Ajker Patrika

সাঁথিয়ায় শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ, সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি 
সাঁথিয়ায় শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ, সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু
সাঁথিয়ায় খলিশাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

পাবনার সাঁথিয়ায় খলিশাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ছুম্মা খাতুনকে নির্যাতনের অভিযোগে বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক হালিমা খাতুনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিশুটির অভিভাবক আলম হোসেন। গত ২৮ জুলাই সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে এ অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা অফিস।

লিখিত অভিযোগে আলম হোসেন জানান, গত ১৯ জুলাই ক্লাস চলাকালে খলিশাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হালিমা খাতুন ৩৭ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মারাত্মক প্রহার করেন। অভিযোগে বলা হয়, অতিরিক্ত প্রহারের কারণে তাঁর মেয়ে ছুম্মা খাতুনের ডান হাতে গুরুতর ব্যথা হয় এবং সারা রাত সে যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিনও ব্যথা না কমায় ছুম্মা খাতুনকে অর্থোপেডিক সার্জন ডাক্তার মোন্নাফুর রহমানের কাছে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এখনো তার ব্যথা পুরোপুরি সেরে ওঠেনি বলে দাবি করেন আলম হোসেন।

আলম হোসেন লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে গত ২৭ জুলাই স্কুলের শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটিকে নিয়ে হালিমা খাতুনের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। প্রমাণাদি থাকার পরও তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং তাঁকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। এ ঘটনার পর থেকে অভিভাবকদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক হালিমা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাঁশ দিয়ে নয়, আমি বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মারছি। আমি ছুম্মা খাতুনকে মুন্নাফ ডাক্তারের কাছে নিয়ে চিকিৎসা করে ডাক্তারকে ফি এবং ঔষধও কিনে দিছি।’

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বুলবুলি খাতুন অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘মেয়েটাকে সত্যিই মেরেছেন শিক্ষক হালিমা খাতুন। মেয়েটার বাবা এসে মুন্নাফ ডাক্তারকে দিয়ে তাকে চিকিৎসা করাচ্ছেন।’

সাঁথিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ বিলাল বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছি। তদন্ত শেষ হলেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত