নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

পিরোজপুরের নেছারাবাদের পূর্ব কামারকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। এ বিষয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) কয়েকজনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিদ্যালয়ে আধিপত্য বিস্তার, স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, শিক্ষকদের হয়রানি, বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক বরাদ্দ থেকে অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
গতকাল রোববার এ লিখিত অভিযোগ ইউএনও, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিরিন আখতারসহ অন্য শিক্ষিকাদের স্বাক্ষর রয়েছে। গতকাল রাতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিরিন আখতার অভিযোগ জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১২ মে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদে স্থানীয় এইচ এম মুনিরুজ্জামান সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। কমিটির সভাপতি হওয়ার পর তিনি বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজে অসহযোগিতা শুরু করেন। এতে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিঘ্ন ঘটছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, গত ফেব্রুয়ারিজুড়ে বাচ্চাদের ক্লাস নিতে না দিয়ে ক্রীড়া অনুষ্ঠানের কথা বলে বাচ্চাদের প্রশিক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের সব আয়োজন করে হঠাৎ তিনি তাঁর সে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শিরিন আখতার বলেন, ‘সভাপতি তাঁর ইচ্ছামতো সরকারি বিধি-বহির্ভূতভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করতে চাপ প্রয়োগ করেন। শিক্ষকেরা তা মেনে না চললে তিনি লোকজন দিয়ে অপমান করেন। তিনি নিজেও শিক্ষিকাদের শাসিয়ে থাকেন। বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজ থেকে তাঁর স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় বিভিন্ন মহলে তিনি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।’
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুশিয়া খাতুন অভিযোগ করেন, ‘সভাপতি তাঁর ইচ্ছে অনুযায়ী আমাদের বিদ্যালয় পরিচালনা করতে বলেন। যা আমাদের জন্য খুবই অপমানজনক। এ ছাড়া তিনি বিদ্যালয়ে নানা সমস্যা তৈরি করছেন। এ থেকে আমরা পরিত্রাণ চাই।’
তবে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মুনিরুজ্জামান বলেন, ‘বিদ্যালয়ে সরকারি অনুদানের উন্নয়নমূলক বড় একটি অংশ প্রধান শিক্ষিকা আত্মসাতের চেষ্টা করেছিলেন। যা আমার শক্ত অবস্থানের কারণে পারেননি। এ নিয়ে আমি উপজেলা শিক্ষা অফিসে অভিযোগ করেছিলাম। একটি তদন্তও হয়েছিল। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের স্লিপের টাকায় প্রধান শিক্ষিকার একক কর্তৃত্বের জন্য আমার স্বাক্ষর নিতে এসেছিলেন। আমি তাতে স্বাক্ষর না করায় তিনি আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা নাটক সাজাচ্ছেন।’
এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হক বলেন, ‘একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শিগগিরই বিষয়টি তদন্তে কমিটি করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।’
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দীনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মজনু মোল্লা বলেন, ‘লিখিত অভিযোগের একটি অনুলিপি আমাকেও দেওয়া হয়েছে।’
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার বলেন, ‘অভিযোগের অনুলিপি এখনো হাতে পাইনি। অফিসে গিয়ে বিষয়টি দেখছি।’

পিরোজপুরের নেছারাবাদের পূর্ব কামারকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। এ বিষয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) কয়েকজনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিদ্যালয়ে আধিপত্য বিস্তার, স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, শিক্ষকদের হয়রানি, বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক বরাদ্দ থেকে অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
গতকাল রোববার এ লিখিত অভিযোগ ইউএনও, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিরিন আখতারসহ অন্য শিক্ষিকাদের স্বাক্ষর রয়েছে। গতকাল রাতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিরিন আখতার অভিযোগ জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১২ মে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদে স্থানীয় এইচ এম মুনিরুজ্জামান সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। কমিটির সভাপতি হওয়ার পর তিনি বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজে অসহযোগিতা শুরু করেন। এতে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিঘ্ন ঘটছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, গত ফেব্রুয়ারিজুড়ে বাচ্চাদের ক্লাস নিতে না দিয়ে ক্রীড়া অনুষ্ঠানের কথা বলে বাচ্চাদের প্রশিক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের সব আয়োজন করে হঠাৎ তিনি তাঁর সে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শিরিন আখতার বলেন, ‘সভাপতি তাঁর ইচ্ছামতো সরকারি বিধি-বহির্ভূতভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করতে চাপ প্রয়োগ করেন। শিক্ষকেরা তা মেনে না চললে তিনি লোকজন দিয়ে অপমান করেন। তিনি নিজেও শিক্ষিকাদের শাসিয়ে থাকেন। বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজ থেকে তাঁর স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় বিভিন্ন মহলে তিনি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।’
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুশিয়া খাতুন অভিযোগ করেন, ‘সভাপতি তাঁর ইচ্ছে অনুযায়ী আমাদের বিদ্যালয় পরিচালনা করতে বলেন। যা আমাদের জন্য খুবই অপমানজনক। এ ছাড়া তিনি বিদ্যালয়ে নানা সমস্যা তৈরি করছেন। এ থেকে আমরা পরিত্রাণ চাই।’
তবে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মুনিরুজ্জামান বলেন, ‘বিদ্যালয়ে সরকারি অনুদানের উন্নয়নমূলক বড় একটি অংশ প্রধান শিক্ষিকা আত্মসাতের চেষ্টা করেছিলেন। যা আমার শক্ত অবস্থানের কারণে পারেননি। এ নিয়ে আমি উপজেলা শিক্ষা অফিসে অভিযোগ করেছিলাম। একটি তদন্তও হয়েছিল। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের স্লিপের টাকায় প্রধান শিক্ষিকার একক কর্তৃত্বের জন্য আমার স্বাক্ষর নিতে এসেছিলেন। আমি তাতে স্বাক্ষর না করায় তিনি আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা নাটক সাজাচ্ছেন।’
এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হক বলেন, ‘একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শিগগিরই বিষয়টি তদন্তে কমিটি করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।’
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দীনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মজনু মোল্লা বলেন, ‘লিখিত অভিযোগের একটি অনুলিপি আমাকেও দেওয়া হয়েছে।’
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার বলেন, ‘অভিযোগের অনুলিপি এখনো হাতে পাইনি। অফিসে গিয়ে বিষয়টি দেখছি।’

শ্রীপুরে গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় বাসের সহকারীর হাত বিচ্ছিন্ন ও এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তবে তাঁদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
২১ মিনিট আগে
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা। এটি বাস্তবায়নের জন্য এখন চীনের সম্মতির অপেক্ষা। ইতিমধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র চীনের কাছে পাঠানো হয়েছে।
২৪ মিনিট আগে
এবার প্রাণনাশের হুমকির কথা জানিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা। তিনি জানান, গতকাল শনিবার থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
৪৪ মিনিট আগে
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, সুন্দর সমাজ চাইলে, নতুন প্রজন্মের সুরক্ষা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ চাইলে সংস্কারের পক্ষে থাকতে হবে। সংস্কারের পক্ষে থাকলেই দেশ বদলানো যাবে। দেশটাকে পাল্টে দিতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে