চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম নজরুল ইসলাম (৬৭) আর নেই। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাতে তাঁর মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নজরুল ইসলাম স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
আতিকুর রহমান আতিক বলেন, আজ শুক্রবার বাদ জুমা চাটমোহর রাজা চন্দ্রনাথ ও বাবু সম্ভুনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের বালুচর খেলার মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা হবে। এরপর তাঁর নিজ গ্রাম হরিপুর ইউনিয়নের আগ শোয়াইল গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে লাশ দাফন করা হবে। তাঁর মৃত্যুর খবরে চাটমোহরসহ পাবনার রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হলে নজরুল ইসলামকে প্রথমে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে দ্রুত ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে মারা যান তিনি।
এদিকে নজরুল ইসলামের মৃত্যুতে পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম সামসুদ্দিন খবির, কে এম আনোয়ারুল ইসলাম, চাটমোহর পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন সাখো, সাবেক মেয়র আব্দুল মান্নান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নজরুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন।

পাবনার চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম নজরুল ইসলাম (৬৭) আর নেই। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাতে তাঁর মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নজরুল ইসলাম স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
আতিকুর রহমান আতিক বলেন, আজ শুক্রবার বাদ জুমা চাটমোহর রাজা চন্দ্রনাথ ও বাবু সম্ভুনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের বালুচর খেলার মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা হবে। এরপর তাঁর নিজ গ্রাম হরিপুর ইউনিয়নের আগ শোয়াইল গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে লাশ দাফন করা হবে। তাঁর মৃত্যুর খবরে চাটমোহরসহ পাবনার রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হলে নজরুল ইসলামকে প্রথমে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে দ্রুত ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে মারা যান তিনি।
এদিকে নজরুল ইসলামের মৃত্যুতে পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম সামসুদ্দিন খবির, কে এম আনোয়ারুল ইসলাম, চাটমোহর পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন সাখো, সাবেক মেয়র আব্দুল মান্নান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নজরুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৪ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৭ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৩৯ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে