
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে প্রথমবারের মতো ভারতীয় বারি-১ জাতের জিরার আবাদ শুরু করেছেন বিরল বৃক্ষ ও নবান্ন কৃষি খামারের উদ্যোক্তা ও জাতীয় কৃষি পুরস্কার প্রাপ্ত মো. মাহবুবুল ইসলাম পলাশ। নিজ গ্রামের উপজেলার বাজার ভদ্রঘাট এলাকায় ১০ শতাংশ ফসলি জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমবারের মতো ৪০০ গ্রাম জিরার বীজ রোপণ করেছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার সকালে মাহবুবুর ইসলাম পলাশ আজকের পত্রিকা বলেন, বগুড়ার মসলা গবেষণা থেকে ২ হাজার টাকায় ৪০০ গ্রাম জিরার বীজ সংগ্রহ করে গতকাল সোমবার বিকেলে ১০ শতাংশ জমিতে রোপণ করেছি। ঘরে তুলতে প্রায় ১১০ দিনের মতো সময় লাগে। আশা করছি ফলন ভালো হলে প্রায় ২০ কেজি জিরা হবে। প্রতি কেজি জিরার বীজ ৮ হাজার টাকা দরে বিক্রি করলে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা মতো বিক্রি করা যাবে।
তিনি আরও বলেন, জিরার চাষে সফল হলে কামারখন্দ উপজেলার কৃষকদের সুলভ মূল্যে বীজ দেওয়ার চেষ্টা করব। কামারখন্দ উপজেলার কৃষকেরা জিরার চাষে আগ্রহী করতে পরামর্শসহ সার্বিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করব যাতে উপজেলার কৃষকেরা জিরা চাষ করে লাভবান হয়। জিরার চাষের জন্য বালু-দোয়াশ মাটির উচ্চ স্থানে চাষ করলে ভালো হয়।
কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মণ জানান, তিনি জিরা চাষের পরামর্শের জন্য এসেছিলেন। পরে তাকে বগুড়া মসলা গবেষণা থেকে জিরার বীজ সংগ্রহ করার পরামর্শ দিয়েছি। যেহেতু সে জিরা চাষ শুরু করেছে তাকে আমরা কারিগরি সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকব।

নওগাঁয় গত রোববার রাতে বয়ে যাওয়া আকস্মিক ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঝড়ে ঘরবাড়ি ছাড়াও কলা, ভুট্টা, গম, আলু, শাকসবজিসহ ৭৩১ দশমিক ৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতির মুখে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কলাবাগানের।
৩২ মিনিট আগে
সেলিম রহমান, পেশায় একজন বেসরকারি চাকরিজীবী। গতকাল সোমবার রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে এক দোকানে ছোট্ট একটি তালিকা দেখে দেখে পোশাক কিনছিলেন। কেনাকাটার একপর্যায়ে বলেন, মাত্র সাত হাজার টাকায় স্ত্রী, দুই সন্তান আর বৃদ্ধ মায়ের জন্য ঈদের কেনাকাটা সেরেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর একটি পশুর হাট অর্ধেক মূল্যে ইজারা নিতে বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের মধ্যে গোপন সমঝোতা হয়েছে। গত বছর প্রায় ১৪ কোটি টাকায় ইজারা হলেও এবার সমঝোতা করে দর দেওয়া হয়েছে মাত্র ৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। নগরের উপকণ্ঠে সিটি হাট নামের এই পশুর হাট পরিচালনা করে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)। রাজনৈতিক আঁতাতের ফলে
১ ঘণ্টা আগে
গরম শুরু না হতেই বিদ্যুৎ-বিভ্রাট দেখা দিয়েছে উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলায়। এখানে বিদ্যুৎ আসে আর যায়। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার এমন ঘটনায় ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা। গত রোববার সকাল থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত অন্তত পাঁচবার বিদ্যুৎ চলে গেছে এবং এসেছে। এতে অনেক বাসাবাড়ি ও দোকানে কাঁচা পণ্যসহ ইলেক
২ ঘণ্টা আগে