
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কয়েক দিন ধরে উপকূলীয় এলাকায় জোয়ারের পানি ছিল অস্বাভাবিক উচ্চতায়। এরই মধ্যে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নিঝুম দ্বীপে ভেসে আসে এক জোড়া ডলফিন। তবে জোয়ারের পানি নামলেও স্রোতের টানে ডলফিন দুটি আটকা পড়ে মেঘনা নদীতীরবর্তী এলাকায়।
এ ঘটনাকে ঘিরে কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয়দের মধ্যে। ডলফিন দুটির সঙ্গে মেতে ওঠেন স্থানীয় জেলেরা। কেউ কেউ সেই দৃশ্য ভিডিও করে শেয়ার করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে।
ঘটনাটি ঘটে নিঝুম দ্বীপের বন্দরটিলা বাজারের পূর্ব পাশে মেঘনা নদীতে। ডলফিন দেখতে সেখানে ভিড় করেন বহু স্থানীয় বাসিন্দা।
বন্দরটিলা বাজারের ব্যবসায়ী বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘নিঝুম দ্বীপ ও দমারচরের মাঝখানে মেঘনা নদীতে জোয়ারের পানিতে ভেসে আসে দুটি ডলফিন। পরে ভাটার টানে তারা নদীর কিনারায় আটকে পড়ে। জেলেরা মাছ ধরতে গিয়ে প্রথমে ডলফিনগুলো দেখতে পান। খবর পেয়ে আমরাও ছুটে যাই। জেলেরা তাঁদের সাগরের দিকে পাঠানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। তবে পরের জোয়ারে ডলফিনগুলো সাগরে ফিরে যেতে সক্ষম হয়।’
এদিকে, গত তিন দিনের টানা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় জোয়ারের পানিতে একাধিকবার প্লাবিত হয়েছে নিঝুম দ্বীপসহ হাতিয়ার নিম্নাঞ্চল। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক রাস্তা ও ঘরবাড়ি। অনেক পরিবারে এখনো বন্ধ রয়েছে রান্নাবান্না। পানি নেমে গেলেও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

খুলনা মহনগরীর নিজ খামার এলাকা থেকে ৫টি অস্ত্র, ৯৬টি গুলিসহ সুরাইয়া নামের এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক ওই নারী সাতক্ষীরা সদর এলাকার বাসিন্দা।
১৫ মিনিট আগে
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ পর ডা. রেজওয়ানা রশিদ বাসা থেকে হাসপাতালে এসে পৌঁছান। এ সময় মন্ত্রী তাঁর অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি ছুটিতে থাকার কথা জানান। তবে ছুটির কোনো অনুমোদিত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
১৯ মিনিট আগে
শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে খালি ঘরে রেখে তার মা বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কিছু সময় পর ঘরে এসে দেখেন মেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে, আর তার নিম্নাঙ্গ থেকে রক্ত ঝরছে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার আসামি সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানকে ধিক্কার জানিয়ে ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমার মাসুম বাচ্চাকে দুধ খাওয়া থেকেও তোমরা বঞ্চিত করেছ। আমার স্ত্রী ওই চেয়ারে বসে এক দিনও শান্তি পায়নি।’
১ ঘণ্টা আগে