আল মামুন জীবন, বোদা (পঞ্চগড়) থেকে ফিরে

চার বছর আগে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার করতোয়া নদের আউলিয়া ঘাটে সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। করতোয়ায় নৌকা ডুবিতে ৭২ জনের প্রাণ যাওয়ার পর টনক নড়েছে অধিদপ্তরের। চার বছর আগের সেই ফাইল খুঁজে বের করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শুরু হয়েছে সেতু নির্মাণের যাবতীয় প্রক্রিয়া।
স্থানীয়রা বলছে, প্রস্তাব পাঠানোর পরেই ঘাটে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করলে এতদিন তা শেষ হয়ে চলাচল শুরু হয়ে যেত। মহালয়ার দিন স্মরণকালের ভয়াবহ নৌ-দুর্ঘটনা ঘটত না।
আজ শুক্রবার সকাল থেকে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার আউলিয়া ঘাটে করতোয়া নদীর ওপর সেতু নির্মাণের জন্য খসড়া লে–আউট তৈরির কাজ শুরু করছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলীরা। সেখানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রস্তাব পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করেন পঞ্চগড় স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুজ্জামান।
শামসুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা এবং রেলপথমন্ত্রীর আন্তরিকতায় করতোয়া নদের আউলিয়া ঘাটে ৮০০ মিটার থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ১১০ মিটারের ওয়াই মডেলের একটি সেতু হবে। একনেকে অর্থছাড়, নকশা, মাটি পরীক্ষাসহ যাবতীয় কাজ শেষ হয়েছে। এলজিইডির ডিজাইন ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রেজাউল করিম, আবু বক্কর সিদ্দিক ও ভাস্কর কান্তি চৌধুরীসহ তাদের টিম এসেছে খসড়া লে–আউট তৈরির কাজ করতে। এটি শেষ হলেই টেন্ডার হবে নভেম্বর শেষ সময়ে। এরপর ঠিকাদার নির্বাচন হয়ে গেলেই নির্মাণকাজ শুরু হবে।’
পঞ্চগড় প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, করতোয়া নদের ওপর ১ হাজার ১১০ মিটারের ওয়াই মডেলের সেতু নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২০০ কোটি টাকা।
এদিকে শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ ৩ জনের উদ্ধার কাজ করতে কাউকে দেখা যায়নি। যদিও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে বলে দাবি করা হলেও সেটি অঘোষিতভাবে বন্ধ রয়েছে।
জানতে চাইলে বোদা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ আফজাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেবীগঞ্জ ও পঞ্চগড় ইউনিটের সদস্যরা ফিরে গেছেন। আমরা মাঝে মাঝে ঘাটের এলাকাগুলোতে টহল দিচ্ছি এবং উপজেলার অন্য এলাকাগুলো দেখাশোনা করছি। তা ছাড়া স্থানীয় অনেককেই মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে জরুরি প্রয়োজনে।’
গত ২৫ সেপ্টেম্বর রোববার বেলা ৩টার দিকে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নে অবস্থিত করতোয়া নদীর আউলিয়া ঘাট থেকে শতাধিক পুণ্যার্থী নিয়ে একটি নৌকা বদ্বেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিল। নৌকাটি নদীর মাঝে গেলে মোড় নেওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। এতে ৭২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে ৬৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে নারী ৩০ জন, পুরুষ ১৮ জন এবং শিশু ২১ জন।
এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘি গ্রামের বাসিন্দা ধীরেন চন্দ্রের জয়া রানী (৪), বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের সুরেন (৩২) ও দেবীগঞ্জ উপজেলার ছত্রশিকারপুর এলাকার ভূপেন্দ্র নাথ বর্মনকে (৪০) নিখোঁজ রয়েছেন।
আরও পড়ুন:

চার বছর আগে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার করতোয়া নদের আউলিয়া ঘাটে সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। করতোয়ায় নৌকা ডুবিতে ৭২ জনের প্রাণ যাওয়ার পর টনক নড়েছে অধিদপ্তরের। চার বছর আগের সেই ফাইল খুঁজে বের করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শুরু হয়েছে সেতু নির্মাণের যাবতীয় প্রক্রিয়া।
স্থানীয়রা বলছে, প্রস্তাব পাঠানোর পরেই ঘাটে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করলে এতদিন তা শেষ হয়ে চলাচল শুরু হয়ে যেত। মহালয়ার দিন স্মরণকালের ভয়াবহ নৌ-দুর্ঘটনা ঘটত না।
আজ শুক্রবার সকাল থেকে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার আউলিয়া ঘাটে করতোয়া নদীর ওপর সেতু নির্মাণের জন্য খসড়া লে–আউট তৈরির কাজ শুরু করছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলীরা। সেখানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রস্তাব পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করেন পঞ্চগড় স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুজ্জামান।
শামসুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা এবং রেলপথমন্ত্রীর আন্তরিকতায় করতোয়া নদের আউলিয়া ঘাটে ৮০০ মিটার থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ১১০ মিটারের ওয়াই মডেলের একটি সেতু হবে। একনেকে অর্থছাড়, নকশা, মাটি পরীক্ষাসহ যাবতীয় কাজ শেষ হয়েছে। এলজিইডির ডিজাইন ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রেজাউল করিম, আবু বক্কর সিদ্দিক ও ভাস্কর কান্তি চৌধুরীসহ তাদের টিম এসেছে খসড়া লে–আউট তৈরির কাজ করতে। এটি শেষ হলেই টেন্ডার হবে নভেম্বর শেষ সময়ে। এরপর ঠিকাদার নির্বাচন হয়ে গেলেই নির্মাণকাজ শুরু হবে।’
পঞ্চগড় প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, করতোয়া নদের ওপর ১ হাজার ১১০ মিটারের ওয়াই মডেলের সেতু নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২০০ কোটি টাকা।
এদিকে শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ ৩ জনের উদ্ধার কাজ করতে কাউকে দেখা যায়নি। যদিও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে বলে দাবি করা হলেও সেটি অঘোষিতভাবে বন্ধ রয়েছে।
জানতে চাইলে বোদা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ আফজাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেবীগঞ্জ ও পঞ্চগড় ইউনিটের সদস্যরা ফিরে গেছেন। আমরা মাঝে মাঝে ঘাটের এলাকাগুলোতে টহল দিচ্ছি এবং উপজেলার অন্য এলাকাগুলো দেখাশোনা করছি। তা ছাড়া স্থানীয় অনেককেই মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে জরুরি প্রয়োজনে।’
গত ২৫ সেপ্টেম্বর রোববার বেলা ৩টার দিকে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নে অবস্থিত করতোয়া নদীর আউলিয়া ঘাট থেকে শতাধিক পুণ্যার্থী নিয়ে একটি নৌকা বদ্বেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিল। নৌকাটি নদীর মাঝে গেলে মোড় নেওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। এতে ৭২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে ৬৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে নারী ৩০ জন, পুরুষ ১৮ জন এবং শিশু ২১ জন।
এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘি গ্রামের বাসিন্দা ধীরেন চন্দ্রের জয়া রানী (৪), বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের সুরেন (৩২) ও দেবীগঞ্জ উপজেলার ছত্রশিকারপুর এলাকার ভূপেন্দ্র নাথ বর্মনকে (৪০) নিখোঁজ রয়েছেন।
আরও পড়ুন:

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে