ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ‘দুর্নীতিবাজ রুবাইয়াত ইমতিয়াজকে হটাও, তিস্তা প্রজেক্ট বাঁচাও’, ‘দুর্নীতিবাজ রুবায়েত ইমতিয়াজের চামচা বড়বাবু শরিফুলকে হটাও, তিস্তা যান্ত্রিক বিভাগ বাঁচাও’ পোস্টার লাগিয়ে এক নির্বাহী প্রকৌশলীর অপসারণের দাবি করা হয়েছে। অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে এমন আন্দোলন করছেন এলাকাবাসী ও ঠিকাদাররা।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (যান্ত্রিক বিভাগ) নির্বাহী প্রকৌশলী রুবায়েত ইমতিয়াজ ও বড়বাবু শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে এমন প্রতিবাদের পোস্টার ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের চারপাশে লাগানো হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, ডালিয়া পাউবোর যান্ত্রিক বিভাগের প্রকৌশলী রুবায়েত ইমতিয়াজ প্রায় ৮ বছর ধরে একই শাখায় কর্মরত থাকায় এখন তাঁর দাপটে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টরা। পোস্টারে তাঁর দুর্নীতির সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও ঠিকাদারেরা।
পোস্টারে উল্লেখ করা হয়, প্রকৌশলী রুবায়েত ইমতিয়াজ সব সময় দাপটের সঙ্গে নানা অনিয়ম করে চলেছেন। ঠিকাদারি কাজ ঠিকাদারের নামে নিজেই করেন। সরকারি গুদামের কোটি কোটি টাকার মালামাল চুরি করে আত্মসাৎ করেছেন তিনি। আউটসোর্সিং নিয়োগের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া, অধস্তনদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানি করাসহ দীর্ঘদিন একই দপ্তরে থাকায় সিন্ডিকেট তৈরি করে অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত থাকা, সরকারি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করা ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন দিবসে অংশগ্রহণ না করার অভিযোগ করা হয়।
আর এসব কাজে তাঁকে সহযোগিতা করছেন অফিসের বড়বাবু শরিফুল ইসলাম। পোস্টারে অবিলম্বে ডালিয়া থেকে এই কর্মকর্তার অপসারণ ও তাঁর দুর্নীতি-অনিয়মের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
এর আগে জরুরি কাজের নামে পুরোনো তারখুটি দিয়ে মাত্র ৫০ হাজার টাকা খরচে ডালিয়া পাউবোর বৈদ্যুতিক লাইন সংস্কার করা হয়। এ কাজে অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ৩০ লাখ টাকা বিল ভাউচার করেন প্রকৌশলী রুবায়েত। তিস্তা ব্যারাজের সৌন্দর্য বৃদ্ধির কাজে অর্থ লোপাটের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সানব্লাস্টিং মেশিনসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ব্যারেজ রং করার কথা থাকলেও শ্রমিকের মাধ্যমে হাত দিয়ে দায়সারাভাবে রং করে, ঠিকাদারের যোগসাজশে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রকৌশলী রুবায়েত ইমতিয়াজ।
এসব বিষয়ে আজকের পত্রিকাসহ একাধিক জাতীয় পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও ব্যবস্থা নেয়নি পাউবো কর্তৃপক্ষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ঠিকাদার ও অফিস সূত্র জানায়, প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি নিয়মিত অফিসেও আসেন না। কাজ না করেও বিল-ভাউচার বানিয়ে টাকা উত্তোলন করেন।
ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পছন্দের ঠিকাদারকে একাধিক কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। ডালিয়া পাউবোর বড়বাবু শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাকে বদলি করার জন্য কিছু লোক মিথ্যা বদনাম ছড়াচ্ছে।;
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রকৌশলী রুবায়েত ইমতিয়াজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা। কিছু স্থানীয় ঠিকাদার ষড়যন্ত্র করে এসব পোস্টার লাগিয়েছে। যারা পোস্টার লাগিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পছন্দের ঠিকাদারকে একাধিক কাজ দেওয়ার বিষয়ে বলেন, যাঁদের যোগ্যতা আছে তাঁরাই কাজ পান।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ‘দুর্নীতিবাজ রুবাইয়াত ইমতিয়াজকে হটাও, তিস্তা প্রজেক্ট বাঁচাও’, ‘দুর্নীতিবাজ রুবায়েত ইমতিয়াজের চামচা বড়বাবু শরিফুলকে হটাও, তিস্তা যান্ত্রিক বিভাগ বাঁচাও’ পোস্টার লাগিয়ে এক নির্বাহী প্রকৌশলীর অপসারণের দাবি করা হয়েছে। অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে এমন আন্দোলন করছেন এলাকাবাসী ও ঠিকাদাররা।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (যান্ত্রিক বিভাগ) নির্বাহী প্রকৌশলী রুবায়েত ইমতিয়াজ ও বড়বাবু শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে এমন প্রতিবাদের পোস্টার ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের চারপাশে লাগানো হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, ডালিয়া পাউবোর যান্ত্রিক বিভাগের প্রকৌশলী রুবায়েত ইমতিয়াজ প্রায় ৮ বছর ধরে একই শাখায় কর্মরত থাকায় এখন তাঁর দাপটে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টরা। পোস্টারে তাঁর দুর্নীতির সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও ঠিকাদারেরা।
পোস্টারে উল্লেখ করা হয়, প্রকৌশলী রুবায়েত ইমতিয়াজ সব সময় দাপটের সঙ্গে নানা অনিয়ম করে চলেছেন। ঠিকাদারি কাজ ঠিকাদারের নামে নিজেই করেন। সরকারি গুদামের কোটি কোটি টাকার মালামাল চুরি করে আত্মসাৎ করেছেন তিনি। আউটসোর্সিং নিয়োগের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া, অধস্তনদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানি করাসহ দীর্ঘদিন একই দপ্তরে থাকায় সিন্ডিকেট তৈরি করে অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত থাকা, সরকারি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করা ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন দিবসে অংশগ্রহণ না করার অভিযোগ করা হয়।
আর এসব কাজে তাঁকে সহযোগিতা করছেন অফিসের বড়বাবু শরিফুল ইসলাম। পোস্টারে অবিলম্বে ডালিয়া থেকে এই কর্মকর্তার অপসারণ ও তাঁর দুর্নীতি-অনিয়মের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
এর আগে জরুরি কাজের নামে পুরোনো তারখুটি দিয়ে মাত্র ৫০ হাজার টাকা খরচে ডালিয়া পাউবোর বৈদ্যুতিক লাইন সংস্কার করা হয়। এ কাজে অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ৩০ লাখ টাকা বিল ভাউচার করেন প্রকৌশলী রুবায়েত। তিস্তা ব্যারাজের সৌন্দর্য বৃদ্ধির কাজে অর্থ লোপাটের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সানব্লাস্টিং মেশিনসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ব্যারেজ রং করার কথা থাকলেও শ্রমিকের মাধ্যমে হাত দিয়ে দায়সারাভাবে রং করে, ঠিকাদারের যোগসাজশে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রকৌশলী রুবায়েত ইমতিয়াজ।
এসব বিষয়ে আজকের পত্রিকাসহ একাধিক জাতীয় পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও ব্যবস্থা নেয়নি পাউবো কর্তৃপক্ষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ঠিকাদার ও অফিস সূত্র জানায়, প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি নিয়মিত অফিসেও আসেন না। কাজ না করেও বিল-ভাউচার বানিয়ে টাকা উত্তোলন করেন।
ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পছন্দের ঠিকাদারকে একাধিক কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। ডালিয়া পাউবোর বড়বাবু শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাকে বদলি করার জন্য কিছু লোক মিথ্যা বদনাম ছড়াচ্ছে।;
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রকৌশলী রুবায়েত ইমতিয়াজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা। কিছু স্থানীয় ঠিকাদার ষড়যন্ত্র করে এসব পোস্টার লাগিয়েছে। যারা পোস্টার লাগিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পছন্দের ঠিকাদারকে একাধিক কাজ দেওয়ার বিষয়ে বলেন, যাঁদের যোগ্যতা আছে তাঁরাই কাজ পান।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে