নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও সোনাইমুড়ী) আসনের সাংসদ এইচ এম ইব্রাহিম নিজ দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আমি হুকুম দিয়ে দিচ্ছি, দুষ্কৃতকারীদের গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেললে কিছুই হবে না। আপনার যদি পারেন গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলেন, আমি হুকুম দিয়ে দিছি।’ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ৫৩ সেকেন্ডের এমন একটি ভিডিও এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এমপির এমন আক্রমণাত্মক নির্দেশকে আইনশৃঙ্খলার জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখছেন স্থানীয় লোকজন।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর নির্বাচনী এলাকা সোনাইমুড়ীর দেওটি ইউনিয়নের মুহুরীগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে এসব কথা বলেন এমপি। এর আগে বিকেল সাড়ে ৫টায় ওই মাঠে দেওটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ এইচ এম ইব্রাহিম।
এমপি ইব্রাহিম বলেন, ‘দুষ্কৃতকারীদের যেখানেই পাবেন গণপিটুনি দিয়ে জায়গায় মেরে ফেলবেন। আমি হুকুম দিয়ে দিচ্ছি, এসব দুষ্কৃতকারীদের গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেললে কিছুই হবে না। যদি কেউ মামলা করে, আমি মামলার ১ নম্বর আসামি হব। আপনারা কি আমার কথা বুঝতে পারছেন? যদি পুলিশ না পারে, আমি আপনাদেরও বলে গেলাম যে আপনারা এ সমস্ত দুষ্কৃতকারীকে যারা সমাজের মানুষের ঘুম হারাম করে দিচ্ছে, যারা সমাজের মানুষকে অত্যাচার করছে, আপনারা তাদের পিটিয়ে মেরে ফেলবেন, তাতে কিছুই হবে না। সেই ঘটনায় যদি আসামি হতে হয়, আমি আসামি হব সেই ঘোষণা দিয়ে গেলাম।’
সভায় উপস্থিত থাকা আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা দেলোয়ার হোসেনকে বেঁচে থাকা অবস্থায় মোবাইলেসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিত এক যুবক। তাঁর মৃত্যুর পর এখন তার পরিবারের সদস্যদেরও হুমকি দিচ্ছে সেই যুবক। এসব বিষয়ে একাধিকবার পুলিশকে অবগত করা হলেও তাঁকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। সভাস্থলে এমপি উপস্থিত হওয়ার পর বিষয়টি তাঁকে অবগত করে স্থানীয় লোকজন। পরে এমপি বিষয়টি ওসিকে অবগত করেন এবং স্থানীয়দের এসব অভিযোগ ও পুলিশের দায়িত্বে অবহেলার সূত্র ধরে দুষ্কৃতকারীদের গণপিটুনি দেওয়ার কথা বলেন।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন মন্তব্য করেন, এমপি ইব্রাহিম প্রতিপক্ষের লোকজনকে উদ্দেশ্য করে এবং নিজ নেতাকর্মীদের উৎসাহ দিতে গিয়ে এমন আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন। তাঁর এমন বক্তব্যে উপজেলায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্মরণসভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন উর রশিদ, ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন শাকিল, আওয়ামী লীগ নেতা কিং মোজাম্মেল, আবুল খায়ের, জামাল উদ্দিন, বেলাল পাটোয়ারী প্রমুখ।
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন উর রশিদ বলেন, ‘তিনি যেহেতু সংসদ সদস্য, তাঁর নিরাপত্তায় আমাদের কাজ করতে হয়। স্টেজের বাইরে আমি ডিউটিতে ছিলাম। তিনি বক্তব্যে কী বলেছেন আমি ঠিক শুনতে পাইনি।’
এ বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও সোনাইমুড়ী) আসনের সাংসদ এইচ এম ইব্রাহিম নিজ দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আমি হুকুম দিয়ে দিচ্ছি, দুষ্কৃতকারীদের গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেললে কিছুই হবে না। আপনার যদি পারেন গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলেন, আমি হুকুম দিয়ে দিছি।’ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ৫৩ সেকেন্ডের এমন একটি ভিডিও এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এমপির এমন আক্রমণাত্মক নির্দেশকে আইনশৃঙ্খলার জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখছেন স্থানীয় লোকজন।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর নির্বাচনী এলাকা সোনাইমুড়ীর দেওটি ইউনিয়নের মুহুরীগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে এসব কথা বলেন এমপি। এর আগে বিকেল সাড়ে ৫টায় ওই মাঠে দেওটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ এইচ এম ইব্রাহিম।
এমপি ইব্রাহিম বলেন, ‘দুষ্কৃতকারীদের যেখানেই পাবেন গণপিটুনি দিয়ে জায়গায় মেরে ফেলবেন। আমি হুকুম দিয়ে দিচ্ছি, এসব দুষ্কৃতকারীদের গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেললে কিছুই হবে না। যদি কেউ মামলা করে, আমি মামলার ১ নম্বর আসামি হব। আপনারা কি আমার কথা বুঝতে পারছেন? যদি পুলিশ না পারে, আমি আপনাদেরও বলে গেলাম যে আপনারা এ সমস্ত দুষ্কৃতকারীকে যারা সমাজের মানুষের ঘুম হারাম করে দিচ্ছে, যারা সমাজের মানুষকে অত্যাচার করছে, আপনারা তাদের পিটিয়ে মেরে ফেলবেন, তাতে কিছুই হবে না। সেই ঘটনায় যদি আসামি হতে হয়, আমি আসামি হব সেই ঘোষণা দিয়ে গেলাম।’
সভায় উপস্থিত থাকা আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা দেলোয়ার হোসেনকে বেঁচে থাকা অবস্থায় মোবাইলেসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিত এক যুবক। তাঁর মৃত্যুর পর এখন তার পরিবারের সদস্যদেরও হুমকি দিচ্ছে সেই যুবক। এসব বিষয়ে একাধিকবার পুলিশকে অবগত করা হলেও তাঁকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। সভাস্থলে এমপি উপস্থিত হওয়ার পর বিষয়টি তাঁকে অবগত করে স্থানীয় লোকজন। পরে এমপি বিষয়টি ওসিকে অবগত করেন এবং স্থানীয়দের এসব অভিযোগ ও পুলিশের দায়িত্বে অবহেলার সূত্র ধরে দুষ্কৃতকারীদের গণপিটুনি দেওয়ার কথা বলেন।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন মন্তব্য করেন, এমপি ইব্রাহিম প্রতিপক্ষের লোকজনকে উদ্দেশ্য করে এবং নিজ নেতাকর্মীদের উৎসাহ দিতে গিয়ে এমন আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন। তাঁর এমন বক্তব্যে উপজেলায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্মরণসভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন উর রশিদ, ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন শাকিল, আওয়ামী লীগ নেতা কিং মোজাম্মেল, আবুল খায়ের, জামাল উদ্দিন, বেলাল পাটোয়ারী প্রমুখ।
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন উর রশিদ বলেন, ‘তিনি যেহেতু সংসদ সদস্য, তাঁর নিরাপত্তায় আমাদের কাজ করতে হয়। স্টেজের বাইরে আমি ডিউটিতে ছিলাম। তিনি বক্তব্যে কী বলেছেন আমি ঠিক শুনতে পাইনি।’
এ বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
২ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে