চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়নের বোয়াইলমারী উচ্চবিদ্যালয় ও বোয়াইলমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই। এতে বছরের বেশির ভাগ সময় জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। বিদ্যালয় দুটির শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মাঠে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতে পারে না।
গত বুধবার স্কুলের মাঠে গিয়ে জানা গেছে, এক বড় মাঠকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় দুটির অবস্থান। মাঠসহ আশপাশের রাস্তা ও কয়েকটি বাড়িঘর জলাবদ্ধতার শিকার। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থাই নেই। মাঠজুড়ে কাদা-পানি। প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সড়কের পাশে হলেও উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষের বারান্দা চলাচলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করছেন। বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাটসহ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনেকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি) কাছে আবেদন জানালেও কোনো ফল পায়নি স্থানীয়রা।
নবম শ্রেণির ছাত্র সোহাগ হোসেন বলে, মাঠে পানি জমে থাকার কারণে আমরা প্রায় সারা বছর স্কুলের মাঠে শরীরচর্চা করতে পারি না। দুপুরে টিফিনের সময় একটু খেলাধুলাও করতে পারি না। এমনকি স্কুল ছুটির সময় আমাদের অন্য ক্লাসের ওপর দিয়ে যেত হয়। মাঠ ব্যবহার করতে পারি না।
স্থানীয় লোকজন ও একাধিক শিক্ষক জানান, বিগত সরকারের সময় এই স্কুলের কোনো উন্নয়ন করা হয়নি। এলাকায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থা ভালো ছিল না। এই স্কুল ও এলাকার উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রাখেননি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।
বিএনপি নেতা ও বোয়াইলমারী গ্রামের বাসিন্দা রেজাউল করিম বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় চাটমোহর উপজেলায় বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ব্যাপক লুটপাট করা হয়েছে। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই স্কুলের অবকাঠামোসহ কোনো উন্নয়ন করা হয়নি।’
বিদ্যালয় মাঠের উন্নয়নের জন্য স্থানীয় সাবেক এমপির কাছে আবেদন জানালেও কোনো ফল মেলেনি বলে দাবি করেন বোয়াইলমারী হাইস্কুলের শিক্ষক হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘অনেকবার আমরা আওয়ামী লীগের সময়ের সাবেক এমপি মকবুল হোসেনের কাছে গিয়েছি। তিনি কোনো কথাই কানে তোলেননি। ছেলে-মেয়েদের চরম সমস্যা। মাঠে পানি জমে আছে। কোনো ধরনের খেলাধুলা বা অ্যাসেম্বলি করা যায় না।’
স্কুলের প্রধান শিক্ষক স ম এখলাস আহমেদ বলেন, ‘মাঠের চারদিকেই পানি। বের করার কোনো ব্যবস্থা নেই। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতে পারে না। টিফিনের সময় মাঠে বসতে পারে না। কী যে অবস্থা।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মগরেব আলী বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানি। আমাদের তো কিছু করার নেই। প্রশাসনসহ জনপ্রতিনিধিরাই এসবের সমাধান দিতে পারেন। তার পরও বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে আনব।’

পাবনার চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়নের বোয়াইলমারী উচ্চবিদ্যালয় ও বোয়াইলমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই। এতে বছরের বেশির ভাগ সময় জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। বিদ্যালয় দুটির শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মাঠে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতে পারে না।
গত বুধবার স্কুলের মাঠে গিয়ে জানা গেছে, এক বড় মাঠকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় দুটির অবস্থান। মাঠসহ আশপাশের রাস্তা ও কয়েকটি বাড়িঘর জলাবদ্ধতার শিকার। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থাই নেই। মাঠজুড়ে কাদা-পানি। প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সড়কের পাশে হলেও উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষের বারান্দা চলাচলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করছেন। বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাটসহ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনেকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি) কাছে আবেদন জানালেও কোনো ফল পায়নি স্থানীয়রা।
নবম শ্রেণির ছাত্র সোহাগ হোসেন বলে, মাঠে পানি জমে থাকার কারণে আমরা প্রায় সারা বছর স্কুলের মাঠে শরীরচর্চা করতে পারি না। দুপুরে টিফিনের সময় একটু খেলাধুলাও করতে পারি না। এমনকি স্কুল ছুটির সময় আমাদের অন্য ক্লাসের ওপর দিয়ে যেত হয়। মাঠ ব্যবহার করতে পারি না।
স্থানীয় লোকজন ও একাধিক শিক্ষক জানান, বিগত সরকারের সময় এই স্কুলের কোনো উন্নয়ন করা হয়নি। এলাকায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থা ভালো ছিল না। এই স্কুল ও এলাকার উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রাখেননি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।
বিএনপি নেতা ও বোয়াইলমারী গ্রামের বাসিন্দা রেজাউল করিম বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় চাটমোহর উপজেলায় বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ব্যাপক লুটপাট করা হয়েছে। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই স্কুলের অবকাঠামোসহ কোনো উন্নয়ন করা হয়নি।’
বিদ্যালয় মাঠের উন্নয়নের জন্য স্থানীয় সাবেক এমপির কাছে আবেদন জানালেও কোনো ফল মেলেনি বলে দাবি করেন বোয়াইলমারী হাইস্কুলের শিক্ষক হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘অনেকবার আমরা আওয়ামী লীগের সময়ের সাবেক এমপি মকবুল হোসেনের কাছে গিয়েছি। তিনি কোনো কথাই কানে তোলেননি। ছেলে-মেয়েদের চরম সমস্যা। মাঠে পানি জমে আছে। কোনো ধরনের খেলাধুলা বা অ্যাসেম্বলি করা যায় না।’
স্কুলের প্রধান শিক্ষক স ম এখলাস আহমেদ বলেন, ‘মাঠের চারদিকেই পানি। বের করার কোনো ব্যবস্থা নেই। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতে পারে না। টিফিনের সময় মাঠে বসতে পারে না। কী যে অবস্থা।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মগরেব আলী বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানি। আমাদের তো কিছু করার নেই। প্রশাসনসহ জনপ্রতিনিধিরাই এসবের সমাধান দিতে পারেন। তার পরও বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে আনব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে