বেড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচন নিয়ে পাবনার বেড়া উপজেলার ৪ নম্বর চাকলা ইউনিয়নে নির্বাচনী অফিসে ককটেল হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার রাতে ওই ইউনিয়নের পাচুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহম্মদ (৩০) ও সিমান্ত (২৫) নামের দুই নৌকাসমর্থক আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করছে বেড়া থানার পুলিশ।
এ ঘটনায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী সরদারকে দায়ী করছেন। অন্যদিকে ইদ্রিস আলী সরদার অভিযোগ অস্বীকার করে আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগ করেন চেয়ারম্যান ফারুকের বিরুদ্ধে।
জানা যায়, আগামী ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে চাকলা ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হিসেবে দুবারের নির্বাচিত বর্তমান চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী সরদার ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাওন আহম্মেদ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। গত সপ্তাহে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় পত্রে এই দুজনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই দিনই রাতে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পাচুরিয়া গ্রামে নৌকা প্রতীকের কার্যালয়ে একদল দুষ্কৃতকারী রাতের অন্ধকারে আগুন দেয়। এ ঘটনায় পরস্পরকে দোষারোপ করে অভিযোগ দেওয়া হয়।
নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা ফারুক হোসেন বলেন, ‘গতকাল রাত ৯টার দিকে পাচুরিয়া বাজারসংলগ্ন দাখিল মাদ্রাসা এলাকার নির্বাচনী অফিসে সভা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। সভা শুরুর পূর্বমুহূর্তে চারটি মোটরসাইকেলে করে একদল মুখোশধারী তাঁর সভায় ককটেল হামলা চালায়। তারা সেখানে পরপর চারটি ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়ে আমার দুই সমর্থক আহত হন।
ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা ইদ্রিস আলী সরদার বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ একটি নির্বাচনকে মাঠ দখলের নির্বাচনের দিকে এগিয়ে নিতে চেয়ারম্যান ফারুক ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে নানা ঘটনা ঘটিয়ে চলেছেন। ইউনিয়নবাসী ভোটের মাধ্যমে এর সমুচিত জবাব দেবেন।’
বেড়া থানার ওসি অরবিন্দ সরকার বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এনেছে। সেখান থেকে তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচন নিয়ে পাবনার বেড়া উপজেলার ৪ নম্বর চাকলা ইউনিয়নে নির্বাচনী অফিসে ককটেল হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার রাতে ওই ইউনিয়নের পাচুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহম্মদ (৩০) ও সিমান্ত (২৫) নামের দুই নৌকাসমর্থক আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করছে বেড়া থানার পুলিশ।
এ ঘটনায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী সরদারকে দায়ী করছেন। অন্যদিকে ইদ্রিস আলী সরদার অভিযোগ অস্বীকার করে আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগ করেন চেয়ারম্যান ফারুকের বিরুদ্ধে।
জানা যায়, আগামী ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে চাকলা ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হিসেবে দুবারের নির্বাচিত বর্তমান চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী সরদার ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাওন আহম্মেদ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। গত সপ্তাহে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় পত্রে এই দুজনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই দিনই রাতে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পাচুরিয়া গ্রামে নৌকা প্রতীকের কার্যালয়ে একদল দুষ্কৃতকারী রাতের অন্ধকারে আগুন দেয়। এ ঘটনায় পরস্পরকে দোষারোপ করে অভিযোগ দেওয়া হয়।
নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা ফারুক হোসেন বলেন, ‘গতকাল রাত ৯টার দিকে পাচুরিয়া বাজারসংলগ্ন দাখিল মাদ্রাসা এলাকার নির্বাচনী অফিসে সভা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। সভা শুরুর পূর্বমুহূর্তে চারটি মোটরসাইকেলে করে একদল মুখোশধারী তাঁর সভায় ককটেল হামলা চালায়। তারা সেখানে পরপর চারটি ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়ে আমার দুই সমর্থক আহত হন।
ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা ইদ্রিস আলী সরদার বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ একটি নির্বাচনকে মাঠ দখলের নির্বাচনের দিকে এগিয়ে নিতে চেয়ারম্যান ফারুক ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে নানা ঘটনা ঘটিয়ে চলেছেন। ইউনিয়নবাসী ভোটের মাধ্যমে এর সমুচিত জবাব দেবেন।’
বেড়া থানার ওসি অরবিন্দ সরকার বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এনেছে। সেখান থেকে তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে