Ajker Patrika

নীলফামারীতে পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়, বিক্রেতাদের কাছ থেকেও নেওয়া হচ্ছে চাঁদা

মাসুদ পারভেজ রুবেল, ডিমলা (নীলফামারী)
নীলফামারীতে পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়, বিক্রেতাদের কাছ থেকেও নেওয়া হচ্ছে চাঁদা
পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় পক্ষের কাছ থেকেই অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে ইজারাদার। ছবি: আজকের পত্রিকা

ঈদুল আজহা সামনে রেখে নীলফামারী জেলার বিভিন্ন পশুর হাটে কোরবানির পশুর কেনাবেচা জমে উঠেছে। তবে এই ব্যস্ততার মধ্যেই সরকারি নিয়ম অমান্য করে অতিরিক্ত হাসিল আদায় এবং বিক্রেতাদের কাছ থেকেও রসিদ ছাড়া টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইজারাদারদের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে জেলার জলঢাকা হাট, মীরগঞ্জ, ডোমারের বসুনিয়া ও নীলফামারী সদর পৌরসভা হাট ঘুরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, কোরবানির পশুর হাটে গরুপ্রতি ক্রেতার কাছ থেকে ৬০০ টাকা হাসিল নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন হাটে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এ ছাড়া বিক্রেতাদের কাছ থেকেও রসিদ ছাড়া ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।

ক্রেতারা অভিযোগ করেন, হাটে কোথাও সরকারি মূল্যতালিকা টাঙানো নেই। গরু কেনার পর ইজারাদারের লোকজন অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন। রসিদে সরকার নির্ধারিত টাকার উল্লেখ থাকলেও বাড়তি টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে না।

বিক্রেতারাও অভিযোগ করেন, কষ্ট করে পশু লালন-পালন করে হাটে আনার পর বিক্রির সময় তাঁদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা কেটে রাখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইজারাদারদের প্রতিনিধিরা বলেন, হাট পরিচালনায় সরকারি খরচের বাইরে আরও আনুষঙ্গিক ব্যয় থাকে। সে কারণেই কিছু অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে।

জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি এবং ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ বলেন, সরকার নির্ধারিত হারের বাইরে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের সুযোগ নেই। অভিযোগ পেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের নিয়মিত বাজার তদারকি ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত