সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

‘আগামী নির্বাচনে যেকোনো মূল্যে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় বসাতে হবে। তা না হলে কোথায় আপনি যাবেন, কোথায় আমি যাব, কোথায় এমপি যাবে—কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। জামায়াত-বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে, ১ কোটি লোককে ওরা মেরে ফেলবে।’
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ কর্তৃক হত্যার হুমকির প্রতিবাদে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাহার উদ্দিন খেলন এসব কথা বলেন।
বাহার উদ্দিন খেলন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও স্পিকার আবদুল মালেক উকিলের ছোট ছেলে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক মহাপরিচালক ছিলেন।
বাহার উদ্দিন খেলন বলেন, সামনে নির্বাচন, আমরা নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে যাই। আমরা একজন আরেকজনকে কাদা ছোড়াছুড়ি না করি। জামায়াত-বিএনপি যদি আবার ক্ষমতায় আসে, ১ কোটি লোককে ওরা মেরে ফেলবে। আর কোনো দিন এখানে আওয়ামী লীগের কথা বলা যাবে না। আজকে তারা শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। এর আগেও ২১ বার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু গরিব মানুষের দোয়ায় শেখ হাসিনা বারবার ফিরে এসেছেন, ফিরে আসবেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বাবুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় সহসভাপতি মো. মিজানুর রহমান দীপকের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান দিপক, চরক্লার্ক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল বাসার ডিপটি, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন জাবেদ। উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবুল বাসার, সহসাধারণ সম্পাদক বাহার চৌধুরী, সহসাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন নিপু, চর জব্বার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ইয়াছিন আরাফাত, আওয়ামী লীগ নেতা বাবলু চৌধুরী, চরজুবলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নুর উদ্দিন বাবলু প্রমুখ।

‘আগামী নির্বাচনে যেকোনো মূল্যে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় বসাতে হবে। তা না হলে কোথায় আপনি যাবেন, কোথায় আমি যাব, কোথায় এমপি যাবে—কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। জামায়াত-বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে, ১ কোটি লোককে ওরা মেরে ফেলবে।’
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ কর্তৃক হত্যার হুমকির প্রতিবাদে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাহার উদ্দিন খেলন এসব কথা বলেন।
বাহার উদ্দিন খেলন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও স্পিকার আবদুল মালেক উকিলের ছোট ছেলে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক মহাপরিচালক ছিলেন।
বাহার উদ্দিন খেলন বলেন, সামনে নির্বাচন, আমরা নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে যাই। আমরা একজন আরেকজনকে কাদা ছোড়াছুড়ি না করি। জামায়াত-বিএনপি যদি আবার ক্ষমতায় আসে, ১ কোটি লোককে ওরা মেরে ফেলবে। আর কোনো দিন এখানে আওয়ামী লীগের কথা বলা যাবে না। আজকে তারা শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। এর আগেও ২১ বার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু গরিব মানুষের দোয়ায় শেখ হাসিনা বারবার ফিরে এসেছেন, ফিরে আসবেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বাবুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় সহসভাপতি মো. মিজানুর রহমান দীপকের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান দিপক, চরক্লার্ক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল বাসার ডিপটি, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন জাবেদ। উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবুল বাসার, সহসাধারণ সম্পাদক বাহার চৌধুরী, সহসাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন নিপু, চর জব্বার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ইয়াছিন আরাফাত, আওয়ামী লীগ নেতা বাবলু চৌধুরী, চরজুবলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নুর উদ্দিন বাবলু প্রমুখ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে