Ajker Patrika

নরসিংদীর রায়পুরা: উঠে গেছে সড়কের পিচ, খানাখন্দে ভোগান্তি

হারুনূর রশিদ, রায়পুরা (নরসিংদী)
আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০৭: ৪৬
নরসিংদীর রায়পুরা: উঠে গেছে সড়কের পিচ, খানাখন্দে ভোগান্তি
সড়কের গর্তে জমেছে পানি। ভাঙাচোরা সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করে। সম্প্রতি নরসিংদীর রায়পুরার আশরাফপুর এলাকায়। ছবি: আজকের পত্রিকা

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার রায়পুরা-নীলকুঠি সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বেহাল হয়ে পড়েছে। সড়কের পিচ উঠে খানাখন্দে ভরে গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী মানুষ।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, রায়পুরা থেকে নীলকুঠি পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার আঞ্চলিক সড়কের পৌর রায়পুরা বাজারের পর থেকে ঝুগীবাড়ি ও হাসান্নের মোড়, রাজপ্রাসাদ, আশরাফপুর, মহেশপুর, সাপমারা, মুছাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কের পিচ উঠে গিয়ে ছোট বড় গর্ত হয়ে গেছে। এসব গর্তে পানি ও কাদা জমেছে। ভাঙাচোরা রাস্তায় ধীরগতিতে ট্রাক্টর, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, পূর্বাঞ্চলের মির্জাপুর, মুছাপুর, মহেশপুর, চাঁনপুর, শ্রীনগর ও রায়পুরা ইউনিয়নের হাজারো মানুষ এই সড়ক দিয়ে উপজেলা ও জেলা সদরে যাতায়াত করে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি এমন বেহাল হয়ে থাকায় যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন তাঁরা। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে ভোগান্তি খুব বেড়ে যায়। পানিতে ভরা থাকায় ছোট-বড় গর্তের গভীরতা বোঝা কঠিন হয়ে যায়। গর্তে যানবাহন পড়ে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

কয়েক স্কুলশিক্ষার্থী বলে, সড়কের গর্তে সব সময় পানি জমে থাকে। স্কুলে যাতায়াতের সময় গাড়ির চাকায় গর্তের কাদাপানি ছিটকে পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় হেঁটেও চলা যায় না।

স্থানীয় বাসিন্দা মজনু মিয়া বলেন, ‘মুছাপুর, মহেশপুর, রায়পুরা ইউনিয়নসহ আশপাশের মানুষ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। প্রায়ই গাড়ি গর্তে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে। ভাঙা রাস্তা দিয়ে চলাচল করলে শরীর ব্যথা হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এমন অবস্থা। দ্রুত রাস্তাটা ভালো করা দরকার।’

অটোরিকশাচালক আবদুর রহিম বলেন, ‘বড় বড় গর্তে পানি জমে থাকায় ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। ভাঙা রাস্তায় গাড়ি চালাতে গিয়ে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি প্রায়ই নষ্ট হয়ে যায়। কাদাপানি যাত্রীদের গায়ে ছিটকে পড়ে, এ কারণে অনেকে গাড়িতে উঠতে চান না। আয়ও আগের তুলনায় কমে গেছে।’

উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় মেরামতের জন্য এমপি মহোদয়ের ডিও লেটারসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত আবেদন পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে আশা করি দ্রুত সংস্কারকাজ করা যাবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত