পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরের এক স্কুলছাত্র ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, নিহতের মোবাইল ফোন শ্রেণিকক্ষে চুরি হওয়ায় তার এক সহপাঠীকে জরিমানা করেন শিক্ষক। সেই ক্ষোভ থেকে সহপাঠী কিশোর ওই স্কুলছাত্রের ওপর তার সহযোগীদের নিয়ে হামলা চালায়। এর পর থেকে সে চিকিৎসাধীন ছিল।
গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। সে উপজেলার তেলিখালী গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১ জুলাই ওই স্কুলছাত্র শ্রেণিকক্ষে একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। মোবাইলটি তার সহপাঠী ও স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্যের ছেলে চুরি করেছে বলে সন্দেহ করে। মোবাইল চুরির বিষয়টি শ্রেণিশিক্ষক আবুল হোসেনের কাছে ওই ছাত্র অভিযোগ করে।
একপর্যায়ে শ্রেণিশিক্ষক ওই মোবাইল চুরির অভিযোগে নিহত স্কুলছাত্রের সহপাঠীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রের ওপর তার সহপাঠী ক্ষুব্ধ হয়।
নিহতের পরিবারের দাবি, ওই ঘটনার জেরে সেপ্টেম্বর জরিমানা করা কিশোর তার কয়েকজন সহযোগী নিয়ে স্কুলছাত্রকে আটকে বেদম মারধর করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বলেন, তাঁর ভাতিজার সহপাঠী মোবাইল চুরি করে। এর প্রতিবাদ করলে সে তার সহযোগীদের নিয়ে মারাত্মকভাবে পিটিয়ে আহত করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শ্রেণিশিক্ষক আবুল হোসেন বলেন, ‘স্কুলছাত্রের মোবাইল ফোন চুরি হলে সে বিষয়টি আমাকে জানায়। আমি ঘটনার তদন্ত করে তার সহপাঠীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করে বিষয়টি মিটমাট করে দিই। পরে ওই স্কুলছাত্রকে কে বা কারা মেরেছে, তা আমার জানা নেই।’
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সহপাঠী ও তার পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ওই স্কুলছাত্র গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ এখানো ঢাকা থেকে আনা হয়নি। মরদেহ ঢাকায় ময়নাতদন্ত করে আজ শুক্রবার ভান্ডারিয়ায় নিয়ে আসা হবে বলে জেনেছি।’

পিরোজপুরের এক স্কুলছাত্র ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, নিহতের মোবাইল ফোন শ্রেণিকক্ষে চুরি হওয়ায় তার এক সহপাঠীকে জরিমানা করেন শিক্ষক। সেই ক্ষোভ থেকে সহপাঠী কিশোর ওই স্কুলছাত্রের ওপর তার সহযোগীদের নিয়ে হামলা চালায়। এর পর থেকে সে চিকিৎসাধীন ছিল।
গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। সে উপজেলার তেলিখালী গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১ জুলাই ওই স্কুলছাত্র শ্রেণিকক্ষে একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। মোবাইলটি তার সহপাঠী ও স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্যের ছেলে চুরি করেছে বলে সন্দেহ করে। মোবাইল চুরির বিষয়টি শ্রেণিশিক্ষক আবুল হোসেনের কাছে ওই ছাত্র অভিযোগ করে।
একপর্যায়ে শ্রেণিশিক্ষক ওই মোবাইল চুরির অভিযোগে নিহত স্কুলছাত্রের সহপাঠীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রের ওপর তার সহপাঠী ক্ষুব্ধ হয়।
নিহতের পরিবারের দাবি, ওই ঘটনার জেরে সেপ্টেম্বর জরিমানা করা কিশোর তার কয়েকজন সহযোগী নিয়ে স্কুলছাত্রকে আটকে বেদম মারধর করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বলেন, তাঁর ভাতিজার সহপাঠী মোবাইল চুরি করে। এর প্রতিবাদ করলে সে তার সহযোগীদের নিয়ে মারাত্মকভাবে পিটিয়ে আহত করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শ্রেণিশিক্ষক আবুল হোসেন বলেন, ‘স্কুলছাত্রের মোবাইল ফোন চুরি হলে সে বিষয়টি আমাকে জানায়। আমি ঘটনার তদন্ত করে তার সহপাঠীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করে বিষয়টি মিটমাট করে দিই। পরে ওই স্কুলছাত্রকে কে বা কারা মেরেছে, তা আমার জানা নেই।’
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সহপাঠী ও তার পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ওই স্কুলছাত্র গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ এখানো ঢাকা থেকে আনা হয়নি। মরদেহ ঢাকায় ময়নাতদন্ত করে আজ শুক্রবার ভান্ডারিয়ায় নিয়ে আসা হবে বলে জেনেছি।’

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
২৩ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে