নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ঈদে বাড়ি ফেরা যাত্রীবাহী পিকআপ আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় চাঁদাবাজদের ছুরিকাঘাতে দুই যাত্রী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
আজ বুধবার মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গতকাল সকালে উপজেলার সামাইকোনা এলাকায় কংশ নদের সেতুর ঢালে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে। সেতুটি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের ধর্মপাশাকে সংযুক্ত করেছে।
মামলার আসামি হলেন মোহনগঞ্জ উপজেলার কলুংকা গ্রামের নুর মিয়ার ছেলে মো. সাইকুল ইসলাম (২২), একই গ্রামের সবুজ মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া (২১), জানু মিয়ার ছেলে মো. বিজয় মিয়া (২০), আ. ওয়াহাবের ছেলে মো. রফিক মিয়া (২২) ও রঙ্গু মিয়ার ছেলে মো. রাসেল মিয়া (২২)। এ ছাড়া মামলায় আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
এদিকে অভিযোগকারী গাড়িচালক তোফায়েল আহম্মেদ পরাণের বাড়ি বারহাট্টা উপজেলার ভাবনীকোনা গ্রামে।
মামলার অভিযোগ, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে পরাণ তাঁর ব্যক্তিগত পিকআপে করে যাত্রী পরিবহন করছিলেন। গতকাল সকালে ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে ধর্মপাশার উদ্দেশে রওনা হন। পথে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের সামাইকোনা সেতুর ওপর পৌঁছালে কয়েকজন যুবক তাঁর গাড়ি থামায়। তাঁরা ১০০ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চালকের আসনে থাকা পরাণকে গাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে মারধর করে তারা। এ সময় যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে তাঁদের ওপর হামলা চালায় ওই চাঁদাবাজেরা। এতে দুই যাত্রী জখম হন।
আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার বারঘর নোয়াগাঁও গ্রামের মো. পবিন মিয়া (২৫) এবং সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মো. রিয়াজিবুর রহমান (৩৩)। পরে তাঁদের উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এদিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চাইলে ধর্মপাশা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় গতকাল রাতে পিকআপের চালক পরাণ বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
পিকআপের চালক পরাণ বলেন, ‘ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে মঙ্গলবার সকালে মোহনগঞ্জের সামাইকোনা সেতুর ওপর উঠতেই ১০-১২ জন যুবক গাড়ি থামায়। তারা আগে থেকেই এই সড়কে ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে আসা গাড়ি আটকে চাঁদা তুলছিল। তারা ১০০ টাকা চাঁদা চাইলে আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। কিসের টাকা জানতে চাইলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে অশালীন ভাষায় গালাগাল শুরু করে। একপর্যায়ে চালকের আসান থেকে টেনে বের করে আমাকে মারধর করে। এতে যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর হামলা চালায় চাঁদাবাজেরা। হামলায় ছুরিকাঘাতে দুই যাত্রীর মাথা কেটে জখম হয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।’
মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছে। তবে তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ঈদে বাড়ি ফেরা যাত্রীবাহী পিকআপ আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় চাঁদাবাজদের ছুরিকাঘাতে দুই যাত্রী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
আজ বুধবার মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গতকাল সকালে উপজেলার সামাইকোনা এলাকায় কংশ নদের সেতুর ঢালে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে। সেতুটি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের ধর্মপাশাকে সংযুক্ত করেছে।
মামলার আসামি হলেন মোহনগঞ্জ উপজেলার কলুংকা গ্রামের নুর মিয়ার ছেলে মো. সাইকুল ইসলাম (২২), একই গ্রামের সবুজ মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া (২১), জানু মিয়ার ছেলে মো. বিজয় মিয়া (২০), আ. ওয়াহাবের ছেলে মো. রফিক মিয়া (২২) ও রঙ্গু মিয়ার ছেলে মো. রাসেল মিয়া (২২)। এ ছাড়া মামলায় আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
এদিকে অভিযোগকারী গাড়িচালক তোফায়েল আহম্মেদ পরাণের বাড়ি বারহাট্টা উপজেলার ভাবনীকোনা গ্রামে।
মামলার অভিযোগ, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে পরাণ তাঁর ব্যক্তিগত পিকআপে করে যাত্রী পরিবহন করছিলেন। গতকাল সকালে ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে ধর্মপাশার উদ্দেশে রওনা হন। পথে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের সামাইকোনা সেতুর ওপর পৌঁছালে কয়েকজন যুবক তাঁর গাড়ি থামায়। তাঁরা ১০০ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চালকের আসনে থাকা পরাণকে গাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে মারধর করে তারা। এ সময় যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে তাঁদের ওপর হামলা চালায় ওই চাঁদাবাজেরা। এতে দুই যাত্রী জখম হন।
আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার বারঘর নোয়াগাঁও গ্রামের মো. পবিন মিয়া (২৫) এবং সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মো. রিয়াজিবুর রহমান (৩৩)। পরে তাঁদের উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এদিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চাইলে ধর্মপাশা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় গতকাল রাতে পিকআপের চালক পরাণ বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
পিকআপের চালক পরাণ বলেন, ‘ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে মঙ্গলবার সকালে মোহনগঞ্জের সামাইকোনা সেতুর ওপর উঠতেই ১০-১২ জন যুবক গাড়ি থামায়। তারা আগে থেকেই এই সড়কে ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে আসা গাড়ি আটকে চাঁদা তুলছিল। তারা ১০০ টাকা চাঁদা চাইলে আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। কিসের টাকা জানতে চাইলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে অশালীন ভাষায় গালাগাল শুরু করে। একপর্যায়ে চালকের আসান থেকে টেনে বের করে আমাকে মারধর করে। এতে যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর হামলা চালায় চাঁদাবাজেরা। হামলায় ছুরিকাঘাতে দুই যাত্রীর মাথা কেটে জখম হয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।’
মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছে। তবে তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে