সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাংলাদেশ অ্যাসেম্বলিজ অব গডের একটি চার্চ (গির্জা) দখলচেষ্টার অভিযোগে উঠেছে জাতীয় পার্টির (জাপা) এক নেতার বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরা।
আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সৈয়দপুর প্রেসক্লাবের সামনে শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন গির্জাটির ফাদার (পালক) সুজন সরকার ও নীলফামারী সদর উপজেলার গির্জার ফাদার দয়াল ঋষি।
ফাদার সুজন সরকার বলেন, সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে কয়া গোলাহাট এলাকার কয়া পশ্চিমপাড়ায় ২০১৬ সালে সাড়ে ১২ শতক একটি নিচু জমি কেনা হয়। পরে তা ভরাটের করে ২০২০ সালে গড়ে তোলা হয় এ জি চার্চ। এরপর সেখানে নিয়মিত প্রার্থনাসহ সব ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছে স্থানীয় শতাধিক খ্রিষ্টান। কিন্তু সম্প্রতি সৈয়দপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ঠিকাদার জয়নাল আবেদীন ওই জমি নিজের দাবি করে চার্চের একতলা ভবনসহ জবরদখল করে নেন।
নীলফামারী সদর উপজেলার গির্জার ফাদার দয়াল ঋষি বলেন, ‘গত ৫ ফেব্রুয়ারি উল্লিখিত স্থানে ইট, বালু, রড এনে অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ নেন তিনি। এতে বাধা দিলে তাঁর বাহিনী আমাদের ওপর চড়াও হয়। আমরা পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে পুলিশ এসে কাজ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু পুলিশ চলে যাওয়ার পর আবারও কাজ শুরু করেন তিনি। চার্চ দখল করায় আমরা উপাসনা করতে পারছি না। এ বিষয়ে আমরা সৈয়দপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তারপরও কাজ বন্ধ করেননি তিনি। তাই নিরুপায় হয়ে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছি আমরা। প্রার্থনালয় দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
অভিযোগের ব্যাপারে জাতীয় পার্টির সৈয়দপুর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘জমিটি মূল মালিকের কাছ থেকে আমি আমার ছেলের নামে কিনে সেখানে স্থাপনা গড়ে তুলছি।’
এ ব্যাপারে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহা আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাংলাদেশ অ্যাসেম্বলিজ অব গডের একটি চার্চ (গির্জা) দখলচেষ্টার অভিযোগে উঠেছে জাতীয় পার্টির (জাপা) এক নেতার বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরা।
আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সৈয়দপুর প্রেসক্লাবের সামনে শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন গির্জাটির ফাদার (পালক) সুজন সরকার ও নীলফামারী সদর উপজেলার গির্জার ফাদার দয়াল ঋষি।
ফাদার সুজন সরকার বলেন, সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে কয়া গোলাহাট এলাকার কয়া পশ্চিমপাড়ায় ২০১৬ সালে সাড়ে ১২ শতক একটি নিচু জমি কেনা হয়। পরে তা ভরাটের করে ২০২০ সালে গড়ে তোলা হয় এ জি চার্চ। এরপর সেখানে নিয়মিত প্রার্থনাসহ সব ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছে স্থানীয় শতাধিক খ্রিষ্টান। কিন্তু সম্প্রতি সৈয়দপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ঠিকাদার জয়নাল আবেদীন ওই জমি নিজের দাবি করে চার্চের একতলা ভবনসহ জবরদখল করে নেন।
নীলফামারী সদর উপজেলার গির্জার ফাদার দয়াল ঋষি বলেন, ‘গত ৫ ফেব্রুয়ারি উল্লিখিত স্থানে ইট, বালু, রড এনে অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ নেন তিনি। এতে বাধা দিলে তাঁর বাহিনী আমাদের ওপর চড়াও হয়। আমরা পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে পুলিশ এসে কাজ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু পুলিশ চলে যাওয়ার পর আবারও কাজ শুরু করেন তিনি। চার্চ দখল করায় আমরা উপাসনা করতে পারছি না। এ বিষয়ে আমরা সৈয়দপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তারপরও কাজ বন্ধ করেননি তিনি। তাই নিরুপায় হয়ে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছি আমরা। প্রার্থনালয় দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
অভিযোগের ব্যাপারে জাতীয় পার্টির সৈয়দপুর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘জমিটি মূল মালিকের কাছ থেকে আমি আমার ছেলের নামে কিনে সেখানে স্থাপনা গড়ে তুলছি।’
এ ব্যাপারে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহা আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪৩ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে