প্রতিনিধি, রাজশাহী

নওগাঁর মহাদেবপুরে টর্চার সেলে মিঠুন চৌধুরী (২৭) ও তাঁর স্ত্রী শ্যামলী রাণীকে (২৫) মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত রুহুল আমিনকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গ্রেপ্তারের সময় রুহুলের কাছ থেকে কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে রাজশাহী নগরীর আজির মোড় এলাকার শ্বশুর বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
র্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন রুহুল। তাঁকে গ্রেপ্তার করতে র্যাব তৎপর ছিলো। শ্বশুরবাড়িতে আসার খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে মহাদেবপুর থানা-পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। রুহুল মহাদেবপুরের দক্ষিণ হোসেনপুর গ্রামের মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
তিনি জানান, অভিযুক্ত রুহুল আমিন ওই দম্পতির নার্সারি থেকে বিভিন্ন জাতের চারাগাছ কিনতেন। গত ১৫ আগস্ট সকালে রুহুল তার কাজ করার জন্য পত্নীতলার মিঠুনকে ডেকে নিজের বয়লারের সামনে টর্চার সেলে নেন। সেখানে তাকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করেন। তিন দিন সেখানে আটকে রেখে মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মিঠুনের পায়ের রগ কেটে দেন। এ ছাড়া হাতুড়ি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন।
উল্লেখ্য, গত ১৭ আগস্ট মিঠুনের খোঁজে তাঁর স্ত্রী শ্যামলী রাণী রুহুল আমিনের বয়লারে যান। সেখানে রুহুল আমিন ও তাঁর দুই স্ত্রী শ্যামলীকে মারপিট করে মাথার চুল কেটে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ শ্যামলী ও তাঁর স্বামীকে রুহুলের টর্চার সেল থেকে উদ্ধার করেন। নির্যাতনের শিকার শ্যামলী থানায় মামলা করলে পুলিশ রুহুল আমিনের দুই স্ত্রী রুবাইয়া আকতার বৃষ্টি (২২) ও মুক্তা পারভীনকে (২১) গ্রেপ্তার করে। এ সময় র্যাব রুহুলের প্রাইভেট কার ও নির্যাতনের শিকার মিঠুনের স্বাক্ষরিত ফাঁকা স্ট্যাম্প জব্দ করেন। তবে পলাতক ছিলেন প্রধান অভিযুক্ত রুহুল।

নওগাঁর মহাদেবপুরে টর্চার সেলে মিঠুন চৌধুরী (২৭) ও তাঁর স্ত্রী শ্যামলী রাণীকে (২৫) মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত রুহুল আমিনকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গ্রেপ্তারের সময় রুহুলের কাছ থেকে কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে রাজশাহী নগরীর আজির মোড় এলাকার শ্বশুর বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
র্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন রুহুল। তাঁকে গ্রেপ্তার করতে র্যাব তৎপর ছিলো। শ্বশুরবাড়িতে আসার খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে মহাদেবপুর থানা-পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। রুহুল মহাদেবপুরের দক্ষিণ হোসেনপুর গ্রামের মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
তিনি জানান, অভিযুক্ত রুহুল আমিন ওই দম্পতির নার্সারি থেকে বিভিন্ন জাতের চারাগাছ কিনতেন। গত ১৫ আগস্ট সকালে রুহুল তার কাজ করার জন্য পত্নীতলার মিঠুনকে ডেকে নিজের বয়লারের সামনে টর্চার সেলে নেন। সেখানে তাকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করেন। তিন দিন সেখানে আটকে রেখে মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মিঠুনের পায়ের রগ কেটে দেন। এ ছাড়া হাতুড়ি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন।
উল্লেখ্য, গত ১৭ আগস্ট মিঠুনের খোঁজে তাঁর স্ত্রী শ্যামলী রাণী রুহুল আমিনের বয়লারে যান। সেখানে রুহুল আমিন ও তাঁর দুই স্ত্রী শ্যামলীকে মারপিট করে মাথার চুল কেটে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ শ্যামলী ও তাঁর স্বামীকে রুহুলের টর্চার সেল থেকে উদ্ধার করেন। নির্যাতনের শিকার শ্যামলী থানায় মামলা করলে পুলিশ রুহুল আমিনের দুই স্ত্রী রুবাইয়া আকতার বৃষ্টি (২২) ও মুক্তা পারভীনকে (২১) গ্রেপ্তার করে। এ সময় র্যাব রুহুলের প্রাইভেট কার ও নির্যাতনের শিকার মিঠুনের স্বাক্ষরিত ফাঁকা স্ট্যাম্প জব্দ করেন। তবে পলাতক ছিলেন প্রধান অভিযুক্ত রুহুল।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৭ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে