পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুর সদর উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম এ আউয়ালের কর্মিসভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত লালন ফকির মারা গেছেন। আজ সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানান নিহত লালনের বাবা হান্নান ফকির। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পিরোজপুর শহরে জেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা রাতে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করেছেন।
লালন ফকির (২৮) সদর উপজেলার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ডুমুরিতালা এলাকার হান্নান ফকিরের ছেলে।
লালনের বাবা হান্নান ফকির বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম এ আউয়ালের কর্মিসভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে গত শনিবার রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার শারিকতলা ইউনিয়নের কুমিরমরা ফেরিঘাটে একই এলাকার বাবু শেখের নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি দল লালনকে ধাওয়া করে। এরপর সেখান থেকে দৌড়ে পালানোর সময় হামলাকারীরা লালনকে আটক করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হাত ও পা প্রায় বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।’
এরপর তাঁকে মৃত ভেবে পাশের একটি ডোবায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি দেখে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সেখান থেকে গতকাল রোববার ঢাকায় নেওয়া হয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে লালনের দুই পা ও দুই হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ছাড়া তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৩০টির বেশি কোপের আঘাত রয়েছে। চিকিৎসারত অবস্থায় ঢাকায় মৃত্যু হয় লালনের।
পিরোজপুর সদর উপজেলার শারিকতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজমির হোসেন মাঝি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হামলার শিকার লালন পিরোজপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম এ আউয়ালের এক কর্মিসভায় অংশ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষ বাবু শেখ লোকজন নিয়ে লালনের ওপর হামলা করেছে। শনিবার রাজনৈতিক সহিংসতার জের ধরে লালনকে কুপিয়ে জখম করা হলে আজ সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় লালন মারা যান। তাঁর শরীরে ৩০টির বেশি ধারালো অস্ত্রের কোপের চিহ্ন রয়েছে।’
পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) শেখ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে হত্যা মামলা হিসেবে মামলা করা হবে।’

পিরোজপুর সদর উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম এ আউয়ালের কর্মিসভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত লালন ফকির মারা গেছেন। আজ সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানান নিহত লালনের বাবা হান্নান ফকির। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পিরোজপুর শহরে জেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা রাতে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করেছেন।
লালন ফকির (২৮) সদর উপজেলার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ডুমুরিতালা এলাকার হান্নান ফকিরের ছেলে।
লালনের বাবা হান্নান ফকির বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম এ আউয়ালের কর্মিসভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে গত শনিবার রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার শারিকতলা ইউনিয়নের কুমিরমরা ফেরিঘাটে একই এলাকার বাবু শেখের নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি দল লালনকে ধাওয়া করে। এরপর সেখান থেকে দৌড়ে পালানোর সময় হামলাকারীরা লালনকে আটক করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হাত ও পা প্রায় বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।’
এরপর তাঁকে মৃত ভেবে পাশের একটি ডোবায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি দেখে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সেখান থেকে গতকাল রোববার ঢাকায় নেওয়া হয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে লালনের দুই পা ও দুই হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ছাড়া তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৩০টির বেশি কোপের আঘাত রয়েছে। চিকিৎসারত অবস্থায় ঢাকায় মৃত্যু হয় লালনের।
পিরোজপুর সদর উপজেলার শারিকতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজমির হোসেন মাঝি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হামলার শিকার লালন পিরোজপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম এ আউয়ালের এক কর্মিসভায় অংশ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষ বাবু শেখ লোকজন নিয়ে লালনের ওপর হামলা করেছে। শনিবার রাজনৈতিক সহিংসতার জের ধরে লালনকে কুপিয়ে জখম করা হলে আজ সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় লালন মারা যান। তাঁর শরীরে ৩০টির বেশি ধারালো অস্ত্রের কোপের চিহ্ন রয়েছে।’
পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) শেখ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে হত্যা মামলা হিসেবে মামলা করা হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে