন্য সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুদের অপেক্ষায় থাকতে হয়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন কোনো শিশু মারা গেলে কিংবা কিছুটা সুস্থ হলে তাদের ডাক পড়ে। সিরিয়াল দিলে ৩০ থেকে ৫০ জনের পর শিশুদের আইসিইউতে নিতে ডাক আসে। এই অবস্থায় এখন শিশুদের সাধারণ অসুখের পাশাপাশি ছোঁয়াচে রোগ হামের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এতে আইসিইউর চাহিদা আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
১১ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত আইসিইউর অপেক্ষায় থাকা ৩৩ শিশু মারা যায়। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে তোলপাড় শুরু হয়। বিষয়টি জানতে পেরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ২৮ মার্চ এক অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন, ‘হাসপাতালের পরিচালক আমাদের জানাননি যে তাঁর কাছে ভেন্টিলেটর নেই। তাঁকে ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ানো উচিত।’
মঙ্গলবার এই হাসপাতাল পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তাঁরা সার্বিক বিষয় নিয়ে সকালে হাসপাতালের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এরপর হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও আইসিইউ পরিদর্শন করেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সচিব।
স্বাস্থ্যসচিব জানান, ঢাকা থেকে বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় তাঁরা সাতটি ভেন্টিলেটর (কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র) এনেছেন। এগুলো পরিস্থিতি মোকাবিলায় কিছুটা হলেও সহায়ক হবে বলে তাঁরা মনে করছেন। এর পাশাপাশি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত নয়—এমন শিশুদের আইসিইউ প্রয়োজন হলে তাঁরা রাজশাহী হার্ট ফাউন্ডেশনে পাঠানোরও পরিকল্পনা করেছেন। সেখানেও আইসিইউ সাপোর্ট পাওয়া যাবে।
এ ছাড়া রাজশাহী শিশু হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালসহ যেসব হাসপাতালের অবকাঠামো আছে, সেগুলো সচল করার উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনার কথাও জানান সচিব। আর এ জন্য মঙ্গলবারই তিনি হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করবেন বলে জানিয়েছেন।
কামরুজ্জামান চৌধুরী জানান, তিন মাসের মধ্যে আংশিকভাবে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল চালু করব। সেখানে প্রথমে আউটডোর সেবা শুরু হবে এবং আগামী অর্থবছরে অন্য সেবাগুলোও চালু হবে।
সচিব বলেন, ‘বিগত সময়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্দোলনের কারণে হামের টিকা পায়নি শিশুরা। মায়েরা হয়তো যখন গেছে টিকা দিতে তখন স্বাস্থ্যকর্মীদের পায়নি। এ জন্য এর প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। ইতিমধ্যে ক্রয় কমিটি ৬০৪ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে টিকা কেনার জন্য। আমরা টাকাও দিয়ে দিয়েছি। দ্রুতই শিশুদের হামসহ প্রয়োজনীয় টিকা প্রয়োগ শুরু হবে।’

কুড়িগ্রাম জেলা সদরের সঙ্গে ফুলবাড়ী উপজেলার সরাসরি ও স্বল্প সময়ে সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের জন্য তৃতীয় ধরলা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদরের হলোখানা ইউনিয়নের ধরলার বাম তীরে আরডিআরএস বাজার থেকে পেড্ডার মোড় পর্যন্ত ধরলা বাঁধে সর্বস্তরের জনগণের আয়োজ
৩ মিনিট আগে
সুন্দরবনের বনদস্যু জোনাব বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে সুন্দরবনে একটি নৌকা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
১৪ মিনিট আগে
চুয়াডাঙ্গা জেলায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন স্বাভাবিক রাখতে ‘ফুয়েল কার্ড’ বিতরণের সময় বৃদ্ধি করছে প্রশাসন। আগামী ২ এপ্রিল পর্যন্ত নিজ নিজ উপজেলা থেকে কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন জ্বালানি গ্রাহকেরা। গতকাল সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ফুয়েল কার্ড ইস্যু শুরু করে।
১৪ মিনিট আগে
ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মোমিন বলেন, ‘ময়েজ উদ্দিন কৃষিমন্ত্রীর কথা বলে একজনকে ফোন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। ফোনের ওপার থেকে সমস্যা সমাধান করতে বলেছেন। আমরা সমস্য সমাধানে উদ্যোগ নিয়েছি।’
১৬ মিনিট আগে