রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় যোগ দিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ দলে দলে সভাস্থলে আসতে শুরু করেছে। পুরুষের পাশাপাশি নারীর সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। আজ রোববার দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। রাজশাহী মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এই জনসভার আয়োজন করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা নারী নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে সভাস্থলে আসছেন। পরনে শাড়ি, মাথায় টুপি পরে মিছিলে অংশ নিয়েছেন তাঁরা। এ সময় তাঁদের বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী ও নিজ এলাকার আওয়ামী লীগ নেতার নামে স্লোগান দিতে দেখা যায়। নারী কর্মীদের মধ্যে একধরনের উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। এদিকে নারীদের পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরাও জনসভায় এসেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রাজশাহীজুড়ে নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নগরীর প্রতিটি মোড়ে পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থান লক্ষ করা গেছে।
জনসভায় যোগ দিতে নাটোরের লালপুর থেকে এসেছেন মালেকা বানু নামের আওয়ামী লীগের এক প্রবীণ সমর্থক। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেশ আজ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। শেখ হাসিনার একান্ত প্রচেষ্টায় দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। দেশ থেকে খাদ্যের অভাব দূর হয়েছে। তিনি নারীর ক্ষমতায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হলে নারীরা সব ক্ষেত্রে পুরুষদের সমান মর্যাদা পাবেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।’
জনসভায় যোগ দিতে মাদ্রাসা মাঠে এসেছে তৃতীয় লিঙ্গের সংগঠন ‘আলোর দিশারি’। রেখা ইসলাম নামের তৃতীয় লিঙ্গের এক সদস্য আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে লিঙ্গবৈষম্য কমিয়েছেন। আমরা এখন নিজেদের পরিচয়ে চলতে পারি। লিঙ্গসমতা বজায় রাখতে শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার।’

রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় যোগ দিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ দলে দলে সভাস্থলে আসতে শুরু করেছে। পুরুষের পাশাপাশি নারীর সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। আজ রোববার দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। রাজশাহী মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এই জনসভার আয়োজন করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা নারী নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে সভাস্থলে আসছেন। পরনে শাড়ি, মাথায় টুপি পরে মিছিলে অংশ নিয়েছেন তাঁরা। এ সময় তাঁদের বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী ও নিজ এলাকার আওয়ামী লীগ নেতার নামে স্লোগান দিতে দেখা যায়। নারী কর্মীদের মধ্যে একধরনের উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। এদিকে নারীদের পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরাও জনসভায় এসেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রাজশাহীজুড়ে নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নগরীর প্রতিটি মোড়ে পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থান লক্ষ করা গেছে।
জনসভায় যোগ দিতে নাটোরের লালপুর থেকে এসেছেন মালেকা বানু নামের আওয়ামী লীগের এক প্রবীণ সমর্থক। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেশ আজ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। শেখ হাসিনার একান্ত প্রচেষ্টায় দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। দেশ থেকে খাদ্যের অভাব দূর হয়েছে। তিনি নারীর ক্ষমতায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হলে নারীরা সব ক্ষেত্রে পুরুষদের সমান মর্যাদা পাবেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।’
জনসভায় যোগ দিতে মাদ্রাসা মাঠে এসেছে তৃতীয় লিঙ্গের সংগঠন ‘আলোর দিশারি’। রেখা ইসলাম নামের তৃতীয় লিঙ্গের এক সদস্য আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে লিঙ্গবৈষম্য কমিয়েছেন। আমরা এখন নিজেদের পরিচয়ে চলতে পারি। লিঙ্গসমতা বজায় রাখতে শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার।’

ভারত থেকে কারাভোগ শেষে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধীন চাড়ালডাংগা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ২১৯/২৯-আর-সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
৭ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে