ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পুকুরে ধসে পড়ছে একটি পাকা সড়ক। গত কয়েক বছরে সড়কটি একাধিকবার সংস্কার করা হলেও ধস রোধ করা যাচ্ছে না। সড়কটি ভাঙ্গুড়ায় পৌরসভার সারুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাটুলীপাড়া চৌরাস্তা আঞ্চলিক মহাসড়ক পর্যন্ত। আড়াই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সড়কের একপাশ ঘেঁষে স্থানীয় প্রভাবশালীরা একাধিক পুকুর খনন করেছেন। এখন সড়কটির বেশির ভাগ অংশ এসব পুকুরে ধসে পড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, এ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন মানুষসহ শত শত যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু সড়কটির এক পাশ ঘেঁষে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ১০-১২টি পুকুর খনন করে দীর্ঘদিন মাছ চাষ করে আসছেন। এতে করে ঝুঁকিতে পড়েছে পাকা সড়কটি। বর্তমানে সড়কটির বেশির ভাগ অংশ ভেঙে পুকুরে ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এতে সড়কটি দিয়ে যাতায়াতে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, সড়কটি একাধিকবার সংস্কার করেও ধস রোধ করা যাচ্ছে না। সামান্য বৃষ্টি ও যানের চাপে সড়কটি আরও ভেঙে যাচ্ছে। পুকুরমালিকেরা পুকুরের পাড় বেঁধে দিলে সড়কটি ভাঙত না। ভ্যানচালক তোরাব আলী জানান, সড়কটির অবস্থা খুব খারাপ। ওই সড়ক দিয়ে তাঁরা গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করতে পারছেন না। অন্য সড়ক ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান তিনি।
ওই গ্রামের বাসিন্দা ও ভাঙ্গুড়া বি টি এম কলেজের অধ্যক্ষ বদরুল আলম বিদ্যুৎ জানান, পুকুরের কারণে সড়কটি টিকছে না। সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি সড়কটি সংস্কারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আফরোজা আক্তার জানান, একাধিকবার সংস্কার করেও সড়কটির ধস রোধ করা যাচ্ছে না। পুকুরমালিকদের চিঠি দিয়ে সরকারি রাস্তা সংরক্ষণের জন্য পুকুরের পাড় বাঁধতে বলা হলেও তাতে তাঁরা কর্ণপাত করছেন না।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পুকুরে ধসে পড়ছে একটি পাকা সড়ক। গত কয়েক বছরে সড়কটি একাধিকবার সংস্কার করা হলেও ধস রোধ করা যাচ্ছে না। সড়কটি ভাঙ্গুড়ায় পৌরসভার সারুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাটুলীপাড়া চৌরাস্তা আঞ্চলিক মহাসড়ক পর্যন্ত। আড়াই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সড়কের একপাশ ঘেঁষে স্থানীয় প্রভাবশালীরা একাধিক পুকুর খনন করেছেন। এখন সড়কটির বেশির ভাগ অংশ এসব পুকুরে ধসে পড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, এ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন মানুষসহ শত শত যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু সড়কটির এক পাশ ঘেঁষে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ১০-১২টি পুকুর খনন করে দীর্ঘদিন মাছ চাষ করে আসছেন। এতে করে ঝুঁকিতে পড়েছে পাকা সড়কটি। বর্তমানে সড়কটির বেশির ভাগ অংশ ভেঙে পুকুরে ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এতে সড়কটি দিয়ে যাতায়াতে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, সড়কটি একাধিকবার সংস্কার করেও ধস রোধ করা যাচ্ছে না। সামান্য বৃষ্টি ও যানের চাপে সড়কটি আরও ভেঙে যাচ্ছে। পুকুরমালিকেরা পুকুরের পাড় বেঁধে দিলে সড়কটি ভাঙত না। ভ্যানচালক তোরাব আলী জানান, সড়কটির অবস্থা খুব খারাপ। ওই সড়ক দিয়ে তাঁরা গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করতে পারছেন না। অন্য সড়ক ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান তিনি।
ওই গ্রামের বাসিন্দা ও ভাঙ্গুড়া বি টি এম কলেজের অধ্যক্ষ বদরুল আলম বিদ্যুৎ জানান, পুকুরের কারণে সড়কটি টিকছে না। সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি সড়কটি সংস্কারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আফরোজা আক্তার জানান, একাধিকবার সংস্কার করেও সড়কটির ধস রোধ করা যাচ্ছে না। পুকুরমালিকদের চিঠি দিয়ে সরকারি রাস্তা সংরক্ষণের জন্য পুকুরের পাড় বাঁধতে বলা হলেও তাতে তাঁরা কর্ণপাত করছেন না।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে