
কয়েক বছর আগেও যে চিকিৎসা পদ্ধতিকে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির মতো মনে হতো, সেটিই এখন দুরারোগ্য ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ করে তুলছে। ব্রিটিশ একদল চিকিৎসক বলছেন, নতুন এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে (জিন থেরাপি) রোগীর শরীরের শ্বেত রক্তকণিকার ডিএনএ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সম্পাদনা করা হয়, যাতে এগুলো ক্যানসার

চিকিৎসা শুরুর এক বছর পর এখন অলিভার স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠছে বলে মনে হচ্ছে। তাঁর মা জিংরু আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘আমরা সব সময় অলিভারকে নিয়ে কথা বলি। যখন তাঁর ওই রোগের কথা মনে হয়, আমার কান্না চলে আসে। কিন্তু এখন অলিভার সুস্থ। এটি সত্যিই অবিশ্বাস্য।’

বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো ৪০ হাজার বছর আগে মারা যাওয়া একটি কিশোরী ম্যামথের দেহ থেকে প্রাচীন আরএনএ সংগ্রহ করেছেন। ‘ইউকা’ নাম দেওয়া ওই ম্যামথের দেহ সাইবেরিয়ার স্থায়ী তুষার স্তর বা পারমাফ্রস্টে জমে থাকা অবস্থায় মমি হয়ে গিয়েছিল।

আমাদের দেশের কিছু মানুষের ধারণা, বাড়ির আশপাশে তালগাছ, তুলাগাছ ও বাঁশগাছ লাগালে সেগুলোর মাধ্যমে বাড়িতে খারাপ জিনের প্রভাব পড়তে পারে। প্রশ্ন হচ্ছে, কোরআন ও হাদিসের আলোকে এই ধারণার কি কোনো ভিত্তি আছে?