নোয়াখালী প্রতিনিধি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির (পীর সাহেব চরমোনাই) মুফতি সৈয়দ মুহা. রেজাউল করীম বলেছেন, ‘পরিস্থিতি এমন পর্যায় এসে দাঁড়িয়েছে যে, বিদেশি শক্তিগুলো বিভিন্ন ছুতোয় বাংলাদেশকে নানারকম নিষেধাজ্ঞার ভয় দেখাচ্ছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে, কেবলমাত্র ক্ষমতাসীনদের বিদেশ তোষণনীতির কারণে। এমতাবস্থায় সরকার ক্ষমতায় থাকার বৈধতা হারিয়ে ফেলেছে।’
আজ বুধবার নোয়াখালী জেলা (দক্ষিণ) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ ও ব্যর্থ নির্বাচন কমিশন বাতিল, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতির প্রবর্তন, বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ‘স্বাধীনতার মূল চেতনা-সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার আজ ভূলুণ্ঠিত। বর্তমান সরকার ভোটের নামে প্রহসন করে, ভোটকেন্দ্র দখল করে দিনের ভোট রাতে নিয়ে এবং ইভিএমের মাধ্যমে ডিজিটাল কারচুপি করে গোটা বিশ্বে বাংলাদেশকে লজ্জিত করেছে। এতে করে ক্ষমতাসীন সরকার জনবিচ্ছিন্ন একটি স্বৈর সরকারে পরিণত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন ঘিরে জনমনে ব্যাপক উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই। আগামী নির্বাচনেও যেন একচেটিয়াভাবে আবারও ক্ষমতায় আসা যায়, সরকার সে লক্ষ্যেই সব রকম পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই অবস্থায় জাতীয় সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’
মুফতি সৈয়দ মুহা. রেজাউল করীম আরও বলেন, ‘মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা আজ চরম হুমকির মুখে। অর্থনৈতিক সংকট দিন দিন ঘনীভূত হচ্ছে। বৈদেশিক ঋণ বৃদ্ধি, দেশীয় ব্যাংকের তারল্য সংকট এবং ডলার সংকট ও মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতিকে আজ পঙ্গু করে ফেলেছে। বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তির অশুভ প্রভাব; স্বাধীন রাষ্ট্রের সম্মান ক্ষুণ্ন করছে। তাই সরকারের পতন এখন সময়ের দাবি।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলা সভাপতি মাওলানা মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন–ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন ও মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ, কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ, নোয়াখালী উত্তর জেলা সভাপতি মাওলানা নজির আহমাদ প্রমুখ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির (পীর সাহেব চরমোনাই) মুফতি সৈয়দ মুহা. রেজাউল করীম বলেছেন, ‘পরিস্থিতি এমন পর্যায় এসে দাঁড়িয়েছে যে, বিদেশি শক্তিগুলো বিভিন্ন ছুতোয় বাংলাদেশকে নানারকম নিষেধাজ্ঞার ভয় দেখাচ্ছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে, কেবলমাত্র ক্ষমতাসীনদের বিদেশ তোষণনীতির কারণে। এমতাবস্থায় সরকার ক্ষমতায় থাকার বৈধতা হারিয়ে ফেলেছে।’
আজ বুধবার নোয়াখালী জেলা (দক্ষিণ) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ ও ব্যর্থ নির্বাচন কমিশন বাতিল, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতির প্রবর্তন, বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ‘স্বাধীনতার মূল চেতনা-সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার আজ ভূলুণ্ঠিত। বর্তমান সরকার ভোটের নামে প্রহসন করে, ভোটকেন্দ্র দখল করে দিনের ভোট রাতে নিয়ে এবং ইভিএমের মাধ্যমে ডিজিটাল কারচুপি করে গোটা বিশ্বে বাংলাদেশকে লজ্জিত করেছে। এতে করে ক্ষমতাসীন সরকার জনবিচ্ছিন্ন একটি স্বৈর সরকারে পরিণত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন ঘিরে জনমনে ব্যাপক উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। দেশে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই। আগামী নির্বাচনেও যেন একচেটিয়াভাবে আবারও ক্ষমতায় আসা যায়, সরকার সে লক্ষ্যেই সব রকম পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই অবস্থায় জাতীয় সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’
মুফতি সৈয়দ মুহা. রেজাউল করীম আরও বলেন, ‘মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা আজ চরম হুমকির মুখে। অর্থনৈতিক সংকট দিন দিন ঘনীভূত হচ্ছে। বৈদেশিক ঋণ বৃদ্ধি, দেশীয় ব্যাংকের তারল্য সংকট এবং ডলার সংকট ও মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতিকে আজ পঙ্গু করে ফেলেছে। বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তির অশুভ প্রভাব; স্বাধীন রাষ্ট্রের সম্মান ক্ষুণ্ন করছে। তাই সরকারের পতন এখন সময়ের দাবি।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলা সভাপতি মাওলানা মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন–ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন ও মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ, কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ, নোয়াখালী উত্তর জেলা সভাপতি মাওলানা নজির আহমাদ প্রমুখ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে