ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডিমলায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যদের সম্মানী ভাতা আত্মসাতের অভিযোগে পশ্চিম ছাতনাই ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক সরকারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
গতকাল বুধবার নীলফামারীর আমলি (ডিমলা) আদালতে মামলাটি করেন ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম।
এরপর আদালতের বিচারক মেহেদি হাসান মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। তবে ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১২ জুলাইয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী একজন ইউপি সদস্য সরকার থেকে প্রতি মাসে সম্মানী ভাতা হিসেবে ৩ হাজার ৬০০ টাকা এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৪ হাজার ৪০০ টাকা পাবেন।
২০২২ সালের মার্চ মাসে হাট-বাজার থেকে পাওয়া পৌনে ছয় লাখ টাকা ইউপি সদস্যদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় দেখানো হয়। কিন্তু সদস্য মামনুর রশিদ, নুর ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলম নির্বাচিত হওয়ায় এক বছর পার হলেও এ পর্যন্ত তাঁরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোনো সম্মানী ভাতা পাননি।
মামলার আরজিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইউপি সদস্যরা টাকা চাইলেই চেয়ারম্যান টালবাহানা করেন। ভাতার বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে অস্বীকার করে চেয়ারম্যান আনোয়ার প্রতারণামূলক সদস্যদের ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।
এ বিষয়ে মামলার বাদী ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ও নুর হোসেন বলেন, ‘চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক নিয়ম মোতাবেক পরিষদ চালান না। তিনি আমাদের সই জাল করে সম্মানী ভাতা আত্মসাৎ করেছেন। তাই মামলা করেছি।’
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল সরকারের বিরুদ্ধে আদালত মামলাটি নিয়েছেন। আদালতের বিচারক তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে পশ্চিম ছাতনাই ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন না। ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের অভিযোগ ভিত্তিহীন।

নীলফামারীর ডিমলায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যদের সম্মানী ভাতা আত্মসাতের অভিযোগে পশ্চিম ছাতনাই ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক সরকারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
গতকাল বুধবার নীলফামারীর আমলি (ডিমলা) আদালতে মামলাটি করেন ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম।
এরপর আদালতের বিচারক মেহেদি হাসান মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। তবে ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১২ জুলাইয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী একজন ইউপি সদস্য সরকার থেকে প্রতি মাসে সম্মানী ভাতা হিসেবে ৩ হাজার ৬০০ টাকা এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৪ হাজার ৪০০ টাকা পাবেন।
২০২২ সালের মার্চ মাসে হাট-বাজার থেকে পাওয়া পৌনে ছয় লাখ টাকা ইউপি সদস্যদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় দেখানো হয়। কিন্তু সদস্য মামনুর রশিদ, নুর ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলম নির্বাচিত হওয়ায় এক বছর পার হলেও এ পর্যন্ত তাঁরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোনো সম্মানী ভাতা পাননি।
মামলার আরজিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইউপি সদস্যরা টাকা চাইলেই চেয়ারম্যান টালবাহানা করেন। ভাতার বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে অস্বীকার করে চেয়ারম্যান আনোয়ার প্রতারণামূলক সদস্যদের ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।
এ বিষয়ে মামলার বাদী ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ও নুর হোসেন বলেন, ‘চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক নিয়ম মোতাবেক পরিষদ চালান না। তিনি আমাদের সই জাল করে সম্মানী ভাতা আত্মসাৎ করেছেন। তাই মামলা করেছি।’
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল সরকারের বিরুদ্ধে আদালত মামলাটি নিয়েছেন। আদালতের বিচারক তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে পশ্চিম ছাতনাই ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন না। ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের অভিযোগ ভিত্তিহীন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে