
নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনের বেলাবর একটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ বাতিল করা হয়েছে। আজ রোববার ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পরপরই জাল ভোট দেওয়ার কারণে উপজেলার সল্লাবাদ ইউনিয়নের ইব্রাহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের (কেন্দ্র নম্বর ১৩৪) ভোট গ্রহণ বাতিল করা হয়।
নরসিংদী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. বদিউল আলম আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নৌকার পক্ষের লোকজন আগেই সিল মেরে ফেলেছে—এমন সত্যতা পাওয়ায় কেন্দ্রটি বাতিল করা হয়েছে।
ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত এলাকাবাসী জানায়, জোর করে কেন্দ্রে ঢুকে ১২টি বইয়ে নৌকার সিল মারেন শিল্পমন্ত্রীর ছেলে মঞ্জুরুল মজিদ মাহমুদ সাদী। পরে কেন্দ্রে থাকা লোকজন চিৎকার-চেঁচামেচি করে প্রতিবাদ করতে থাকলে প্রশাসনের লোকজন গিয়ে ওই কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ বাতিল করে।
এ বিষয়ে মঞ্জুরুল মজিদ মাহমুদ সাদী তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে বলেন, ‘খুবই পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়ানো হচ্ছে আমি গ্রেপ্তার হয়েছি; এই করেছি, সেই করেছি। আওয়ামী লীগের বিশাল কর্মিবাহিনী রয়েছে, ছাত্রলীগের কর্মবাহিনী রয়েছে। তারা আপনাদের পাশে আছে। আমরা বিশাল সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে কাজ করছি। কেউ গুজবে কান দেবেন না।’

ভিডিওতে দেখা যায়, নেতা-কর্মীরা ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চ সফল হোক’ লেখা একটি ব্যানার হাতে সমবেত হন। ব্যানারে শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর ছবি রয়েছে। ব্যানারের নিচে ‘শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠন’ লেখা।
৩ মিনিট আগে
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা সড়কটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে আর কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না। শুষ্ক মৌসুমে হেঁটে চলাচল করা গেলেও বর্ষাকালে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে দুর্ঘটনায় অনেকেই আহত হন। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকা করার জন্য জনপ্রতিনিধিসহ সরকারি দপ্তরে দফায়...
২৪ মিনিট আগে
ফুলবাড়ি বাজার-সংলগ্ন একটি জমি নিয়ে চয়ন রাজভর ও একই গ্রামের আমিনুর ফকিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার তারাবির নামাজের পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন সেখানে জড়ো হলে সংঘর্ষের মধ্যে কে বা কারা চয়ন রাজভর ও আমিনুর ফকিরকে ছুরিকাঘাত করে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় বাসিন্দা রহিম দেওয়ান বলেন, ‘প্রায় দুই বছর ধরে এই কার্যক্রম চললেও তা বন্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অবিলম্বে কারখানাটি বন্ধ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।’
১ ঘণ্টা আগে