দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

নেত্রকোনার দুর্গাপুর সোমেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ১৬ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল শনিবার সোমেশ্বরী নদীর বালুমহালে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম রকিবুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গভীর রাতে সোমেশ্বরী নদীর বালুমহাল থেকে ট্রলার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। অভিযান চালিয়ে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে ১৬ জনের প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।’
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের রামবাড়ী গ্রামের বোরহান উদ্দিন (১৮), মো. আলম হোসেন (২২), মো. আবু হানিফ (১৮), মো. হাবিলুল মিয়া (২০), মো. শরিফুল ইসলাম (১৮), উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের মো. আল মামুন (২০), মো. মাসুম (২৬), একই ইউনিয়নের ইশ্বরখোলা গ্রামের মো. আনাস মিয়া (৩২), মো. সাকিব হোসেন (১৮), মো. শহীদুল ইসলাম (২১), মো. হারুন রশীদ (৩৫), মো. রাসেল (২৯), মো. বাদশা মিয়া (৩৭), মো. হোসেন আলী (৪৪), একই ইউনিয়নের দক্ষিণ শংকরপুর গ্রামের মো. শামীম (২৯) ও মো. আনারুল বিশ্বাস (২৬)।
জানা গেছে, দুর্গাপুর উপজেলায় মোট পাঁচটি বালু মহাল রয়েছে। সেগুলো আইনি জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ রয়েছে। তবে একটি চক্র রাতের আঁধারে ট্রলারের মাধ্যমে ড্রেজিং করে অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে। গতকাল গভীর রাতে সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে ১৬ জনকে আটক হয়। পরে তাঁদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করে উপজেলা প্রশাসন। সেই সঙ্গে উত্তোলন করা প্রায় ১১শ ফুট বালু জব্দ করা হয়েছে।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম রাসেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডপ্রাপ্তদের থানায় সোপর্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। তাদের কারাগারে প্রেরণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

নেত্রকোনার দুর্গাপুর সোমেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ১৬ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল শনিবার সোমেশ্বরী নদীর বালুমহালে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম রকিবুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গভীর রাতে সোমেশ্বরী নদীর বালুমহাল থেকে ট্রলার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। অভিযান চালিয়ে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে ১৬ জনের প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।’
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের রামবাড়ী গ্রামের বোরহান উদ্দিন (১৮), মো. আলম হোসেন (২২), মো. আবু হানিফ (১৮), মো. হাবিলুল মিয়া (২০), মো. শরিফুল ইসলাম (১৮), উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের মো. আল মামুন (২০), মো. মাসুম (২৬), একই ইউনিয়নের ইশ্বরখোলা গ্রামের মো. আনাস মিয়া (৩২), মো. সাকিব হোসেন (১৮), মো. শহীদুল ইসলাম (২১), মো. হারুন রশীদ (৩৫), মো. রাসেল (২৯), মো. বাদশা মিয়া (৩৭), মো. হোসেন আলী (৪৪), একই ইউনিয়নের দক্ষিণ শংকরপুর গ্রামের মো. শামীম (২৯) ও মো. আনারুল বিশ্বাস (২৬)।
জানা গেছে, দুর্গাপুর উপজেলায় মোট পাঁচটি বালু মহাল রয়েছে। সেগুলো আইনি জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ রয়েছে। তবে একটি চক্র রাতের আঁধারে ট্রলারের মাধ্যমে ড্রেজিং করে অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে। গতকাল গভীর রাতে সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে ১৬ জনকে আটক হয়। পরে তাঁদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করে উপজেলা প্রশাসন। সেই সঙ্গে উত্তোলন করা প্রায় ১১শ ফুট বালু জব্দ করা হয়েছে।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম রাসেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডপ্রাপ্তদের থানায় সোপর্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। তাদের কারাগারে প্রেরণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে