কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে একটি ৭ ফুট লম্বা ইরাবতী প্রজাতির মৃত্যু মা ডলফিন ভেসে এসেছে। এর মাথায় ছেঁড়া জালের টুকরা প্যাঁচানো রয়েছে। পুরো শরীরে চামড়া ওঠানো।
আজ শনিবার সকালে কুয়াকাটার সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে সৈকতে পূর্ব দিকে ডলফিনটি দেখতে পান ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্যরা। এর আগে ২ মে সৈকতে আরও একটি মৃত ইরাবতী ডলফিনের বাচ্চা এসেছিল।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্য আবুল হোসেন রাজু বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের ফলে সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এর মধ্যে ঢেউয়ের সঙ্গে তীরে আসতে দেখি ডলফিনটিকে। অতিরিক্ত ঢেউ হওয়ার কারণে এটির কাছে যাওয়া যায়নি প্রথমে। ডলফিনটির শরীরের ওপরের সম্পূর্ণ চামড়া ওঠানো। পরে ডলফিন রক্ষা কমিটিকে খবর দিই।’
সমুদ্রের নীল অর্থনীতি, উপকূলের পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের পটুয়াখালী জেলা সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ‘এই ডলফিনটির মুখে যেহেতু জাল আটকানো, তার মানে ছেঁড়া জালে আঁটকে মৃত্যু হয়েছে। আর শরীরের যে অবস্থা এতে মনে হয় আরও দুই-তিন আগে মারা গেছে। আমরা এগুলো নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছি, কেন প্রতিবছর এমন পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।’
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন বিভাগ ও ব্লু গার্ডের সহায়তায় আমাদের সদস্যরা নিরাপদ স্থানে ডলফিনটিকে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। এই উপকূলীয় এলাকাজুড়ে আমরা সার্বক্ষণিক কাজ করছি ডলফিন নিয়ে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যাতে এই মৃত্যুর সঠিক কারণগুলো বের করা হয়।’
বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ডলফিন রক্ষা কমিটির মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছি। আমাদের সদস্যদের পাঠিয়ে দ্রুত মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করছি, যাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায়।’

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে একটি ৭ ফুট লম্বা ইরাবতী প্রজাতির মৃত্যু মা ডলফিন ভেসে এসেছে। এর মাথায় ছেঁড়া জালের টুকরা প্যাঁচানো রয়েছে। পুরো শরীরে চামড়া ওঠানো।
আজ শনিবার সকালে কুয়াকাটার সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে সৈকতে পূর্ব দিকে ডলফিনটি দেখতে পান ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্যরা। এর আগে ২ মে সৈকতে আরও একটি মৃত ইরাবতী ডলফিনের বাচ্চা এসেছিল।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্য আবুল হোসেন রাজু বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের ফলে সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এর মধ্যে ঢেউয়ের সঙ্গে তীরে আসতে দেখি ডলফিনটিকে। অতিরিক্ত ঢেউ হওয়ার কারণে এটির কাছে যাওয়া যায়নি প্রথমে। ডলফিনটির শরীরের ওপরের সম্পূর্ণ চামড়া ওঠানো। পরে ডলফিন রক্ষা কমিটিকে খবর দিই।’
সমুদ্রের নীল অর্থনীতি, উপকূলের পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের পটুয়াখালী জেলা সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ‘এই ডলফিনটির মুখে যেহেতু জাল আটকানো, তার মানে ছেঁড়া জালে আঁটকে মৃত্যু হয়েছে। আর শরীরের যে অবস্থা এতে মনে হয় আরও দুই-তিন আগে মারা গেছে। আমরা এগুলো নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছি, কেন প্রতিবছর এমন পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।’
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন বিভাগ ও ব্লু গার্ডের সহায়তায় আমাদের সদস্যরা নিরাপদ স্থানে ডলফিনটিকে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। এই উপকূলীয় এলাকাজুড়ে আমরা সার্বক্ষণিক কাজ করছি ডলফিন নিয়ে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যাতে এই মৃত্যুর সঠিক কারণগুলো বের করা হয়।’
বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ডলফিন রক্ষা কমিটির মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছি। আমাদের সদস্যদের পাঠিয়ে দ্রুত মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করছি, যাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায়।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে