প্রতিনিধি, বেড়া, (পাবনা)

কবি ছড়াকার ও বহু কালজয়ী গানের গীতিকার ফজল-এ-খোদা সস্ত্রীক করোনা আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তিনি বর্তমানে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ফজলে খোদা পাবনার কৃতি সন্তান। তিনি ১৯৪১ পাবনার বেড়া পৌর এলাকার বনগ্রাম মহল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন। ফজলে-এ-খোদা 'সালাম সালাম হাজার সালাম’সহ বহু দেশাত্মবোধক ও জনপ্রিয় গানের গীতিকার। শুধু তাই নয়, বিবিসির জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা গানের তালিকায় সেরা ২০ গানের মধ্যে ফজল-এ-খোদার লেখা ‘সালাম সালাম হাজার সালাম গানটি’ রয়েছে ১২ তম স্থানে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে তিনি সস্ত্রীক করোনা আক্রান্ত হয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর ছেলে সজীব জানান, মা কিছুটা সুস্থ হচ্ছেন কিন্তু বাবার অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে। বাবা-মার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
ফজল-এ-খোদা'র বহু কালজয়ী গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো-‘যে দেশেতে শাপলা শালুক ঝিলের জলে ভাসে’, ‘ভালোবাসার মূল্য কতো, আমি কিছু জানি না’, ‘কলসি কাঁধে ঘাটে যায় কোন রূপসী’, ‘বাসন্তী রং শাড়ি পরে কোন রমণী চলে যায়’, ‘আমি প্রদীপের মতো রাত জেগে জেগে’, ‘ভাবনা আমার আহত পাখির মতো’, ‘প্রেমের এক নাম জীবন’, ‘বউ কথা কও পাখির ডাকে ঘুম ভাঙরে’, ‘খোকন মণি রাগ করে না’।
ফজল এ খোদা বাংলাদেশ বেতারে ১৯৬৩ এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনে ১৯৬৪ সালে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ছড়াকার হিসেবে লেখালেখি শুরু করেছিলেন ফজল-এ-খোদা। দেশাত্মবোধক, আধুনিক, লোক সংগীত এবং ইসলামিক গান লিখে তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ঢাকা বেতারের সাবেক এই আঞ্চলিক পরিচালক শিশু কিশোরদের সংগঠন শাপলা শালুকের আসরের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।

কবি ছড়াকার ও বহু কালজয়ী গানের গীতিকার ফজল-এ-খোদা সস্ত্রীক করোনা আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তিনি বর্তমানে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ফজলে খোদা পাবনার কৃতি সন্তান। তিনি ১৯৪১ পাবনার বেড়া পৌর এলাকার বনগ্রাম মহল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন। ফজলে-এ-খোদা 'সালাম সালাম হাজার সালাম’সহ বহু দেশাত্মবোধক ও জনপ্রিয় গানের গীতিকার। শুধু তাই নয়, বিবিসির জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা গানের তালিকায় সেরা ২০ গানের মধ্যে ফজল-এ-খোদার লেখা ‘সালাম সালাম হাজার সালাম গানটি’ রয়েছে ১২ তম স্থানে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে তিনি সস্ত্রীক করোনা আক্রান্ত হয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর ছেলে সজীব জানান, মা কিছুটা সুস্থ হচ্ছেন কিন্তু বাবার অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে। বাবা-মার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
ফজল-এ-খোদা'র বহু কালজয়ী গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো-‘যে দেশেতে শাপলা শালুক ঝিলের জলে ভাসে’, ‘ভালোবাসার মূল্য কতো, আমি কিছু জানি না’, ‘কলসি কাঁধে ঘাটে যায় কোন রূপসী’, ‘বাসন্তী রং শাড়ি পরে কোন রমণী চলে যায়’, ‘আমি প্রদীপের মতো রাত জেগে জেগে’, ‘ভাবনা আমার আহত পাখির মতো’, ‘প্রেমের এক নাম জীবন’, ‘বউ কথা কও পাখির ডাকে ঘুম ভাঙরে’, ‘খোকন মণি রাগ করে না’।
ফজল এ খোদা বাংলাদেশ বেতারে ১৯৬৩ এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনে ১৯৬৪ সালে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ছড়াকার হিসেবে লেখালেখি শুরু করেছিলেন ফজল-এ-খোদা। দেশাত্মবোধক, আধুনিক, লোক সংগীত এবং ইসলামিক গান লিখে তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ঢাকা বেতারের সাবেক এই আঞ্চলিক পরিচালক শিশু কিশোরদের সংগঠন শাপলা শালুকের আসরের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে