নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় স্ত্রী তালাক দেওয়ায় অ্যাসিড ছুড়ে মুখ ঝলসে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্বামী হুমায়ুন কবির বাকিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নেত্রকোনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (কেন্দুয়া আমলী আদালত) বিচারক শাহরিয়ার সামস্ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ দিন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন হুমায়ুন কবির। বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এনামুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্ত হুমায়ুন কবির বাকি উপজেলার মাসকা ইউপির মাসকা গ্রামের মৃত জুবেদ আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী হাফসা আক্তার একই উপজেলার ব্রাম্মনজাত গ্রামের ফজলুর রহমান খানের মেয়ে হাফসা আক্তার। হাফসা আক্তার গত শনিবার রাতে বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৭ বছর আগে হাফসা আক্তারের সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের বিয়ে হয়। বিয়ের পর কিছুদিন ভালো গেলেও স্বামীর শারীরিক অক্ষমতার কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়। এইভাবে কেটে যায় প্রায় ১৭ বছর। দেড় মাস ধরে দাম্পত্যকলহের মাত্রা বেড়েছে যায়। ঈদুল আজহার পরদিন হাফসা আক্তার তাঁর বাবার বাড়িতে চলে যান। একপর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার কাজী অফিসে গিয়ে স্বামীকে তালাক দেন। এই খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে পরদিন রাতে বাড়িতে গিয়ে হাফসার মুখে অ্যাসিড ছুড়ে মারেন হুমায়ুন। এতে তার মুখের এক পাশ ঝলসে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠান।
ভুক্তভোগী হাফসা আক্তার বলেন, ‘বিয়ের পর স্বামীর শারীরিক সমস্যা ধরা পড়ে। ১৭ বছর দাম্পত্যজীবনে সন্তান হয়নি। তাকে বারবার বলার পরে সে চিকিৎসা করে না। উল্টো আমাকে বেধড়ক মারপিট করে। তার সঙ্গেও বাড়ির লোকজনও নির্যাতন করত। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার দেনদরবার হয়েছে। চেষ্টা করেও তার সঙ্গে সংসার করতে পারছিলাম না। তার পৈশাচিক আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে বৃহস্পতিবার কাজী অফিসের মাধ্যমে তাকে তালাক দিই। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়। শুক্রবার রাতে মায়ের সঙ্গে একসঙ্গে খাবার খেতে বসি। এ সময় হুমায়ুন সিরিজ দিয়ে আমার নাকেমুখে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে সে পালিয়ে যায়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
ভুক্তভোগী হাফসা আক্তারের খালা প্রীতি খান বলেন, চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন হাফসার মুখে অ্যাসিড ছোড়া হয়েছে। এতে তাঁর মুখের একপাশ ও গলার অনেকটা অংশ ঝলসে গেছে। ঝলসানো মুখ কখনো আগের মতো হবে না। আপাতত সুস্থ হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। হাফসা এখনো সেখানে ভর্তি রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘বিয়ের পর হাফসা জানতে পারে তার স্বামীর শারীরিক সমস্যা রয়েছে। চিকিৎসার জন্য বললেও তিনি কোনো চিকিৎসা নেননি। উল্টো হাফসাকে নির্যাতন করেছে। তবে মেয়েটা ভালো বিধায় ১৭ বছর অপেক্ষা করেছে। আমরা এ ঘটনার যথাযথ বিচার চাই।’
কেন্দুয়া থানার ওসি এনামুল হক বলেন, ঘটনার পরপরই হুমায়ুন কবির এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। আজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত হুমায়ুন কবিরের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় স্ত্রী তালাক দেওয়ায় অ্যাসিড ছুড়ে মুখ ঝলসে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্বামী হুমায়ুন কবির বাকিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নেত্রকোনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (কেন্দুয়া আমলী আদালত) বিচারক শাহরিয়ার সামস্ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ দিন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন হুমায়ুন কবির। বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এনামুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্ত হুমায়ুন কবির বাকি উপজেলার মাসকা ইউপির মাসকা গ্রামের মৃত জুবেদ আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী হাফসা আক্তার একই উপজেলার ব্রাম্মনজাত গ্রামের ফজলুর রহমান খানের মেয়ে হাফসা আক্তার। হাফসা আক্তার গত শনিবার রাতে বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৭ বছর আগে হাফসা আক্তারের সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের বিয়ে হয়। বিয়ের পর কিছুদিন ভালো গেলেও স্বামীর শারীরিক অক্ষমতার কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়। এইভাবে কেটে যায় প্রায় ১৭ বছর। দেড় মাস ধরে দাম্পত্যকলহের মাত্রা বেড়েছে যায়। ঈদুল আজহার পরদিন হাফসা আক্তার তাঁর বাবার বাড়িতে চলে যান। একপর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার কাজী অফিসে গিয়ে স্বামীকে তালাক দেন। এই খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে পরদিন রাতে বাড়িতে গিয়ে হাফসার মুখে অ্যাসিড ছুড়ে মারেন হুমায়ুন। এতে তার মুখের এক পাশ ঝলসে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠান।
ভুক্তভোগী হাফসা আক্তার বলেন, ‘বিয়ের পর স্বামীর শারীরিক সমস্যা ধরা পড়ে। ১৭ বছর দাম্পত্যজীবনে সন্তান হয়নি। তাকে বারবার বলার পরে সে চিকিৎসা করে না। উল্টো আমাকে বেধড়ক মারপিট করে। তার সঙ্গেও বাড়ির লোকজনও নির্যাতন করত। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার দেনদরবার হয়েছে। চেষ্টা করেও তার সঙ্গে সংসার করতে পারছিলাম না। তার পৈশাচিক আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে বৃহস্পতিবার কাজী অফিসের মাধ্যমে তাকে তালাক দিই। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়। শুক্রবার রাতে মায়ের সঙ্গে একসঙ্গে খাবার খেতে বসি। এ সময় হুমায়ুন সিরিজ দিয়ে আমার নাকেমুখে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে সে পালিয়ে যায়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
ভুক্তভোগী হাফসা আক্তারের খালা প্রীতি খান বলেন, চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন হাফসার মুখে অ্যাসিড ছোড়া হয়েছে। এতে তাঁর মুখের একপাশ ও গলার অনেকটা অংশ ঝলসে গেছে। ঝলসানো মুখ কখনো আগের মতো হবে না। আপাতত সুস্থ হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। হাফসা এখনো সেখানে ভর্তি রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘বিয়ের পর হাফসা জানতে পারে তার স্বামীর শারীরিক সমস্যা রয়েছে। চিকিৎসার জন্য বললেও তিনি কোনো চিকিৎসা নেননি। উল্টো হাফসাকে নির্যাতন করেছে। তবে মেয়েটা ভালো বিধায় ১৭ বছর অপেক্ষা করেছে। আমরা এ ঘটনার যথাযথ বিচার চাই।’
কেন্দুয়া থানার ওসি এনামুল হক বলেন, ঘটনার পরপরই হুমায়ুন কবির এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। আজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত হুমায়ুন কবিরের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে