দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী ও নেতাই নদীর পানি বেড়ে ৪০ গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এসব অঞ্চলের পানিবন্দী মানুষের দৈনন্দিন কাজ-কর্ম ব্যাহত হচ্ছে। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে সোমেশ্বরী নদীর পানি বাড়লেও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই নদীর দুর্গাপুর পয়েন্টে গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আজ রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত ৫০ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। বর্তমানে নদীর পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সোমেশ্বরী ও পার্শ্ববর্তী নেতাই নদীর পানি প্রবেশ করে উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের বন্দউষান, আটলা, পূর্বনন্দেরছটি, হাতিমারাকান্দা, ভাদুয়া, নাওধারা, জাগিরপাড়া, দক্ষিণ জাগিরপাড়া, মুন্সিপাড়া, গাঁওকান্দিয়া, শ্রীপুর, জাঙালিয়াকান্দা, শংকরপুর, তাঁতিরকোনা, বিশ্বনাথপুর, আদমপুর, কান্দাপাড়া ও কালাগোনা গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
কুল্লাগড়া ইউনিয়নের বিলকাঁকড়াকান্দা, দৌলতপুর, পলাশগড়া, বংশীপাড়া, গাইমারা, কাকৈরগড়া ইউনিয়নের, গোদারিয়া, বিলাশপুর, লক্ষ্মীপুর, রামবাড়ি, দুর্গাশ্রম এবং চণ্ডীগড় ইউনিয়নের সাতাশি, চারিখাল, নীলাখালী ও ফুলপুর গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বাকলজোড়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এতে উপজেলার ৫ পাঁচ ইউনিয়নের প্রায় ৪০ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
আজ রোববার সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন সড়ক, মাঠ-ঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক স্কুল-মাদ্রাসা ও ঘর-বাড়ির চারপাশে পানি। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। গবাদিপশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন মানুষ। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট।
গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের মুহাম্মদ তালুকদার বলেন, আমাদের চলাচলের রাস্তায় কমর পানি, যেভাবে পানি বাড়ছে তাতে ভয় হচ্ছে ঘরে না উঠে যায়।
চণ্ডীগড় ইউনিয়নের সাতাশী গ্রামের বাসিন্দা মাসুদুর রহমান ফকির বলেন, আমাদের গ্রামে অনেক মানুষ পানিবন্দী। রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় হাট-বাজারেও যেতে পারছি না।
বাকলজোড়া ইউনিয়নের বাকলজোড়া গ্রামের ইউপি সদস্য মো. আবু তাহের বলেন, আমাদের ইউনিয়নে ফসলি জমির ৮০ ভাগ পানির নিচে। তা ছাড়া চলাচলের প্রায় সব রাস্তা পানির নিচে। যেভাবে পানি বাড়ছে তাতে ঘরে পানি ঢুকে যাবে মনে হচ্ছে।
গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য শহিদুল ইসলাম জানান, পানি বেড়েই চলছে, ইতিমধ্যে অনেকের ঘরের ভেতরে পানি উঠে গেছে। সবাই অনেক আতঙ্কে আছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও-ভারপ্রাপ্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নিম্নাঞ্চলের অনেক মানুষ পানিবন্দী। আমাদের পক্ষ থেকে গতকাল শনিবার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের পানিবন্দী এলাকা পরিদর্শন করে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তা অব্যাহত রয়েছে।
জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান বলেন, বৃষ্টি আর উজানের ঢলের পানিতে জেলার নদ-নদীর পানি বেড়ে চলেছে। গতকাল বিকেল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। রাতে উজানে বৃষ্টি হয়েছে যার কারণে সোমেশ্বরী ও কংস নদীতে আরও পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী ও নেতাই নদীর পানি বেড়ে ৪০ গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এসব অঞ্চলের পানিবন্দী মানুষের দৈনন্দিন কাজ-কর্ম ব্যাহত হচ্ছে। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে সোমেশ্বরী নদীর পানি বাড়লেও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই নদীর দুর্গাপুর পয়েন্টে গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আজ রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত ৫০ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। বর্তমানে নদীর পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সোমেশ্বরী ও পার্শ্ববর্তী নেতাই নদীর পানি প্রবেশ করে উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের বন্দউষান, আটলা, পূর্বনন্দেরছটি, হাতিমারাকান্দা, ভাদুয়া, নাওধারা, জাগিরপাড়া, দক্ষিণ জাগিরপাড়া, মুন্সিপাড়া, গাঁওকান্দিয়া, শ্রীপুর, জাঙালিয়াকান্দা, শংকরপুর, তাঁতিরকোনা, বিশ্বনাথপুর, আদমপুর, কান্দাপাড়া ও কালাগোনা গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
কুল্লাগড়া ইউনিয়নের বিলকাঁকড়াকান্দা, দৌলতপুর, পলাশগড়া, বংশীপাড়া, গাইমারা, কাকৈরগড়া ইউনিয়নের, গোদারিয়া, বিলাশপুর, লক্ষ্মীপুর, রামবাড়ি, দুর্গাশ্রম এবং চণ্ডীগড় ইউনিয়নের সাতাশি, চারিখাল, নীলাখালী ও ফুলপুর গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বাকলজোড়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এতে উপজেলার ৫ পাঁচ ইউনিয়নের প্রায় ৪০ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
আজ রোববার সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন সড়ক, মাঠ-ঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক স্কুল-মাদ্রাসা ও ঘর-বাড়ির চারপাশে পানি। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। গবাদিপশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন মানুষ। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট।
গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের মুহাম্মদ তালুকদার বলেন, আমাদের চলাচলের রাস্তায় কমর পানি, যেভাবে পানি বাড়ছে তাতে ভয় হচ্ছে ঘরে না উঠে যায়।
চণ্ডীগড় ইউনিয়নের সাতাশী গ্রামের বাসিন্দা মাসুদুর রহমান ফকির বলেন, আমাদের গ্রামে অনেক মানুষ পানিবন্দী। রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় হাট-বাজারেও যেতে পারছি না।
বাকলজোড়া ইউনিয়নের বাকলজোড়া গ্রামের ইউপি সদস্য মো. আবু তাহের বলেন, আমাদের ইউনিয়নে ফসলি জমির ৮০ ভাগ পানির নিচে। তা ছাড়া চলাচলের প্রায় সব রাস্তা পানির নিচে। যেভাবে পানি বাড়ছে তাতে ঘরে পানি ঢুকে যাবে মনে হচ্ছে।
গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য শহিদুল ইসলাম জানান, পানি বেড়েই চলছে, ইতিমধ্যে অনেকের ঘরের ভেতরে পানি উঠে গেছে। সবাই অনেক আতঙ্কে আছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও-ভারপ্রাপ্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নিম্নাঞ্চলের অনেক মানুষ পানিবন্দী। আমাদের পক্ষ থেকে গতকাল শনিবার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের পানিবন্দী এলাকা পরিদর্শন করে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তা অব্যাহত রয়েছে।
জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান বলেন, বৃষ্টি আর উজানের ঢলের পানিতে জেলার নদ-নদীর পানি বেড়ে চলেছে। গতকাল বিকেল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। রাতে উজানে বৃষ্টি হয়েছে যার কারণে সোমেশ্বরী ও কংস নদীতে আরও পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১৯ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
২৭ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৩৪ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৪০ মিনিট আগে