গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মায় জেলেদের জালে ২০ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে। পরে মাছটি ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দৌলতদিয়া ৬ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার পদ্মা নদীতে স্থানীয় জেলে আ. কুদ্দুস হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।
জেলে আ. কুদ্দুস হালদার বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো শুক্রবার খুব ভোরে সহযোগীদের নিয়ে ট্রলারে করে পদ্মায় মাছ শিকার করতে যাই। নদীতে জাল ফেলে দীর্ঘক্ষণ মাছ না পেয়ে হতাশ হয়ে যাই। শেষবার হিসেবে আরেকবার নদীতে জাল ফেলি। সকাল ৯টার দিকে জাল তুলতেই বিশাল এই মাছটি ভেসে ওঠে। পরে মাছটি বিক্রির জন্য দৌলতদিয়ার দুলাল মণ্ডলের মাছের আড়তে নিয়ে যাই। সেখানে মাছ ব্যবসায়ী মো. মাসুদ মোল্লা নিলামে প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ টাকা দরে মোট ২৪ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেয়।’
৬ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার মাছ ব্যবসায়ী মো. মাসুদ মোল্লা বলেন, ‘আজ সকাল ১০টার দিকে দৌলতদিয়ার দুলাল মণ্ডলের মাছের আড়ত থেকে খোলা নিলামের মাধ্যমে ২০ কেজি ওজনের কাতলটি প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ টাকা দরে মোট ২৪ হাজার টাকায় কিনেছি। মাছটি বিক্রির জন্য দেশের বিভিন্ন জেলার কয়েক ব্যবসায়ীর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করেছি। প্রতি কেজিতে ১০০-২০০ টাকা লাভ পেলেই মাছটি বিক্রি করে দেব।’
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা টিপু সুলতান বলেন, ‘বছরে নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশ মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কারণে এই মাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পায়। এ ছাড়াও এখন নদীতে পানি বাড়ার কারণে এসব বড় বড় মাছ নদীতে পাওয়া যাবে। নদীতে পানি বেশি থাকলে পাঙাশ, রুই, কাতলা, বোয়াল, বাগাড়সহ দেশীয় বড় প্রজাতির মাছ আরও ধরা পড়বে বলে আশা করি। আগামী প্রজন্মের জন্য এই মাছের স্থায়ী অভয়াশ্রম করা গেলে এমন মাছের বংশবৃদ্ধিসহ আরও বেশি পাওয়া যেত।’

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মায় জেলেদের জালে ২০ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে। পরে মাছটি ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দৌলতদিয়া ৬ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার পদ্মা নদীতে স্থানীয় জেলে আ. কুদ্দুস হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।
জেলে আ. কুদ্দুস হালদার বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো শুক্রবার খুব ভোরে সহযোগীদের নিয়ে ট্রলারে করে পদ্মায় মাছ শিকার করতে যাই। নদীতে জাল ফেলে দীর্ঘক্ষণ মাছ না পেয়ে হতাশ হয়ে যাই। শেষবার হিসেবে আরেকবার নদীতে জাল ফেলি। সকাল ৯টার দিকে জাল তুলতেই বিশাল এই মাছটি ভেসে ওঠে। পরে মাছটি বিক্রির জন্য দৌলতদিয়ার দুলাল মণ্ডলের মাছের আড়তে নিয়ে যাই। সেখানে মাছ ব্যবসায়ী মো. মাসুদ মোল্লা নিলামে প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ টাকা দরে মোট ২৪ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেয়।’
৬ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার মাছ ব্যবসায়ী মো. মাসুদ মোল্লা বলেন, ‘আজ সকাল ১০টার দিকে দৌলতদিয়ার দুলাল মণ্ডলের মাছের আড়ত থেকে খোলা নিলামের মাধ্যমে ২০ কেজি ওজনের কাতলটি প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ টাকা দরে মোট ২৪ হাজার টাকায় কিনেছি। মাছটি বিক্রির জন্য দেশের বিভিন্ন জেলার কয়েক ব্যবসায়ীর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করেছি। প্রতি কেজিতে ১০০-২০০ টাকা লাভ পেলেই মাছটি বিক্রি করে দেব।’
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা টিপু সুলতান বলেন, ‘বছরে নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশ মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কারণে এই মাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পায়। এ ছাড়াও এখন নদীতে পানি বাড়ার কারণে এসব বড় বড় মাছ নদীতে পাওয়া যাবে। নদীতে পানি বেশি থাকলে পাঙাশ, রুই, কাতলা, বোয়াল, বাগাড়সহ দেশীয় বড় প্রজাতির মাছ আরও ধরা পড়বে বলে আশা করি। আগামী প্রজন্মের জন্য এই মাছের স্থায়ী অভয়াশ্রম করা গেলে এমন মাছের বংশবৃদ্ধিসহ আরও বেশি পাওয়া যেত।’

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চট্টগ্রাম-১৩ সংসদীয় আসনের বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
২০ মিনিট আগে
ফেনীর মহিপালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কলেজশিক্ষার্থী মাহবুবুল হাসান মাসুম (২৫) হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। এতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ফেনী-২ আসনের সা
২৩ মিনিট আগে
ইলিশ সাধারণত বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানি হয়। পদ্মার ইলিশের প্রতি ভারতে বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। এই ইলিশ কোনো কোনো সময় কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এবার ঘটেছে উল্টো ঘটনা— ভারত থেকে ইলিশ এসেছে বাংলাদেশে। যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে আনা প্রায় ৬ হাজার কেজি ইলিশ...
৩৭ মিনিট আগে
পৌষ মাসের শেষ দিন এলেই একসময় পুরান ঢাকার আকাশজুড়ে দেখা যেত ঘুড়ির রাজত্ব। রঙিন ঘুড়িতে ছেয়ে যেত ছাদ থেকে ছাদ, অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ত উৎসবের আমেজ। তবে এ বছর সাকরাইন এলেও সেই চিরচেনা দৃশ্য আর চোখে পড়েনি। ঘুড়ির সংখ্যা যেমন কম ছিল, তেমনি উৎসবের সামগ্রিক আবহও ছিল অনেকটাই ম্লান।
৩৯ মিনিট আগে