Ajker Patrika

আবারও পুশ ইনের চেষ্টা ঘিরে বিজিবি-বিএসএফের উত্তেজনা, ৬০ ঘণ্টা ধরে জিরো লাইনে ১০ জন

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
আপডেট : ০৭ জুন ২০২৬, ১৪: ৩৯
আবারও পুশ ইনের চেষ্টা ঘিরে বিজিবি-বিএসএফের উত্তেজনা, ৬০ ঘণ্টা ধরে জিরো লাইনে ১০ জন
আটকে পড়া ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশু ৬০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জিরো লাইনে অবস্থান করছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্তে বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টায় আটকে পড়া ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশু ৬০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জিরো লাইনে অবস্থান করছে। এদিকে রোববার দুপুর ১২টার দিকে আবারও ভারতের অংশের শূন্যরেখা থেকে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি কড়া অবস্থান নেয়।

এর আগে শুক্রবার ভোরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবির বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। পরে কোম্পানি ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বিএসএফ তাদের ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এর পর থেকে তারা দুই দেশের মধ্যবর্তী সীমান্ত এলাকায় অনিশ্চয়তার মধ্যে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ তাদের অবৈধ পুশ ইন হিসেবে গ্রহণ করছে না, আবার ভারতও নিজ ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিচ্ছে না। ফলে তিন দিনের বেশি সময় ধরে তারা জিরো লাইনেই মানবেতর জীবন যাপন করছে।

আজ দুপুরে আবারও তাদের বাংলাদেশ অংশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় বিজিবি সতর্ক অবস্থান নেয় এবং সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়।

আজ দুপুরে আবারও তাদের বাংলাদেশ অংশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। ছবি: আজকের পত্রিকা
আজ দুপুরে আবারও তাদের বাংলাদেশ অংশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বড়বাড়ি ক্যাম্পের বিপরীতে বিএসএফ ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করেছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বিএসএফ তাদের ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানায়। বর্তমানে তারা ভারতের অভ্যন্তরে ভারতীয় ভূখণ্ডেই অবস্থান করছে। সীমান্তে যেকোনো ধরনের পুশ ইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবির সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত