নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের গুরুদাসপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের বিচার এবং অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকেরা। আজ সোমবার বিকেল ৪টায় উপজেলার নাজিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘নাজিরপুর মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও দৌলতপুর গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে মো. ফিরোজ আহমেদ আমার এসএসসি পরীক্ষার্থী নাবালক মেয়েকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গত ২ অক্টোবর (শনিবার) অপহরণ করে নিয়ে চলে যায়। অপহরণের পর আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে। শনিবার রাতে প্রধান শিক্ষক ফিরোজসহ তাঁর দুই ভাইয়ের নামে থানায় অপহরণ মামলা করে আমার স্ত্রী। মামলার ৬ ঘণ্টার মধ্যে আমার মেয়েকে পুলিশ উদ্ধার করতে পারলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আমি আমার মেয়ের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই এবং অতি দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তারের আওতায় নিয়ে আসারও দাবি জানাচ্ছি।’
গুরুদাসপুর থানার বারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মতিন বলেন, গত শনিবার সকাল ১০টার দিকে এসএসসি এক পরীক্ষার্থী ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে যায়। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষে সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে অবস্থানকালে একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ তাকে একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে চলে যান। ঘটনাটি দেখে স্থানীয়রা অপহৃতের পরিবারকে জানালে তারা প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়।
পরে রাতে ওই পরীক্ষার্থীর মা অপহরণের অভিযোগ এনে থানায় প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। এরপরেই পুলিশ অভিযানে নামে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে একই উপজেলার মামুদপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে অপহরণের শিকার মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রধান শিক্ষক ফিরোজ পালিয়ে যান। মেয়েটিকে উদ্ধার করে তার পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকসহ সকল আসামিকে গ্রেপ্তারের জোড় তৎপরতা চলছে বলে জানান তিনি।

নাটোরের গুরুদাসপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের বিচার এবং অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকেরা। আজ সোমবার বিকেল ৪টায় উপজেলার নাজিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘নাজিরপুর মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও দৌলতপুর গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে মো. ফিরোজ আহমেদ আমার এসএসসি পরীক্ষার্থী নাবালক মেয়েকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গত ২ অক্টোবর (শনিবার) অপহরণ করে নিয়ে চলে যায়। অপহরণের পর আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে। শনিবার রাতে প্রধান শিক্ষক ফিরোজসহ তাঁর দুই ভাইয়ের নামে থানায় অপহরণ মামলা করে আমার স্ত্রী। মামলার ৬ ঘণ্টার মধ্যে আমার মেয়েকে পুলিশ উদ্ধার করতে পারলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আমি আমার মেয়ের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই এবং অতি দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তারের আওতায় নিয়ে আসারও দাবি জানাচ্ছি।’
গুরুদাসপুর থানার বারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মতিন বলেন, গত শনিবার সকাল ১০টার দিকে এসএসসি এক পরীক্ষার্থী ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে যায়। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষে সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে অবস্থানকালে একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ তাকে একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে চলে যান। ঘটনাটি দেখে স্থানীয়রা অপহৃতের পরিবারকে জানালে তারা প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়।
পরে রাতে ওই পরীক্ষার্থীর মা অপহরণের অভিযোগ এনে থানায় প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। এরপরেই পুলিশ অভিযানে নামে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে একই উপজেলার মামুদপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে অপহরণের শিকার মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রধান শিক্ষক ফিরোজ পালিয়ে যান। মেয়েটিকে উদ্ধার করে তার পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকসহ সকল আসামিকে গ্রেপ্তারের জোড় তৎপরতা চলছে বলে জানান তিনি।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
২ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে