বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় এক দম্পতির বিরুদ্ধে জিনের ভয় দেখিয়ে আড়াই লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দয়ারামপুর ইউনিয়নের সোনাপুরের হিজলি পাবনাপাড়ায় মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী স্বজন ও এলাকাবাসী। ভুক্তভোগী ওই এলাকারই আব্দুল আওয়ালের ছেলে ফিরোজ আলী।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীর ভাই ইমদাদুল হক, প্রতিবেশী আব্দুল মান্নান সালেহা বেগম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
ইমদাদুল বলেন, ‘ফিরোজ ছোট বেলা থেকে চানাচুর ফ্যাক্টরিতে কাজ করে। দীর্ঘদিন থেকে সে টাকা জমিয়ে বাড়ির একটি বাক্সে জমা রেখেছিল। গত বছর প্রতিবেশী রিপন ও তাঁর স্ত্রী হালিমা ওই টাকার বিষয় জানতে পারে। পরে ওই টাকা হাতিয়ে নিতে তারা প্রতারণার ফাঁদ পাতে। জমানো টাকায় জিনের আসর আছে বলে সহজ-সরল ভাইকে টাকাগুলোকে শুদ্ধ করতে হবে বলে জানায়।’
ইমদাদুল আরও বলেন, ‘রাতে ওই স্বামী-স্ত্রী জিন হাজির করে ওই টাকা শুদ্ধ করে তাকে পুনরায় দেওয়া হবে বলেও জানায়। এর পর জিন হাজিরের নাটক সাজিয়ে আড়াই লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতিবেশী রিপন-হালিমা দম্পতি। পরে প্রায় এক বছর হলেও ওই টাকা তারা ফেরত দেয়নি। টাকা ফেরত না পেয়ে তার ভাই ফিরোজ এখন পাগল প্রায় হয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছে।’
টাকা উদ্ধারে গ্রামে সালিস বৈঠকও করা হয়েছে, এমনকি থানাও জানানো হয়েছিল। কিন্তু প্রতিকার না পেয়ে আদালতে মামলা করা হয়। যুক্ত করেন ইমদাদুল।
স্থানীয় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মুকাদ্দেস আলী জানান, প্রায় দুই মাস আগে এ বিষয়ে একটি উন্মুক্ত সালিস হয়েছিল। তিনি নিজেও বৈঠকে ছিলেন। ওই সালিসে রিপন টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন। সালিসের সিদ্ধান্তে দুই লাখ টাকা ফেরতের জন্য রিপন একটা তারিখও নিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি আর টাকা ফেরত দেননি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রিপন ও তাঁর স্ত্রী হালিমার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তাঁদের বাড়িতে গেলে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাগাতিপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিউল আযম খাঁন বলেন, ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছিল। পরে তাঁরা আদালতে একটি মামলা করেছেন।

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় এক দম্পতির বিরুদ্ধে জিনের ভয় দেখিয়ে আড়াই লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দয়ারামপুর ইউনিয়নের সোনাপুরের হিজলি পাবনাপাড়ায় মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী স্বজন ও এলাকাবাসী। ভুক্তভোগী ওই এলাকারই আব্দুল আওয়ালের ছেলে ফিরোজ আলী।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীর ভাই ইমদাদুল হক, প্রতিবেশী আব্দুল মান্নান সালেহা বেগম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
ইমদাদুল বলেন, ‘ফিরোজ ছোট বেলা থেকে চানাচুর ফ্যাক্টরিতে কাজ করে। দীর্ঘদিন থেকে সে টাকা জমিয়ে বাড়ির একটি বাক্সে জমা রেখেছিল। গত বছর প্রতিবেশী রিপন ও তাঁর স্ত্রী হালিমা ওই টাকার বিষয় জানতে পারে। পরে ওই টাকা হাতিয়ে নিতে তারা প্রতারণার ফাঁদ পাতে। জমানো টাকায় জিনের আসর আছে বলে সহজ-সরল ভাইকে টাকাগুলোকে শুদ্ধ করতে হবে বলে জানায়।’
ইমদাদুল আরও বলেন, ‘রাতে ওই স্বামী-স্ত্রী জিন হাজির করে ওই টাকা শুদ্ধ করে তাকে পুনরায় দেওয়া হবে বলেও জানায়। এর পর জিন হাজিরের নাটক সাজিয়ে আড়াই লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতিবেশী রিপন-হালিমা দম্পতি। পরে প্রায় এক বছর হলেও ওই টাকা তারা ফেরত দেয়নি। টাকা ফেরত না পেয়ে তার ভাই ফিরোজ এখন পাগল প্রায় হয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছে।’
টাকা উদ্ধারে গ্রামে সালিস বৈঠকও করা হয়েছে, এমনকি থানাও জানানো হয়েছিল। কিন্তু প্রতিকার না পেয়ে আদালতে মামলা করা হয়। যুক্ত করেন ইমদাদুল।
স্থানীয় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মুকাদ্দেস আলী জানান, প্রায় দুই মাস আগে এ বিষয়ে একটি উন্মুক্ত সালিস হয়েছিল। তিনি নিজেও বৈঠকে ছিলেন। ওই সালিসে রিপন টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন। সালিসের সিদ্ধান্তে দুই লাখ টাকা ফেরতের জন্য রিপন একটা তারিখও নিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি আর টাকা ফেরত দেননি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রিপন ও তাঁর স্ত্রী হালিমার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তাঁদের বাড়িতে গেলে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাগাতিপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিউল আযম খাঁন বলেন, ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছিল। পরে তাঁরা আদালতে একটি মামলা করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে