সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নিজ বাড়ির সামনে থেকে আব্দুল খালেক খাজা মিয়া (৭০) নামের এক বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে চরজব্বার থানার পুলিশ। আজ রোববার সকালে চরজব্বর ইউনিয়নের চররশিদ গ্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আলম ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত আব্দুল খালেক ওরফে খাজা মিয়া সুবর্ণচর উপজেলার চর জব্বর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর রশিদ গ্রামের মৃত আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি বাড়িতে থেকে কৃষিকাজের দেখাশোনা করতেন।
নিহতের স্ত্রী কমলা বেগম কাঞ্চন বলেন, ‘আমার স্বামী সন্ধ্যার সময় স্থানীয় কাঞ্চন বাজারে গিয়েছিলেন। আর ফেরেননি। খবর নিয়ে জানলাম তিনি রাত ৯টার দিকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। বাড়ি না ফেরায় আমরা খুব চিন্তিত ছিলাম। কাঞ্চন বাজারের পাশে মেয়েজামাইয়ের বাড়ি, ভেবেছিলাম হয়তো শরীর খারাপ হওয়ায় সেই বাড়িতে যেতে পারে। পরে ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ির সামনে গিয়ে দেখি স্বামীর গলাকাটা মরদেহ পড়ে আছে।’
নিহতের ছেলে গ্রাম পুলিশ খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমার বাবাকে কে বা কারা বাড়ির সামনে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করেছে। আমি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। এভাবে যেন কারও বাবা হারাতে না হয়, আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। ’
চরজব্বার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক বলেন, ‘বৃদ্ধ খাজা মিয়া একসময় স্থানীয় বাজারে চায়ের দোকানদার ছিলেন। স্ত্রী কমলা বেগম কাঞ্চনসহ নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। বড় ছেলে গ্রাম পুলিশ। সে পরিবার নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের পাশেই থাকে। অন্য ছেলেরাও পরিবার নিয়ে বাইরে থাকে। গতকাল শনিবার রাত ৯টার দিকে তিনি স্থানীয় কাঞ্চন বাজার থেকে প্রতিবেশী আরেক লোকের সঙ্গে বাড়ির দিকে এলেও ঘরে ফেরেননি। রোববার ভোরে তাঁর স্ত্রী ফজরের নামাজ পড়তে উঠে স্বামীকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সকাল ৬টার দিকে নিজ বাড়ির সামনে স্বামী খাজা মিয়ার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে থানা-পুলিশে খবর দেয়।’
চরজব্বর থানার ওসি কাওসার আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি নিজেই পুলিশের একাধিক দল নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে ঘটনাস্থল থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনসহ জড়িতদের আটক করার চেষ্টা চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত করে এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নিজ বাড়ির সামনে থেকে আব্দুল খালেক খাজা মিয়া (৭০) নামের এক বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে চরজব্বার থানার পুলিশ। আজ রোববার সকালে চরজব্বর ইউনিয়নের চররশিদ গ্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আলম ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত আব্দুল খালেক ওরফে খাজা মিয়া সুবর্ণচর উপজেলার চর জব্বর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর রশিদ গ্রামের মৃত আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি বাড়িতে থেকে কৃষিকাজের দেখাশোনা করতেন।
নিহতের স্ত্রী কমলা বেগম কাঞ্চন বলেন, ‘আমার স্বামী সন্ধ্যার সময় স্থানীয় কাঞ্চন বাজারে গিয়েছিলেন। আর ফেরেননি। খবর নিয়ে জানলাম তিনি রাত ৯টার দিকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। বাড়ি না ফেরায় আমরা খুব চিন্তিত ছিলাম। কাঞ্চন বাজারের পাশে মেয়েজামাইয়ের বাড়ি, ভেবেছিলাম হয়তো শরীর খারাপ হওয়ায় সেই বাড়িতে যেতে পারে। পরে ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ির সামনে গিয়ে দেখি স্বামীর গলাকাটা মরদেহ পড়ে আছে।’
নিহতের ছেলে গ্রাম পুলিশ খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমার বাবাকে কে বা কারা বাড়ির সামনে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করেছে। আমি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। এভাবে যেন কারও বাবা হারাতে না হয়, আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। ’
চরজব্বার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক বলেন, ‘বৃদ্ধ খাজা মিয়া একসময় স্থানীয় বাজারে চায়ের দোকানদার ছিলেন। স্ত্রী কমলা বেগম কাঞ্চনসহ নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। বড় ছেলে গ্রাম পুলিশ। সে পরিবার নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের পাশেই থাকে। অন্য ছেলেরাও পরিবার নিয়ে বাইরে থাকে। গতকাল শনিবার রাত ৯টার দিকে তিনি স্থানীয় কাঞ্চন বাজার থেকে প্রতিবেশী আরেক লোকের সঙ্গে বাড়ির দিকে এলেও ঘরে ফেরেননি। রোববার ভোরে তাঁর স্ত্রী ফজরের নামাজ পড়তে উঠে স্বামীকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সকাল ৬টার দিকে নিজ বাড়ির সামনে স্বামী খাজা মিয়ার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে থানা-পুলিশে খবর দেয়।’
চরজব্বর থানার ওসি কাওসার আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি নিজেই পুলিশের একাধিক দল নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে ঘটনাস্থল থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনসহ জড়িতদের আটক করার চেষ্টা চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত করে এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে