সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এ কে এম শামীম ওসমান। তিনি ১ লাখ ৯৫ হাজার ৮২৭টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাপ ফুল মার্কার মুরাদ হোসেন জামাল। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ২৬৯ ভোট।
আজ রোববার (৭ জানুয়ারি) রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোট শেষ হয় বিকেল ৪টায়। এরপর শুরু হয় গণনা।
এ আসনে মোট ভোটার ৬ লাখ ৯৬ হাজার ১৩৯ জন। মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা ১ হাজার ৫৬২। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ৯৬ হাজার ১৩৯।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এ কে এম শামীম ওসমান। তিনি ১ লাখ ৯৫ হাজার ৮২৭টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাপ ফুল মার্কার মুরাদ হোসেন জামাল। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ২৬৯ ভোট।
আজ রোববার (৭ জানুয়ারি) রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোট শেষ হয় বিকেল ৪টায়। এরপর শুরু হয় গণনা।
এ আসনে মোট ভোটার ৬ লাখ ৯৬ হাজার ১৩৯ জন। মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা ১ হাজার ৫৬২। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ৯৬ হাজার ১৩৯।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে