নীলফামারী প্রতিনিধি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের প্রশ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামী লীগের বাংলাদেশে ফিরে আসার সুযোগ নেই। তারা একটা কারণে আসবে, সেটা বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর জন্য।
আজ সোমবার (২৫ মে) নীলফামারী জেলার ছয়টি উপজেলা সফরের প্রথমভাগে ডোমার উপজেলার বাসস্ট্যান্ডে এক পথসভায় সারজিস এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘খুনি হাসিনা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য হাজারের ওপর মায়ের বুক খালি করেছে। ওই খুনির বিচার বাংলাদেশে হওয়া উচিত, ওই খুনির বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার তাদের জায়গা থেকে যেন চিন্তা না করে অন্য কারও হাতে দায়িত্ব দিয়ে চলে যাবে। আমরা এই বাংলাদেশে ওই খুনির বিচার দেখতে চাই। এই বাংলাদেশে যে আশাগুলো সামনে রেখে তরুণেরা রক্ত দিল, সেই সিস্টেমগুলোকে সংস্কার দেখতে চাই।’
সারজিস আরও বলেন, ‘আমাদের নিজেদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে—এমন কোনো অযৌত্তিক ও অপ্রাসঙ্গিক কথা যেন না বলি। এখন সরকারে যারা আছে, তারা সরাসরি কোনো দলের প্রতিনিধি না। তারা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর পরামর্শক্রমে তারা সরকারে জায়গা করে নিয়েছে।’

নির্বাচন প্রসঙ্গে সারজিস বলেন, নির্বাচন দ্রুত দিতে হবে, এটা কথা হতে পারে না। বরং কথা এটা হতে পারে যে নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু হওয়ার জন্য সামগ্রিক প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করে বিচার ও সংস্কার শেষে নির্বাচন হতে হবে।
এনসিপি নেতা সারজিস এর আগে উপজেলা শহরে গণসংযোগ করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, আলী নাছের খান, সাদিয়া ফারজানা দিনা, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবু সাঈদ লিওন প্রমুখ।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের প্রশ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামী লীগের বাংলাদেশে ফিরে আসার সুযোগ নেই। তারা একটা কারণে আসবে, সেটা বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর জন্য।
আজ সোমবার (২৫ মে) নীলফামারী জেলার ছয়টি উপজেলা সফরের প্রথমভাগে ডোমার উপজেলার বাসস্ট্যান্ডে এক পথসভায় সারজিস এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘খুনি হাসিনা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য হাজারের ওপর মায়ের বুক খালি করেছে। ওই খুনির বিচার বাংলাদেশে হওয়া উচিত, ওই খুনির বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার তাদের জায়গা থেকে যেন চিন্তা না করে অন্য কারও হাতে দায়িত্ব দিয়ে চলে যাবে। আমরা এই বাংলাদেশে ওই খুনির বিচার দেখতে চাই। এই বাংলাদেশে যে আশাগুলো সামনে রেখে তরুণেরা রক্ত দিল, সেই সিস্টেমগুলোকে সংস্কার দেখতে চাই।’
সারজিস আরও বলেন, ‘আমাদের নিজেদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে—এমন কোনো অযৌত্তিক ও অপ্রাসঙ্গিক কথা যেন না বলি। এখন সরকারে যারা আছে, তারা সরাসরি কোনো দলের প্রতিনিধি না। তারা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর পরামর্শক্রমে তারা সরকারে জায়গা করে নিয়েছে।’

নির্বাচন প্রসঙ্গে সারজিস বলেন, নির্বাচন দ্রুত দিতে হবে, এটা কথা হতে পারে না। বরং কথা এটা হতে পারে যে নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু হওয়ার জন্য সামগ্রিক প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করে বিচার ও সংস্কার শেষে নির্বাচন হতে হবে।
এনসিপি নেতা সারজিস এর আগে উপজেলা শহরে গণসংযোগ করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, আলী নাছের খান, সাদিয়া ফারজানা দিনা, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবু সাঈদ লিওন প্রমুখ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে