রাজবাড়ী প্রতিনিধি

ঘন কুয়াশার কারণে সাত ঘণ্টা বন্ধের পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুয়াশা কেটে গেলে এই নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়।
এর আগে রাত ২টা থেকে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। সে সময় ঘাট এলাকায় আটকা পড়ে শতাধিক যানবাহন। এতে শীতে ভোগান্তিতে পড়েন চালক ও যাত্রীরা।
সকাল ৭টায় ফেরি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, কুয়াশা আচ্ছন্ন ফেরি ঘাট এলাকা। মধ্যে রাত থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার কারণে ঘাট এলাকায় শতাধিক যানবাহন আটকা পড়েছে। এর মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যাই বেশি। আটকে পড়া যানবাহনের চালক ও যাত্রীর দুর্ভোগের পড়েন। বিশেষ করে শিশুরা ও বৃদ্ধরা।
সাতক্ষীরা থেকে আসা যাত্রী সামসুল আলম বলেন, ‘রাত পৌনে ১টায় ঘাটে এসেছি। কুয়াশার কারণে এ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তারপর থেকে ঘাটেই অপেক্ষায় আছি। শীতের মধ্যে সারা রাত অনেক কষ্ট হয়েছে।’
আরেক যাত্রী অনন্যা চৌধুরী বলেন, ‘জরুরি কাজে ঢাকাতে যেতে হবে। ভোরে ভাইয়ার সঙ্গে বাইকে রওনা দিয়েছি। ঘাটে এসে দেখি ফেরি চলাচল বন্ধ। এখন সকাল ৯টা বাজলেও কুয়াশা কাটেনি।’
বাস চালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল ৮টার সময় দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে এসে জানতে পারি কুয়াশায় ফেরি চলাচল বন্ধ।’
বেনাপোল থেকে আসা ট্রাকচালক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘রাত ২টা থেকে ফেরিতে বসে আছি। শীতের মধ্যে কষ্ট হচ্ছে। সারা রাত ঘুমাতে পারিনি।’
বিআইডব্লিউটিএ দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে মাঝে মধ্যেই মাঝ রাত থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকছে। আজও রাত দুইটা থেকে কুয়ার ঘনত্ব বেড়ে গেলে নদী পথ দৃষ্টি সীমার বাইরে চলে যায়। সে সময় দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
মো. সালাহউদ্দিন আরও বলেন, ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ঘাট এলাকায় শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। কুয়াশা কেটে গেলে সকাল সারে ৯টায় এই রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়।

ঘন কুয়াশার কারণে সাত ঘণ্টা বন্ধের পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুয়াশা কেটে গেলে এই নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়।
এর আগে রাত ২টা থেকে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। সে সময় ঘাট এলাকায় আটকা পড়ে শতাধিক যানবাহন। এতে শীতে ভোগান্তিতে পড়েন চালক ও যাত্রীরা।
সকাল ৭টায় ফেরি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, কুয়াশা আচ্ছন্ন ফেরি ঘাট এলাকা। মধ্যে রাত থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার কারণে ঘাট এলাকায় শতাধিক যানবাহন আটকা পড়েছে। এর মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যাই বেশি। আটকে পড়া যানবাহনের চালক ও যাত্রীর দুর্ভোগের পড়েন। বিশেষ করে শিশুরা ও বৃদ্ধরা।
সাতক্ষীরা থেকে আসা যাত্রী সামসুল আলম বলেন, ‘রাত পৌনে ১টায় ঘাটে এসেছি। কুয়াশার কারণে এ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তারপর থেকে ঘাটেই অপেক্ষায় আছি। শীতের মধ্যে সারা রাত অনেক কষ্ট হয়েছে।’
আরেক যাত্রী অনন্যা চৌধুরী বলেন, ‘জরুরি কাজে ঢাকাতে যেতে হবে। ভোরে ভাইয়ার সঙ্গে বাইকে রওনা দিয়েছি। ঘাটে এসে দেখি ফেরি চলাচল বন্ধ। এখন সকাল ৯টা বাজলেও কুয়াশা কাটেনি।’
বাস চালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল ৮টার সময় দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে এসে জানতে পারি কুয়াশায় ফেরি চলাচল বন্ধ।’
বেনাপোল থেকে আসা ট্রাকচালক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘রাত ২টা থেকে ফেরিতে বসে আছি। শীতের মধ্যে কষ্ট হচ্ছে। সারা রাত ঘুমাতে পারিনি।’
বিআইডব্লিউটিএ দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে মাঝে মধ্যেই মাঝ রাত থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকছে। আজও রাত দুইটা থেকে কুয়ার ঘনত্ব বেড়ে গেলে নদী পথ দৃষ্টি সীমার বাইরে চলে যায়। সে সময় দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
মো. সালাহউদ্দিন আরও বলেন, ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ঘাট এলাকায় শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। কুয়াশা কেটে গেলে সকাল সারে ৯টায় এই রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে