নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের একটি সরকারি বিলের আধিপত্য নিয়ে উপজেলার সরাপাড়া ও কামারগাঁও গ্রামের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার ৬ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ এনে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় একপক্ষ। এদিকে আজ শুক্রবার দুপুরে আরেক পক্ষ সহস্রাধিক হাঁস বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগ এনে থানায় পাল্টা অভিযোগ দেয়।
দুপক্ষের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কামারগাঁও গ্রাম সংলগ্ন ৪ দশমিক ৩৬ একর আয়তনের নোয়াটিয়া সরকারি বিলটি দীর্ঘদিন যাবৎ কামারগাঁও গ্রামের লোকজন ভোগদখল করে আসছিলেন। এরই মধ্যে চলতি বছর এপ্রিল মাসে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিলটি তিন বছরের জন্য সরাপাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নামে লিজ দেয় উপজেলা ভূমি অফিস। লিজ দেওয়ার পর প্রশাসন কামারগাঁও গ্রামের লোকজনকে বিল থেকে উচ্ছেদ করে লিজ গ্রহণকারীদের বিল বুঝিয়ে দেয়।
লিজ গ্রহণকারীরা বিলে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা ছেড়ে পরিচর্যা করে আসছিলেন। তবে বিলটি লিজ নেওয়ার পর থেকেই কামারগাঁও গ্রামের পলাশ মিয়া, জাহাঙ্গীর, দিকুল ইসলাম, শাহ আলমসহ গ্রামটির লোকজন বিল থেকে লিজ গ্রহণকারীদের উচ্ছেদ করতে নানা রকম পাঁয়তারাসহ অবৈধভাবে বিলের মাছ ধরে আসছিলেন।
এ বিষয়ে কামারগাঁও গ্রামের লোকজনকে কয়েকবার সতর্ক করে স্থানীয় প্রশাসন। সর্বশেষ গত বুধবার (১ নভেম্বর) সকালে পূর্ব নোটিশের মাধ্যমে উভয় পক্ষকে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে জরুরি সভা করা হয়। সভায় কামারগাঁও গ্রামের লোকজনকে বিলে মাছ ধরতে নিষেধ করা হয়। 
এরই মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে লিজ গ্রহণকারীরা বিলে গেলে সব মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখতে পায়। পরে বিলটিতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ এনে ওই দিনই কামারগাঁও গ্রামের পলাশ মিয়া ও ফরিদ মিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন রেহান মিয়া।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিলের জমিতে খাবার খেতে কামারগাঁও গ্রামের ফরিদ মিয়া তাঁর দুই সহস্রাধিক হাঁস ছেড়ে দিয়ে আসেন। পরে হাঁসগুলো বিকেলে আনতে গেলে তিনি অন্তত সহস্রাধিক হাঁস মরে পড়ে থাকতে দেখেন। এ ঘটনায় বিষ প্রয়োগে হাঁসগুলো হত্যার অভিযোগ এনে আজ শুক্রবার দুপুরে ফরিদ মিয়া বাদী হয়ে সরাপাড়া গ্রামের রেহান মিয়াসহ নয়জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
সরাপাড়া গ্রামের রেহান মিয়া বলেন, ‘বিলটি লিজ নেওয়ার পর থেকেই ফরিদ মিয়াসহ কামারগাঁও গ্রামের লোকজন বিল থেকে আমাদের উচ্ছেদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে নানারকম ষড়যন্ত্র করে আসছে। তারা রাতে আমাদের বিলে বিষ দিয়ে ৬ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে। এখন উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে।’
কামারগাঁও গ্রামের ফরিদ মিয়া বলেন, ‘নোয়াটিয়া বিলের লিজ গ্রহণকারী সরাপাড়া গ্রামের রেহান মিয়া এবং তাঁর লোকজন বিলের পতিত জমিতে বিষ প্রয়োগের কারণেই আমার ৪ লাখ টাকার সহস্রাধিক হাঁস মরেছে।’
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল হক বলেন, ‘দুপক্ষের অভিযোগই পেয়েছি। অভিযোগগুলোর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাবেরী জালাল বলেন, ‘বিলটি নিয়ে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে সৃষ্ট জটিলতা আমরা সমাধান দিয়েছিলাম। কামারগাঁও গ্রামের লোকজন বিল থেকে একটি খাল খনন করেছেন। আমরা খালের মুখ বন্ধ করতেও বলেছি। কিন্তু তারা তা শুনছে না। এখন দুপক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছে। আবারও উভয় পক্ষকে নিয়ে বিষয়টি অচিরেই সমাধান করব।’

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের একটি সরকারি বিলের আধিপত্য নিয়ে উপজেলার সরাপাড়া ও কামারগাঁও গ্রামের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার ৬ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ এনে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় একপক্ষ। এদিকে আজ শুক্রবার দুপুরে আরেক পক্ষ সহস্রাধিক হাঁস বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগ এনে থানায় পাল্টা অভিযোগ দেয়।
দুপক্ষের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কামারগাঁও গ্রাম সংলগ্ন ৪ দশমিক ৩৬ একর আয়তনের নোয়াটিয়া সরকারি বিলটি দীর্ঘদিন যাবৎ কামারগাঁও গ্রামের লোকজন ভোগদখল করে আসছিলেন। এরই মধ্যে চলতি বছর এপ্রিল মাসে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিলটি তিন বছরের জন্য সরাপাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নামে লিজ দেয় উপজেলা ভূমি অফিস। লিজ দেওয়ার পর প্রশাসন কামারগাঁও গ্রামের লোকজনকে বিল থেকে উচ্ছেদ করে লিজ গ্রহণকারীদের বিল বুঝিয়ে দেয়।
লিজ গ্রহণকারীরা বিলে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা ছেড়ে পরিচর্যা করে আসছিলেন। তবে বিলটি লিজ নেওয়ার পর থেকেই কামারগাঁও গ্রামের পলাশ মিয়া, জাহাঙ্গীর, দিকুল ইসলাম, শাহ আলমসহ গ্রামটির লোকজন বিল থেকে লিজ গ্রহণকারীদের উচ্ছেদ করতে নানা রকম পাঁয়তারাসহ অবৈধভাবে বিলের মাছ ধরে আসছিলেন।
এ বিষয়ে কামারগাঁও গ্রামের লোকজনকে কয়েকবার সতর্ক করে স্থানীয় প্রশাসন। সর্বশেষ গত বুধবার (১ নভেম্বর) সকালে পূর্ব নোটিশের মাধ্যমে উভয় পক্ষকে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে জরুরি সভা করা হয়। সভায় কামারগাঁও গ্রামের লোকজনকে বিলে মাছ ধরতে নিষেধ করা হয়। 
এরই মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে লিজ গ্রহণকারীরা বিলে গেলে সব মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখতে পায়। পরে বিলটিতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ এনে ওই দিনই কামারগাঁও গ্রামের পলাশ মিয়া ও ফরিদ মিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন রেহান মিয়া।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিলের জমিতে খাবার খেতে কামারগাঁও গ্রামের ফরিদ মিয়া তাঁর দুই সহস্রাধিক হাঁস ছেড়ে দিয়ে আসেন। পরে হাঁসগুলো বিকেলে আনতে গেলে তিনি অন্তত সহস্রাধিক হাঁস মরে পড়ে থাকতে দেখেন। এ ঘটনায় বিষ প্রয়োগে হাঁসগুলো হত্যার অভিযোগ এনে আজ শুক্রবার দুপুরে ফরিদ মিয়া বাদী হয়ে সরাপাড়া গ্রামের রেহান মিয়াসহ নয়জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
সরাপাড়া গ্রামের রেহান মিয়া বলেন, ‘বিলটি লিজ নেওয়ার পর থেকেই ফরিদ মিয়াসহ কামারগাঁও গ্রামের লোকজন বিল থেকে আমাদের উচ্ছেদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে নানারকম ষড়যন্ত্র করে আসছে। তারা রাতে আমাদের বিলে বিষ দিয়ে ৬ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে। এখন উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে।’
কামারগাঁও গ্রামের ফরিদ মিয়া বলেন, ‘নোয়াটিয়া বিলের লিজ গ্রহণকারী সরাপাড়া গ্রামের রেহান মিয়া এবং তাঁর লোকজন বিলের পতিত জমিতে বিষ প্রয়োগের কারণেই আমার ৪ লাখ টাকার সহস্রাধিক হাঁস মরেছে।’
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল হক বলেন, ‘দুপক্ষের অভিযোগই পেয়েছি। অভিযোগগুলোর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাবেরী জালাল বলেন, ‘বিলটি নিয়ে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে সৃষ্ট জটিলতা আমরা সমাধান দিয়েছিলাম। কামারগাঁও গ্রামের লোকজন বিল থেকে একটি খাল খনন করেছেন। আমরা খালের মুখ বন্ধ করতেও বলেছি। কিন্তু তারা তা শুনছে না। এখন দুপক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছে। আবারও উভয় পক্ষকে নিয়ে বিষয়টি অচিরেই সমাধান করব।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে