পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা হাসপাতাল সংস্কার, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ তিন দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন। দাবি না মানলে তাঁরা চিকিৎসাসেবা থেকে বিরত থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
আজ শনিবার সকালে হাসপাতালের আউটডোরের সামনে মানববন্ধনে তাঁরা এই আলটিমেটাম দেন। আজ সকাল ১০টায় শুরু হয় তাঁদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম।
ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি মো. সবুর হোসেন বলেন, ‘আমরা কাউকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখি না। আমরা চাই পটুয়াখালীতে আধুনিক ও সুশৃঙ্খল স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হোক। কোনো রোগী সুস্থ হয়ে ফিরলে আমরা খুশি হই। তিন দফা দাবি আদায়ে আমরা ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছি।’
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ডাক্তার, নার্স, মেডিকেল শিক্ষার্থী ও রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। দাবি আদায় না হলে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল শাটডাউনের হুঁশিয়ারি উচ্চরণ করেন তাঁরা।

মানববন্ধনে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা হাসপাতাল ক্যাম্পাসে চিকিৎসক, নার্স, সংশ্লিষ্ট কর্মচারী, মেডিকেল শিক্ষার্থী ও রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; তদন্ত চলাকালে অযৌক্তিকভাবে ওএসডি করা শামিম আল আজাদকে পুনর্বহাল করা এবং ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল চালু ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের দাবি তুলে ধরেন।
তাঁরা আরও বলেন, ‘১৪ এপ্রিলের ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত। বর্তমানে ২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ৬০০–এর বেশি রোগী ভর্তি হন। অথচ সেখানে কর্মরত চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র ২০ জন, যেখানে প্রয়োজন প্রায় ১৮০ জন। এমন পরিস্থিতিতে শামিম আল আজাদকে ওএসডি করায় চিকিৎসাসেবা আরও ব্যাহত হবে।’
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, ‘ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবিগুলো যৌক্তিক। আমরা সরকারের কর্মচারী, রোগীদের ভোগান্তি হয় এমন কর্মসূচি না করার জন্য অনুরোধ করছি। আশা করছি, দ্রুতই এর সমাধান হবে।’

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা হাসপাতাল সংস্কার, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ তিন দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন। দাবি না মানলে তাঁরা চিকিৎসাসেবা থেকে বিরত থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
আজ শনিবার সকালে হাসপাতালের আউটডোরের সামনে মানববন্ধনে তাঁরা এই আলটিমেটাম দেন। আজ সকাল ১০টায় শুরু হয় তাঁদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম।
ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি মো. সবুর হোসেন বলেন, ‘আমরা কাউকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখি না। আমরা চাই পটুয়াখালীতে আধুনিক ও সুশৃঙ্খল স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হোক। কোনো রোগী সুস্থ হয়ে ফিরলে আমরা খুশি হই। তিন দফা দাবি আদায়ে আমরা ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছি।’
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ডাক্তার, নার্স, মেডিকেল শিক্ষার্থী ও রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। দাবি আদায় না হলে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল শাটডাউনের হুঁশিয়ারি উচ্চরণ করেন তাঁরা।

মানববন্ধনে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা হাসপাতাল ক্যাম্পাসে চিকিৎসক, নার্স, সংশ্লিষ্ট কর্মচারী, মেডিকেল শিক্ষার্থী ও রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; তদন্ত চলাকালে অযৌক্তিকভাবে ওএসডি করা শামিম আল আজাদকে পুনর্বহাল করা এবং ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল চালু ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের দাবি তুলে ধরেন।
তাঁরা আরও বলেন, ‘১৪ এপ্রিলের ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত। বর্তমানে ২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ৬০০–এর বেশি রোগী ভর্তি হন। অথচ সেখানে কর্মরত চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র ২০ জন, যেখানে প্রয়োজন প্রায় ১৮০ জন। এমন পরিস্থিতিতে শামিম আল আজাদকে ওএসডি করায় চিকিৎসাসেবা আরও ব্যাহত হবে।’
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, ‘ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবিগুলো যৌক্তিক। আমরা সরকারের কর্মচারী, রোগীদের ভোগান্তি হয় এমন কর্মসূচি না করার জন্য অনুরোধ করছি। আশা করছি, দ্রুতই এর সমাধান হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৭ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে