কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

বজ্রপাত ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এক লাখ তালের চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছেন কামাল হোসেন নামের এক কৃষক। বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কের পাশে পতিত জমিতে নিজ উদ্যোগে তিনি এসব চারা রোপণ করছেন।
পটুয়াখালীর নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রামের বাসিন্দা কামাল হোসেন। তালগাছের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিজেই তালগাছ রোপণে আগ্রহী হন। পরে উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে তিন মাস আগে শুরু করেন তালের চারা রোপণের কাজ। ইতিমধ্যে আলীপুর বাজার থেকে চাপলী ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের পাশে রোপণ করেছেন প্রায় ৩৫ হাজার তালের বীজ। এসব বীজ বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে নিজ অর্থায়নে রোপণ করছেন তিনি।
তালের বীজ রোপণের মহৎ এ উদ্যোগ নেওয়ায় কামালকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। চাপলী এলাকার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘তালগাছ আমাদের ব্যাপক উপকারে আসে। এর পাতা-ডাল সবকিছুই আমরা ব্যবহার করি। কৃষক কামাল হোসেন সড়কের পাশে এই তালের বীজ রোপণ করছেন। এটা আসলেই প্রশংসনীয় কাজ।’
একই এলাকার বাসিন্দা মানিক মিয়া বলেন, ‘চার-পাঁচ দিন ধরে দেখছি কৃষক কামাল হোসেন মানুষ নিয়ে আমাদের এলাকার রাস্তার পাশে তালের বীজ লাগাচ্ছেন। নিজ উদ্যোগে তিনি এসব বীজ বপন করায় তাঁর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
কৃষক কামাল হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বজ্রপাত থেকে রক্ষাকারী পরম বন্ধু তালগাছ। এ ছাড়া ভূমিক্ষয়, ভূমিধস, ভূগর্ভস্থ পানির মজুত বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা রক্ষা করে তালগাছ। তাই স্বেচ্ছায় এসব বীজ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছি। উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ইতিমধ্যে ৩৫ হাজার বীজ রোপণ করা হয়েছে। বাকি বীজগুলো আমার বাড়িতে সংরক্ষণ করা আছে। সবগুলো বীজ পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকায় রোপণ করব।’
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপকূলবর্তী এলাকায় পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় তালগাছ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কামালের মতো আরও সমাজসেবীকে এসব গাছ রোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’

বজ্রপাত ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এক লাখ তালের চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছেন কামাল হোসেন নামের এক কৃষক। বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কের পাশে পতিত জমিতে নিজ উদ্যোগে তিনি এসব চারা রোপণ করছেন।
পটুয়াখালীর নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রামের বাসিন্দা কামাল হোসেন। তালগাছের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিজেই তালগাছ রোপণে আগ্রহী হন। পরে উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে তিন মাস আগে শুরু করেন তালের চারা রোপণের কাজ। ইতিমধ্যে আলীপুর বাজার থেকে চাপলী ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের পাশে রোপণ করেছেন প্রায় ৩৫ হাজার তালের বীজ। এসব বীজ বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে নিজ অর্থায়নে রোপণ করছেন তিনি।
তালের বীজ রোপণের মহৎ এ উদ্যোগ নেওয়ায় কামালকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। চাপলী এলাকার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘তালগাছ আমাদের ব্যাপক উপকারে আসে। এর পাতা-ডাল সবকিছুই আমরা ব্যবহার করি। কৃষক কামাল হোসেন সড়কের পাশে এই তালের বীজ রোপণ করছেন। এটা আসলেই প্রশংসনীয় কাজ।’
একই এলাকার বাসিন্দা মানিক মিয়া বলেন, ‘চার-পাঁচ দিন ধরে দেখছি কৃষক কামাল হোসেন মানুষ নিয়ে আমাদের এলাকার রাস্তার পাশে তালের বীজ লাগাচ্ছেন। নিজ উদ্যোগে তিনি এসব বীজ বপন করায় তাঁর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
কৃষক কামাল হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বজ্রপাত থেকে রক্ষাকারী পরম বন্ধু তালগাছ। এ ছাড়া ভূমিক্ষয়, ভূমিধস, ভূগর্ভস্থ পানির মজুত বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা রক্ষা করে তালগাছ। তাই স্বেচ্ছায় এসব বীজ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছি। উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ইতিমধ্যে ৩৫ হাজার বীজ রোপণ করা হয়েছে। বাকি বীজগুলো আমার বাড়িতে সংরক্ষণ করা আছে। সবগুলো বীজ পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকায় রোপণ করব।’
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপকূলবর্তী এলাকায় পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় তালগাছ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কামালের মতো আরও সমাজসেবীকে এসব গাছ রোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১৯ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৩৩ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৩৯ মিনিট আগে