নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

পিরোজপুরের নেছারাবাদ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কৌড়িখাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম ওহিদুজ্জামান গত ৫ আগস্ট থেকে অফিসে আসছেন না। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। তবে, জোনাল অফিসের এজিএম চন্দ্র শেখর গাইন বলেছেন, হয়তো অসুস্থতার কারণে তিনি অফিসে আসেন না। তবে কবে নাগাদ তিনি অফিসে আসতে পারেন তাও তিনি বলতে পারছেন না।
নেছারাবাদ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের প্রকৌশলী মো. হুমাউন কবির বলেন, আমাদের ডিজিএম সাহেব অফিসের সবার সঙ্গে তুই তোকারি ব্যবহারসহ কারণে-অকারনে চড়াও হতেন। কথায় কথায় চাকরি খাওয়ার হুমকি দিতেন। তিনি কেবল আমাদের সঙ্গেই নয়, পাবলিকের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করতেন। গত ৫ আগস্টের পর তার মৌখিক ব্যবহারে লাঞ্ছিত হওয়া কিছু লোক অফিসে এসেছিলেন। তার পর থেকে তিনি আর অফিসে আসেননি। তিনি মূলত সাবেক সংসদ সদস্য মো. শাহ আলমের নাম ব্যবহার করে ক্ষমতা দেখাতেন। যে কারণে সবাই অসহায় ছিলেন।
নেছারাবাদ পল্লী বিদ্যুতের কৌড়িখাড়া জোনাল অফিসের এজিএম মো. রাসেল জানান, অফিসের ডিজিএম ওহিদুজ্জামান খুবই রাগম্বিত লোক। তিনি মূলত অফিসের তার অধস্থন কারও সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতেন না। পাবলিকের সঙ্গেও তার রিলেশন ভালো নয়। গত ৫ আগস্ট থেকে তিনি অফিসে আসেন না। শুনছি তিনি নাকি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছেন। কবে অফিসে আসবেন তা জানা নেই।
অফিস সূত্রে জানা গেছে, আনুমানিক তিন বছর পূর্বে নেছারাবাদ কৌড়িখাড়া জোনাল অফিসে ডিজিএম হিসিবে যোগদান করেন ওহিদুজ্জামান। কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়ম, ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সখ্যতা, অফিস স্টাফদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে খেয়াল খুশি মত অফিস করতেন তিনি। যে কারণে শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পর থেকে আত্মগোপনে গেছেন তিনি। এমনকি তার ব্যক্তিগত ফোন নম্বরটিও বন্ধ রয়েছে।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জামান বলেন, তিনি যে অফিসে আসেন না তা আমার জানা নেই। আমি খোঁজ নিয়ে বিষয়টি দেখব।

পিরোজপুরের নেছারাবাদ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কৌড়িখাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম ওহিদুজ্জামান গত ৫ আগস্ট থেকে অফিসে আসছেন না। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। তবে, জোনাল অফিসের এজিএম চন্দ্র শেখর গাইন বলেছেন, হয়তো অসুস্থতার কারণে তিনি অফিসে আসেন না। তবে কবে নাগাদ তিনি অফিসে আসতে পারেন তাও তিনি বলতে পারছেন না।
নেছারাবাদ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের প্রকৌশলী মো. হুমাউন কবির বলেন, আমাদের ডিজিএম সাহেব অফিসের সবার সঙ্গে তুই তোকারি ব্যবহারসহ কারণে-অকারনে চড়াও হতেন। কথায় কথায় চাকরি খাওয়ার হুমকি দিতেন। তিনি কেবল আমাদের সঙ্গেই নয়, পাবলিকের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করতেন। গত ৫ আগস্টের পর তার মৌখিক ব্যবহারে লাঞ্ছিত হওয়া কিছু লোক অফিসে এসেছিলেন। তার পর থেকে তিনি আর অফিসে আসেননি। তিনি মূলত সাবেক সংসদ সদস্য মো. শাহ আলমের নাম ব্যবহার করে ক্ষমতা দেখাতেন। যে কারণে সবাই অসহায় ছিলেন।
নেছারাবাদ পল্লী বিদ্যুতের কৌড়িখাড়া জোনাল অফিসের এজিএম মো. রাসেল জানান, অফিসের ডিজিএম ওহিদুজ্জামান খুবই রাগম্বিত লোক। তিনি মূলত অফিসের তার অধস্থন কারও সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতেন না। পাবলিকের সঙ্গেও তার রিলেশন ভালো নয়। গত ৫ আগস্ট থেকে তিনি অফিসে আসেন না। শুনছি তিনি নাকি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছেন। কবে অফিসে আসবেন তা জানা নেই।
অফিস সূত্রে জানা গেছে, আনুমানিক তিন বছর পূর্বে নেছারাবাদ কৌড়িখাড়া জোনাল অফিসে ডিজিএম হিসিবে যোগদান করেন ওহিদুজ্জামান। কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়ম, ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সখ্যতা, অফিস স্টাফদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে খেয়াল খুশি মত অফিস করতেন তিনি। যে কারণে শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পর থেকে আত্মগোপনে গেছেন তিনি। এমনকি তার ব্যক্তিগত ফোন নম্বরটিও বন্ধ রয়েছে।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জামান বলেন, তিনি যে অফিসে আসেন না তা আমার জানা নেই। আমি খোঁজ নিয়ে বিষয়টি দেখব।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৪১ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪৩ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে