পাবনা প্রতিনিধি

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কক্ষে ঢুকে নির্বাহী প্রকৌশলীসহ কর্মকর্তাদের প্রাণনাশের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সরকারি ঠিকাদারি কাজ অনৈতিক ও অবৈধভাবে না পেয়ে ঠিকাদাররা এ কাজ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার থানায় মামলা হয়। ওই দিন রাতেই পাবনা শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে এক ঠিকাদারসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এর আগে গত বুধবার (৮ মে) দুপুরে পাবনা গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর রুমে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিনই র্যাব-১২ পাবনাকে লিখিত অভিযোগ দেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম। পরে শুক্রবার পাবনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পাবনা পৌর এলাকার চক গোবিন্দার চাঁদমারি এলাকার জামাল উদ্দিন তোতনের ছেলে ঠিকাদার রোকনুজ্জামান তুষার ও তাঁর সহযোগী কালাচাঁদপাড়া মহল্লার নুরুল ইসলামের ছেলে আকাশ হোসেন।
অন্য পলাতক আসামিরা হলেন পাবনা পৌর এলাকার চকছাতিয়ানি মহল্লার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রাজিবুল হাসান রাজিব এবং কৃষ্ণপুর মহল্লার মৃত মোহন বিশ্বাসের ছেলে মো. রনা বিশ্বাসসহ অজ্ঞাতনামা ১৪-১৫ জন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৮ মে) পাবনা গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিমের কক্ষে মিটিং করছিলেন পাবনা গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা। বেলা ১টার দিকে হঠাৎ করে রাজিব ও তুষারের নেতৃত্বে ১৪-১৫ জন সেখানে প্রবেশ করে গণপূর্তের বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন এবং অনৈতিকভাবে বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ দাবি করেন।
দাবি না মানায় নির্বাহী প্রকৌশলীকে গালিগালাজ ও মারধরের চেষ্টা করেন। এ সময় অন্য প্রকৌশলীরা বাধা দিলে তাঁদের সবাইকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যান তাঁরা।
এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে শুক্রবার (১০ মে) রাতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। রাতেই মামলার পরপরই তাঁদের অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে পাবনা গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও মামলার বাদী আনোয়ারুল আজিম বলেন, ‘তাঁরা (রাজিব-তুষার) ঠিকাদারি কাজ করেন। সেদিন যা ঘটেছিল তা থানায় দেওয়া এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাইরে কিছু নেই।’
এ ব্যাপারে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযোগের পর মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে রোকনুজ্জামান তুষার ও আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযান অব্যাহত রয়েছে, বাকিদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
এ বিষয়ে কথা বলতে আজ শনিবার দুপুরে অভিযুক্ত ঠিকাদার রাজিবুল হাসান রাজিবের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কক্ষে ঢুকে নির্বাহী প্রকৌশলীসহ কর্মকর্তাদের প্রাণনাশের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সরকারি ঠিকাদারি কাজ অনৈতিক ও অবৈধভাবে না পেয়ে ঠিকাদাররা এ কাজ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার থানায় মামলা হয়। ওই দিন রাতেই পাবনা শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে এক ঠিকাদারসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এর আগে গত বুধবার (৮ মে) দুপুরে পাবনা গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর রুমে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিনই র্যাব-১২ পাবনাকে লিখিত অভিযোগ দেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম। পরে শুক্রবার পাবনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পাবনা পৌর এলাকার চক গোবিন্দার চাঁদমারি এলাকার জামাল উদ্দিন তোতনের ছেলে ঠিকাদার রোকনুজ্জামান তুষার ও তাঁর সহযোগী কালাচাঁদপাড়া মহল্লার নুরুল ইসলামের ছেলে আকাশ হোসেন।
অন্য পলাতক আসামিরা হলেন পাবনা পৌর এলাকার চকছাতিয়ানি মহল্লার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রাজিবুল হাসান রাজিব এবং কৃষ্ণপুর মহল্লার মৃত মোহন বিশ্বাসের ছেলে মো. রনা বিশ্বাসসহ অজ্ঞাতনামা ১৪-১৫ জন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৮ মে) পাবনা গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিমের কক্ষে মিটিং করছিলেন পাবনা গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা। বেলা ১টার দিকে হঠাৎ করে রাজিব ও তুষারের নেতৃত্বে ১৪-১৫ জন সেখানে প্রবেশ করে গণপূর্তের বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন এবং অনৈতিকভাবে বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ দাবি করেন।
দাবি না মানায় নির্বাহী প্রকৌশলীকে গালিগালাজ ও মারধরের চেষ্টা করেন। এ সময় অন্য প্রকৌশলীরা বাধা দিলে তাঁদের সবাইকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যান তাঁরা।
এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে শুক্রবার (১০ মে) রাতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। রাতেই মামলার পরপরই তাঁদের অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে পাবনা গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও মামলার বাদী আনোয়ারুল আজিম বলেন, ‘তাঁরা (রাজিব-তুষার) ঠিকাদারি কাজ করেন। সেদিন যা ঘটেছিল তা থানায় দেওয়া এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাইরে কিছু নেই।’
এ ব্যাপারে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযোগের পর মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে রোকনুজ্জামান তুষার ও আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযান অব্যাহত রয়েছে, বাকিদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
এ বিষয়ে কথা বলতে আজ শনিবার দুপুরে অভিযুক্ত ঠিকাদার রাজিবুল হাসান রাজিবের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে