পাবনা প্রতিনিধি

শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি সংকট নিরসনসহ ছয় দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ফার্মাসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। আজ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন শুরু হয়।
মানববন্ধনে ফার্মাসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে বিভাগের সংকটগুলো দ্রুত নিরসনের দাবি জানান। পরে প্রশাসন দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে মানববন্ধন শেষ হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগে শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ, ল্যাব, লাইব্রেরি সংকট রয়েছে। কিন্তু প্রশাসন এসব সমস্যা নিরসনের আশ্বাস দিলেও পূরণ করেনি। বিভাগে বিভিন্ন সমস্যা থাকার কারণে ১৮ আগস্ট বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল ফার্মাসি বিভাগে অনার্সে শিক্ষার্থী ভর্তির নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। যেটি বিভাগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। যার কারণে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় মানববন্ধন করতে নেমেছেন।
দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মারুফ আকন্দ বলেন, ‘আমাদের বিভাগে শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ, ল্যাব সংকটের সমস্যাগুলো অনেক দিনের। বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল ইতিমধ্যে আমাদের বিভাগে ভর্তি নিয়ে একটি আগাম বার্তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দিয়েছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষক সংকট, পাঁচটি ল্যাবরেটরি স্থাপন, প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সামগ্রী পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখা, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি তৈরি করতে না পারলে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ফার্মাসি বিভাগে ভর্তি হতে পারবেন না। এ নিয়ে আমরা এখন অস্তিত্ব সংকটে আছি।’
প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান ইমা বলেন, ‘আমাদের সাতটি ব্যাচের জন্য তিনজন শিক্ষক। একজন শিক্ষক প্রতি ব্যাচে দুটি করে কোর্স নিয়েও সব কোর্স সম্পন্ন করতে পারছেন না। আমাদের মাত্র একটা ক্লাসরুম আছে, এটা দিয়ে সাতটি ব্যাচের ক্লাস ঠিকভাবে চলছে না। আমাদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’
তবে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে বিব্রত বিভাগের শিক্ষকেরা। সহকারী অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা মাঠে নেমে আমাদের লজ্জায় ফেলেছে। অল্প কয়েকজন শিক্ষক নিয়ে আমরা দিন-রাত ওদের জন্য পরিশ্রম করে যাচ্ছি, যাতে তাদের কোনো সময় নষ্ট না হয়। এরপরও ওরা মাঠে নেমেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেছে।’
বিভাগের চেয়ারম্যান শরিফুল হক বলেন, ‘যে সমস্যাগুলো নিয়ে শিক্ষার্থীরা কথা বলেছেন—এটা শুধু আমাদের বিভাগের সমস্যা না, এটা একটা দেশীয় সমস্যা। এ সমস্যাগুলো সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে কমবেশি আছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আমাদের সমস্যাগুলোর বিষয়ে জানিয়েছি। প্রশাসনে যারা আছেন, তাঁরা আন্তরিকতার সঙ্গে বিষয়গুলো দেখছেন। আমরা আশা করি, উনারা সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান দেবেন।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হাফিজা খাতুন বলেন, ‘প্রায় সবগুলো বিভাগে বিভিন্ন সংকট রয়েছে। কেবল আমাদের নয়, নতুন সব বিশ্ববিদ্যালয়ের একই সংকট। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুততম সময়ে এসব সংকট কাটিয়ে ওঠার। ফার্মেসি কাউন্সিল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মাসি বিভাগের সংকট নিরসনের যে শর্তগুলো দিয়েছেন, আমরা সেগুলো নিয়ে অবগত আছি।’

শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি সংকট নিরসনসহ ছয় দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ফার্মাসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। আজ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন শুরু হয়।
মানববন্ধনে ফার্মাসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে বিভাগের সংকটগুলো দ্রুত নিরসনের দাবি জানান। পরে প্রশাসন দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে মানববন্ধন শেষ হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগে শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ, ল্যাব, লাইব্রেরি সংকট রয়েছে। কিন্তু প্রশাসন এসব সমস্যা নিরসনের আশ্বাস দিলেও পূরণ করেনি। বিভাগে বিভিন্ন সমস্যা থাকার কারণে ১৮ আগস্ট বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল ফার্মাসি বিভাগে অনার্সে শিক্ষার্থী ভর্তির নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। যেটি বিভাগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। যার কারণে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় মানববন্ধন করতে নেমেছেন।
দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মারুফ আকন্দ বলেন, ‘আমাদের বিভাগে শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষ, ল্যাব সংকটের সমস্যাগুলো অনেক দিনের। বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল ইতিমধ্যে আমাদের বিভাগে ভর্তি নিয়ে একটি আগাম বার্তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দিয়েছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষক সংকট, পাঁচটি ল্যাবরেটরি স্থাপন, প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সামগ্রী পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখা, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি তৈরি করতে না পারলে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ফার্মাসি বিভাগে ভর্তি হতে পারবেন না। এ নিয়ে আমরা এখন অস্তিত্ব সংকটে আছি।’
প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান ইমা বলেন, ‘আমাদের সাতটি ব্যাচের জন্য তিনজন শিক্ষক। একজন শিক্ষক প্রতি ব্যাচে দুটি করে কোর্স নিয়েও সব কোর্স সম্পন্ন করতে পারছেন না। আমাদের মাত্র একটা ক্লাসরুম আছে, এটা দিয়ে সাতটি ব্যাচের ক্লাস ঠিকভাবে চলছে না। আমাদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’
তবে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে বিব্রত বিভাগের শিক্ষকেরা। সহকারী অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা মাঠে নেমে আমাদের লজ্জায় ফেলেছে। অল্প কয়েকজন শিক্ষক নিয়ে আমরা দিন-রাত ওদের জন্য পরিশ্রম করে যাচ্ছি, যাতে তাদের কোনো সময় নষ্ট না হয়। এরপরও ওরা মাঠে নেমেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেছে।’
বিভাগের চেয়ারম্যান শরিফুল হক বলেন, ‘যে সমস্যাগুলো নিয়ে শিক্ষার্থীরা কথা বলেছেন—এটা শুধু আমাদের বিভাগের সমস্যা না, এটা একটা দেশীয় সমস্যা। এ সমস্যাগুলো সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে কমবেশি আছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আমাদের সমস্যাগুলোর বিষয়ে জানিয়েছি। প্রশাসনে যারা আছেন, তাঁরা আন্তরিকতার সঙ্গে বিষয়গুলো দেখছেন। আমরা আশা করি, উনারা সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান দেবেন।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হাফিজা খাতুন বলেন, ‘প্রায় সবগুলো বিভাগে বিভিন্ন সংকট রয়েছে। কেবল আমাদের নয়, নতুন সব বিশ্ববিদ্যালয়ের একই সংকট। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুততম সময়ে এসব সংকট কাটিয়ে ওঠার। ফার্মেসি কাউন্সিল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মাসি বিভাগের সংকট নিরসনের যে শর্তগুলো দিয়েছেন, আমরা সেগুলো নিয়ে অবগত আছি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে