বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি

নাটোরের বাগাতিপাড়ার দেবনগর গ্রামে এলজিএসপি প্রকল্পের সেই ইউড্রেন সংস্কারের পর আবারও ভেঙে গেছে। সংস্কারের এক সপ্তাহ না যেতেই পাওয়ার টিলার যাওয়ার সময় আবারও একই অংশ ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে।
জানা যায়, এলজিএসপি প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে বাগাতিপাড়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স শুভ এন্টারপ্রাইজ লাইসেন্সের নামে সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস নিজেই কাজটি করেছিলেন। ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে ওই ইউড্রেনটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সেটি পাঁচ মাস না যেতেই ২০২২ সালের মার্চ মাসের প্রথম দিকে ওপরের অংশ ভেঙে যায়। যেকোনো সময় পুরো ইউড্রেন ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পাশাপাশি কয়েকটি এলাকার মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিন আগে ওই ইউড্রেনের ভাঙা অংশে দায়সারাভাবে ঢালাই দেওয়া হয়। এর এক সপ্তাহ না যেতেই পাওয়ার টিলার যাওয়ার সময় একই অংশ আবারও ভেঙে গেছে। শুধু ভাঙা অংশ বারবার ঠিক করলেও থাকবে না। এর স্থায়ী সমাধানের জন্য পুরো স্লাবটি আবার নতুনভাবে ঢালাই করে দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
দেবনগর এলাকার স্থানীয় শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, ইউড্রেনটি ভেঙে পড়লে প্রায় সাতটি গ্রামের যোগাযোগব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত মেরামত করা প্রয়োজন।
জামনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস বলেন, প্রায় ১৫ দিন আগে ওই ইউড্রেন মেরামত করে দেওয়া হয়েছে। ভাঙার কথা না। যদি ভেঙে থাকে তাহলে আবার মেরামত করে দেওয়া হবে।
জামনগর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘যিনি কাজটি করেছেন, তিনিই মেরামত করবেন। এর কোনো দায়ভার আমার নেই।’
উল্লেখ্য, গত ৪ এপ্রিল দৈনিক আজকের পত্রিকায় ‘নির্মাণের পাঁচ মাসেই ভাঙল ইউড্রেন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে কয়েক দিন পরেই ইউড্রেন সংস্কার করা হয়।

নাটোরের বাগাতিপাড়ার দেবনগর গ্রামে এলজিএসপি প্রকল্পের সেই ইউড্রেন সংস্কারের পর আবারও ভেঙে গেছে। সংস্কারের এক সপ্তাহ না যেতেই পাওয়ার টিলার যাওয়ার সময় আবারও একই অংশ ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে।
জানা যায়, এলজিএসপি প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে বাগাতিপাড়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স শুভ এন্টারপ্রাইজ লাইসেন্সের নামে সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস নিজেই কাজটি করেছিলেন। ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে ওই ইউড্রেনটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সেটি পাঁচ মাস না যেতেই ২০২২ সালের মার্চ মাসের প্রথম দিকে ওপরের অংশ ভেঙে যায়। যেকোনো সময় পুরো ইউড্রেন ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পাশাপাশি কয়েকটি এলাকার মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিন আগে ওই ইউড্রেনের ভাঙা অংশে দায়সারাভাবে ঢালাই দেওয়া হয়। এর এক সপ্তাহ না যেতেই পাওয়ার টিলার যাওয়ার সময় একই অংশ আবারও ভেঙে গেছে। শুধু ভাঙা অংশ বারবার ঠিক করলেও থাকবে না। এর স্থায়ী সমাধানের জন্য পুরো স্লাবটি আবার নতুনভাবে ঢালাই করে দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
দেবনগর এলাকার স্থানীয় শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, ইউড্রেনটি ভেঙে পড়লে প্রায় সাতটি গ্রামের যোগাযোগব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত মেরামত করা প্রয়োজন।
জামনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস বলেন, প্রায় ১৫ দিন আগে ওই ইউড্রেন মেরামত করে দেওয়া হয়েছে। ভাঙার কথা না। যদি ভেঙে থাকে তাহলে আবার মেরামত করে দেওয়া হবে।
জামনগর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘যিনি কাজটি করেছেন, তিনিই মেরামত করবেন। এর কোনো দায়ভার আমার নেই।’
উল্লেখ্য, গত ৪ এপ্রিল দৈনিক আজকের পত্রিকায় ‘নির্মাণের পাঁচ মাসেই ভাঙল ইউড্রেন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে কয়েক দিন পরেই ইউড্রেন সংস্কার করা হয়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে