নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার পূর্বধলায় বাড়ির পাশে খেলা করার সময় রাকেল নামে এক শিশুকে মারধর করে প্রতিবেশী ছেলেরা। এ ঘটনার বিচার চাইতে গেলে রাকেলের মা ছালেমা খাতুনকেও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে প্রতিপক্ষের লোকজন। পরে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে মারা যান ছালেমা।
উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের বাড়হা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হত্যার শিকার ছালেমা খাতুন (৩২) বাড়হা উত্তরপাড়া গ্রামের মো. আব্দুল বারেকের স্ত্রী।
এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের আজ শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার অভিযোগ, পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ৮ জানুয়ারি বিকেলে ছালেমার ছেলে রাকেল মিয়া (১০) প্রতিবেশী বাচ্চাদের সঙ্গে বাড়ির পূর্বপাশে মাঠে গোল্লাচুট খেলাতে যায়। খেলাধুলার একপর্যায়ে একই গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে রমজান মিয়া ওরফে জুনাইদ রাকেলকে মারধর করে।
পরে রাকেল বিষয়টি তার মা ছালেমাকে জানালে ছেলেকে মারধরের বিচার চাইতে প্রতিবেশীর বাড়িতে যান তিনি। ওই সময় প্রতিবেশী হেলাল মিয়ার স্ত্রী খাদিজা খাতুন ঝাড়ু দিয়া ছালেমাকে মারধর করেন।
এ সময় হেলাল মিয়াসহ তাঁর ছেলে শাহিন মিয়া, মোসলেম উদ্দিনের ছেলে আলাল মিয়ার এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষিতে জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ছালেমা। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরবর্তীকালে ছালেমাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হলে নিজ বাড়িতে গতকাল রাত ১১টার দিকে বুকের ব্যথা উঠে মারা যান।
এ ঘটনার খবর পেয়ে পূর্বধলা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং পাঁচজনকে আটক করে। এ বিষয়ে নিহত ছালেমার বাবা সাদত আলী বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় একটি মামলা করেন। এতে খাদিজা খাতুনসহ আটজনের নামউল্লেখসহ আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
পূর্বধলা থানার ওসি মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, খাদিজা খাতুনসহ আটক পাঁচজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে ঘটনা তদন্তের পাশাপাশি অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।

নেত্রকোনার পূর্বধলায় বাড়ির পাশে খেলা করার সময় রাকেল নামে এক শিশুকে মারধর করে প্রতিবেশী ছেলেরা। এ ঘটনার বিচার চাইতে গেলে রাকেলের মা ছালেমা খাতুনকেও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে প্রতিপক্ষের লোকজন। পরে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে মারা যান ছালেমা।
উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের বাড়হা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হত্যার শিকার ছালেমা খাতুন (৩২) বাড়হা উত্তরপাড়া গ্রামের মো. আব্দুল বারেকের স্ত্রী।
এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের আজ শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার অভিযোগ, পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ৮ জানুয়ারি বিকেলে ছালেমার ছেলে রাকেল মিয়া (১০) প্রতিবেশী বাচ্চাদের সঙ্গে বাড়ির পূর্বপাশে মাঠে গোল্লাচুট খেলাতে যায়। খেলাধুলার একপর্যায়ে একই গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে রমজান মিয়া ওরফে জুনাইদ রাকেলকে মারধর করে।
পরে রাকেল বিষয়টি তার মা ছালেমাকে জানালে ছেলেকে মারধরের বিচার চাইতে প্রতিবেশীর বাড়িতে যান তিনি। ওই সময় প্রতিবেশী হেলাল মিয়ার স্ত্রী খাদিজা খাতুন ঝাড়ু দিয়া ছালেমাকে মারধর করেন।
এ সময় হেলাল মিয়াসহ তাঁর ছেলে শাহিন মিয়া, মোসলেম উদ্দিনের ছেলে আলাল মিয়ার এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষিতে জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ছালেমা। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরবর্তীকালে ছালেমাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হলে নিজ বাড়িতে গতকাল রাত ১১টার দিকে বুকের ব্যথা উঠে মারা যান।
এ ঘটনার খবর পেয়ে পূর্বধলা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং পাঁচজনকে আটক করে। এ বিষয়ে নিহত ছালেমার বাবা সাদত আলী বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় একটি মামলা করেন। এতে খাদিজা খাতুনসহ আটজনের নামউল্লেখসহ আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
পূর্বধলা থানার ওসি মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, খাদিজা খাতুনসহ আটক পাঁচজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে ঘটনা তদন্তের পাশাপাশি অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে