নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারী জেলা আইনজীবী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট বাবু অক্ষয় কুমার রায়।
আজ রোববার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। ভোট গণনা শেষে রাতে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার অ্যাডভোকেট আবু আহামেদ নুরুল জাকী।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক ১৪৩ ভোট পেয়ে পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক শাহ্ পান ৪৮ ভোট। অ্যাডভোকেট অক্ষয় কুমার রায় ১০০ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ পান ৯২ ভোট। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সহসভাপতি নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট আজাহারুল ইসলাম।
এছাড়াও ৮৯ ভোট পেয়ে সহসাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট কাজী ফয়েজ উল হক শিশির, ১০০ ভোট পেয়ে কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান শাসন, ১৩০ ভোট পেয়ে লাইব্রেরি সম্পাদক নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা (সজীব) এবং ৭০ ভোট পেয়ে ধর্ম ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট সায়েম আফরিদ মুমু।
কার্যকরী সদস্য নির্বাচিত হন—অ্যাডভোকেট এ. বি. এম জিকরুল হক বরকত, অ্যাডভোকেট মুজাক্কির বিন মর্তুজা (দূর্লভ চৌধুরী), অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী ভুট্টু, অ্যাডভোকেট আবু সায়েম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আল বরকত হোসেইন, অ্যাডভোকেট বাবু সুজয় চন্দ্র রায় ও অ্যাডভোকেট সামসুজ্জোহা (জোহা)।
নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডভোকেট আশরাফুল আরেফিন চৌধুরীর ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডভোকেট বাবু অসিত কুমার ধর।

নীলফামারী জেলা আইনজীবী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট বাবু অক্ষয় কুমার রায়।
আজ রোববার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। ভোট গণনা শেষে রাতে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার অ্যাডভোকেট আবু আহামেদ নুরুল জাকী।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক ১৪৩ ভোট পেয়ে পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক শাহ্ পান ৪৮ ভোট। অ্যাডভোকেট অক্ষয় কুমার রায় ১০০ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ পান ৯২ ভোট। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সহসভাপতি নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট আজাহারুল ইসলাম।
এছাড়াও ৮৯ ভোট পেয়ে সহসাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট কাজী ফয়েজ উল হক শিশির, ১০০ ভোট পেয়ে কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান শাসন, ১৩০ ভোট পেয়ে লাইব্রেরি সম্পাদক নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা (সজীব) এবং ৭০ ভোট পেয়ে ধর্ম ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট সায়েম আফরিদ মুমু।
কার্যকরী সদস্য নির্বাচিত হন—অ্যাডভোকেট এ. বি. এম জিকরুল হক বরকত, অ্যাডভোকেট মুজাক্কির বিন মর্তুজা (দূর্লভ চৌধুরী), অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী ভুট্টু, অ্যাডভোকেট আবু সায়েম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আল বরকত হোসেইন, অ্যাডভোকেট বাবু সুজয় চন্দ্র রায় ও অ্যাডভোকেট সামসুজ্জোহা (জোহা)।
নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডভোকেট আশরাফুল আরেফিন চৌধুরীর ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডভোকেট বাবু অসিত কুমার ধর।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে