পঞ্চগড় প্রতিনিধি

টয়লেটের ফ্ল্যাশবক্সে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত ১৪টি মোবাইল ফোন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার গভীর রাতে পঞ্চগড় শহরের রওশনাবাগ এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে অনলাইন জুয়ার এক সক্রিয় ডিলারকে আটক করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তির নাম আবু সাত্তার (২৫)। তিনি পঞ্চগড় সদর উপজেলার শিংরোড ভুজারিপাড়া এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে। চার বছর ধরে তিনি শহরের রওশনাবাগ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে গোপনে অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে আসছিলেন।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাতে আবু সাত্তারের বাসায় কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে সাড়া না পাওয়ায় দরজার ছিটকিনি ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন সেনা সদস্যরা। ঘর তল্লাশির একপর্যায়ে টয়লেটের ফ্ল্যাশবক্সে লুকানো অবস্থায় ১৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়। অভিযানে আরও উদ্ধার করা হয় একটি ল্যাপটপ ও একটি কম্পিউটার। এগুলোতে থাকা তথ্য বিশ্লেষণে অনলাইন জুয়াসংক্রান্ত অসংখ্য সাইটের লিংক, লেনদেনের হিসাব ও বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের সন্ধান মেলে। ডিভাইসগুলো থেকে প্রায় ১২ লাখ টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
রাত ২টা পর্যন্ত চলা এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন পঞ্চগড় সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার মেহেদী পিয়াস জয়। অভিযানে উদ্ধার করা সব ডিভাইস ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে আটক আবু সাত্তারকে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আরডিসি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয় এবং পুলিশের মাধ্যমে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
আটকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আবু সাত্তার বলেন, ‘আমি ৪ বছর ধরে এই কাজ করে আসছি। টেকনিক্যালি এটা অবৈধ হলেও দেশের টাকা দেশে রাখার জন্যই করেছি। মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা আয় হতো।’
সেনা ক্যাম্প কমান্ডার মেহেদী পিয়াস জয় বলেন, ‘আবু সাত্তার একজন সংগঠিত অনলাইন জুয়ার হোতা। তার বিরুদ্ধে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অনলাইন জুয়া ও সাইবার অপরাধ দমনে সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।’

টয়লেটের ফ্ল্যাশবক্সে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত ১৪টি মোবাইল ফোন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার গভীর রাতে পঞ্চগড় শহরের রওশনাবাগ এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে অনলাইন জুয়ার এক সক্রিয় ডিলারকে আটক করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তির নাম আবু সাত্তার (২৫)। তিনি পঞ্চগড় সদর উপজেলার শিংরোড ভুজারিপাড়া এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে। চার বছর ধরে তিনি শহরের রওশনাবাগ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে গোপনে অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে আসছিলেন।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাতে আবু সাত্তারের বাসায় কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে সাড়া না পাওয়ায় দরজার ছিটকিনি ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন সেনা সদস্যরা। ঘর তল্লাশির একপর্যায়ে টয়লেটের ফ্ল্যাশবক্সে লুকানো অবস্থায় ১৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়। অভিযানে আরও উদ্ধার করা হয় একটি ল্যাপটপ ও একটি কম্পিউটার। এগুলোতে থাকা তথ্য বিশ্লেষণে অনলাইন জুয়াসংক্রান্ত অসংখ্য সাইটের লিংক, লেনদেনের হিসাব ও বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের সন্ধান মেলে। ডিভাইসগুলো থেকে প্রায় ১২ লাখ টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
রাত ২টা পর্যন্ত চলা এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন পঞ্চগড় সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার মেহেদী পিয়াস জয়। অভিযানে উদ্ধার করা সব ডিভাইস ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে আটক আবু সাত্তারকে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আরডিসি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয় এবং পুলিশের মাধ্যমে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
আটকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আবু সাত্তার বলেন, ‘আমি ৪ বছর ধরে এই কাজ করে আসছি। টেকনিক্যালি এটা অবৈধ হলেও দেশের টাকা দেশে রাখার জন্যই করেছি। মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা আয় হতো।’
সেনা ক্যাম্প কমান্ডার মেহেদী পিয়াস জয় বলেন, ‘আবু সাত্তার একজন সংগঠিত অনলাইন জুয়ার হোতা। তার বিরুদ্ধে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অনলাইন জুয়া ও সাইবার অপরাধ দমনে সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।’

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৫ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে